অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের ‘বীর প্রতীক’ খেতাব বাতিল


অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের নামের সঙ্গে যুক্ত করা ‘বীর প্রতীক’ খেতাব বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে তিনি প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না—তা যাচাইবাছাইয়ের জন্য নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক শাহিনা খাতুনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, খুলনার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা অধ্যাপক আবু সুফিয়ানে (পিতা- মৃত সামসুদ্দিন বিশ্বাস) নামে ২২ নভেম্বর ২০২০ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বেসামরিক গেজেট নং-৪১৯৩ প্রকাশিত হয়। পরে তার স্ত্রী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান একটি ডিও লেটারের মাধ্যমে স্বামীর নামের শেষে ‘বীর প্রতীক’ যুক্ত করার আবেদন করেন। ওই ডিও লেটারে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের কথা উল্লেখ করা হলেও তা সঠিক নয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ডিও লেটারের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৫ জুন ২০২৩ সালে ৪৮.০০.০০০০.০০৪.৩১.০৫২.২০১৯/২৮৭ নম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের নামের সঙ্গে ‘বীর প্রতীক’ যুক্ত করে বেসামরিক গেজেট নং-৪১৯৩ সংশোধন করে।
এ বিষয়ে সম্প্রতি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে বিষয়টি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। এরপর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ১০২তম সভায় বিষয়টি আলোচনা হয়। সভায় ১৫ জুন ২০২৩ সালে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং অধ্যাপক আবু সুফিয়ান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না, তা যাচাইয়ের জন্য নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৪৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় অধ্যাপক আবু সুফিয়ানের নাম নেই। পরে মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য নতুন করে আর কাউকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়নি।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের সংশোধিত গেজেটের মাধ্যমে যে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিরসনের লক্ষ্যেই সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩বিস্তারিত পড়ুন

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়
যাত্রীদের বাড়তি চাপ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিটবিস্তারিত পড়ুন

