বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় সাদা পলিথিনের সেডে টমেটো চাষে সাফল্যের জোয়ার

জাহাঙ্গীর হোসেন : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সাদা পলিথিনের সেড ব্যবহার করে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন চাষীরা। অসময়ের এই ফসল চাষ করে কৃষকরা যেমন লাভবান হচ্ছেন, তেমনি স্থানীয় বাজার ও জাতীয় পর্যায়েও টমেটোর চাহিদা মেটাচ্ছেন। মাঠ থেকে সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে টমেটো পাঠানো হচ্ছে। ফলে কৃষক, শ্রমিক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী—সবার জীবন-জীবিকায় এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।

কলারোয়ার মাঠে এখন চোখে পড়ছে ভিন্ন দৃশ্য। উপরে সাদা পলিথিনের সেড, নিচে বেডে সারি সারি সবুজ টমেটো গাছ। দুই পাশে রয়েছে ড্রেন, যেখানে বর্ষার পানি জমে না এবং পোকামাকড়ের ক্ষতির আশঙ্কাও অনেক কম। ফলে টমেটো গাছগুলো সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে এবং ফলনও ভালো হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, পলিথিন ব্যবহারের ফলে বৃষ্টির পানি সরাসরি গাছে না পড়ায় গাছ রোগবালাই মুক্ত থাকে, যা টমেটো চাষকে আরও সহজ করেছে।

স্থানীয় চাষীরা জানিয়েছেন, গত বছর কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হলেও এবছর ফলন ও দাম—দুটিই ভালো হওয়ায় তাদের মধ্যে নতুন করে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। বাজারে অসময়ের টমেটোর চাহিদা বেশি থাকায় কেজি প্রতি দামও হাতের নাগালের বাইরে যাচ্ছে না, বরং কৃষকের হাতে ফিরছে মোটা অঙ্কের টাকা। এক চাষী বলেন, “এক বিঘা জমিতে চাষ করতে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হলেও বিক্রি হয় ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকার মতো। খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকে দ্বিগুণ।”

শুধু কৃষকরাই নয়, টমেটো ক্ষেতের শ্রমিকরাও উপকৃত হচ্ছেন। ক্ষেতের পরিচর্যা, আগাছা পরিষ্কার, টমেটো সংগ্রহ ও পরিবহন—সব মিলিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, এই মৌসুমী কাজ তাদের সংসারের আয় বাড়াতে সহায়তা করছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম এনামুল ইসলাম জানান, এ বছর কলারোয়ায় ৯৩ হেক্টর জমিতে বারি-৮ জাতের গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ হয়েছে। এ জাতের টমেটো স্বাদে ভালো, বাজারে চাহিদা বেশি এবং সংরক্ষণযোগ্য হওয়ায় কৃষকরা অধিক লাভবান হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, “চাষীদের মধ্যে এ আবাদ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আগামী দিনে আরও বেশি জমি এই চাষের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

টমেটো চাষে লাভবান হয়ে অনেকেই নিচু জমি ভরাট করে নতুন করে খেত করার পরিকল্পনা নিচ্ছেন। কেউ কেউ মাছ চাষের পাশাপাশি একই জমিতে টমেটো চাষ করে দ্বিগুণ আয়ের স্বপ্নও দেখছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কলারোয়ায় সাদা পলিথিনের সেডে টমেটো চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন, শ্রমিকরা পাচ্ছেন কর্মসংস্থান আর বাজার পাচ্ছে নিরাপদ টমেটো। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে কলারোয়ার নাম গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদনে দেশের শীর্ষে চলে যাবে বলে আশা করছেন সবাই।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ লাখবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা ফুটবল মাঠে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণেরবিস্তারিত পড়ুন

কারিগরি প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে কলারোয়ায় যুব ও ওস্তাদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

৯টি ট্রেডে কারিগরি প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে কলারোয়ায় যুব ও ওস্তাদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়া জলাবদ্ধ-পতিত জমিতে শোভা পাচ্ছে পানিফল, ফিরছে কৃষকের সুদিন
  • কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১
  • যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় পোস্টারিং কর্মসূচি
  • কলারোয়ায় সিসিডিবি’র সম্প্রীতি প্রকল্পের পরামর্শক কমিটি গঠন
  • কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ
  • কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার
  • কলারোয়ার ইসলামপুর (ব্রজবাকসা) মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ’র ইন্তেকাল
  • কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক, সম্পাদক ফারুকী
  • কলারোয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ
  • কলারোয়ার চন্দনপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন বিএনপি নেতা মন্টু
  • কলারোয়ার কাজীরহাট কলেজের ভর্তি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর আবু নসর