রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজন সমন্বিত রোডম্যাপ: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সুসমন্বিত রোডম্যাপ করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ‘ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট ইন দ্য ইরা অব কোভিড-১৯ এবং বিয়ন্ড’ শীর্ষক ‘হাই-লেভেল ইভেন্টে এ আহ্বান জানান তিনি।

আগে রেকর্ড করা এ ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ (করোনা) সংকট মোকাবিলায় আমাদের সুসমন্বিত রোডম্যাপ প্রয়োজন। এই সংকট উত্তরণে ২০৩০ এজেন্ডা, প্যারিস চুক্তি, আদিস আবাবা অ্যাকশন এজেন্ডা আমাদের ব্লুপ্রিন্ট হতে পারে।

এক্ষেত্রে জাতিসংঘকে অবশ্যই অনুঘটকের ভূমিকা রাখতে হবে।

সংকট উত্তরণে ৬টি সুপারিশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এগুলোর মধ্যে প্রথমত, জি-৭, জি-২০, ওইসিডি কান্ট্রিজ, এমডিবিএস ও আইএফআইএস এর উচিত আর্থিক প্রণোদনা বাড়ানো, অর্থছাড় দেওয়া এবং ত্রাণের ব্যবস্থা করা। উন্নত অর্থনীতিগুলোকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুত শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ওডিএ পূরণ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আমাদের বেশি বেসরকারি অর্থ ও বিনিয়োগ আনা প্রয়োজন। ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে আমাদের অবশ্যই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সুযোগ নিতে হবে।

তৃতীয়ত, কোভিড পরবর্তী চাকরির বাজারের সময় ও অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তার মাধ্যমে আমাদের রেমিট্যান্স প্রবাহের নিম্ন প্রবণতা ঠেকিয়ে বিপরীতমুখী করার জন্য আমাদের সঠিক নীতিমালা ও পদক্ষেপ প্রয়োজন।

চতুর্থত, উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য উন্নত অর্থনীতিগুলিকে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত বাজার অ্যাক্সেস, প্রযুক্তি সহায়তা এবং আরও অ্যাক্সেসযোগ্য অর্থায়নের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

পঞ্চম, এই মহামারির কারণে স্বল্পোন্নতের তালিকায় উঠে আসা দেশগুলোর পিছিয়ে পড়া ঠেকাতে কমপক্ষে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নতুন আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যবস্থা থাকতে হবে।

এবং ৬ষ্ঠ, ক্লাইমেট অ্যাকশন ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে অর্থায়নের জন্য আরও জোর প্রচেষ্টা করা প্রয়োজন।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রচণ্ড রকম প্রভাব ফেলে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ১৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করি, যা আমাদের জিডিপির ৪ দশমিক ০৩ শতাংশের সমান। এই মহামারির সময় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শিল্পী ও সাংবাদিকসহ ৩০ মিলিয়নের বেশি মানুষকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

হাই-লেভেল এই ইভেন্টে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, জামাইকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রু হলনেস জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নীতিমালা জারি: ৮ শ্রেণির মানুষ পাবেন না ফ্যামিলি কার্ড

দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’বিস্তারিত পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো : চিফ প্রসিকিউটর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একবিস্তারিত পড়ুন

  • ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • নতুন দায়িত্বে হুমায়ুন কবির
  • শিক্ষার্থীদের ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ করতে মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ কমিটি : শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
  • মির্জা ফখরুলের চেয়ারে সালাহউদ্দিনকে বসিয়ে কী বার্তা দিল বিএনপি?
  • স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও একক প্রার্থীর ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
  • নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর গুম: প্রধানমন্ত্রী
  • চোখ বেঁধে সীমান্ত দিয়ে শিলং, পরে পাগল ভেবে হাসপাতালে নেয়া হয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ঢাকার যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যেসব সিদ্ধান্ত
  • গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
  • ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর