রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

চতুর্থ স্তম্ভের নীরব কান্না- কষ্টে দিন কাটে অনেক সংবাদকর্মীর পরিবার

রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং মানুষের সুখ-দুঃখের খবর তুলে ধরতে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করেন সংবাদকর্মীরা। গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সংবাদমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের “চতুর্থ স্তম্ভ”। অথচ সমাজের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরা এই মানুষগুলোর একটি বড় অংশ নিজেদের জীবন-সংগ্রামের গল্প আড়ালেই রেখে দেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত বহু সংবাদকর্মী দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিশ্চয়তা, কম পারিশ্রমিক এবং সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। বিশেষ করে জেলা, উপজেলা ও গ্রামীণ পর্যায়ের অনেক সংবাদকর্মী নিয়মিত বেতন, চিকিৎসা সুবিধা কিংবা কোনো ধরনের বীমা সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে হঠাৎ কোনো দুর্ঘটনা, অসুস্থতা কিংবা মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে তাদের পরিবার চরম সংকটে পড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কোনো সংবাদকর্মী গুরুতর অসুস্থ হলে বা দুর্ঘটনার শিকার হলে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাহায্যের আবেদনই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারের সদস্যদের দৌড়াতে হয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে। কারও কারও ক্ষেত্রে সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, আবার অনেক পরিবার নেমে আসে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায়। স্থানীয় সাংবাদিক মহলের একাধিক সদস্য জানান, সংবাদ সংগ্রহের সময় ঝুঁঁকি নেওয়া, দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় কাজ করা কিংবা দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা তাদের পেশার অংশ হলেও সেই তুলনায় নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক সুবিধা অত্যন্ত সীমিত। অনেক সংবাদকর্মী সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে নিজেদের অভাব-অনটনের কথা প্রকাশ করতেও সংকোচবোধ করেন। ফলে নীরবে কষ্ট সহ্য করাই যেন তাদের নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়। সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য কার্যকর কল্যাণ তহবিল, স্বাস্থ্যবীমা, দুর্ঘটনা সহায়তা এবং অবসরকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা সময়ের দাবি। কারণ, যারা সমাজের সমস্যার কথা জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তাদের নিজেদের জীবনও নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। সচেতন মহলের মতে, সংবাদকর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা শুধু একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীর দাবি নয়; বরং এটি একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলার পূর্বশর্ত। রাষ্ট্র, গণমাধ্যম মালিকপক্ষ এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগেই কেবল এই নীরব সংকটের সমাধান সম্ভব। আজ যখন কোনো সংবাদকর্মীর অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার সংবাদে সহায়তার আবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তখন একটি প্রশ্ন সামনে আসে- যে মানুষটি সারাজীবন অন্যের কথা লিখেছেন, তার দুর্দিনে কেন তাকে বা তার পরিবারকে সাহায্যের জন্য হাত পাততে হবে? গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভকে শক্তিশালী রাখতে হলে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

যশোরের রাজগঞ্জে ৪৫টি গাঁজা গাছসহ নারী গ্রেফতার

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৫টি গাঁজা গাছসহ মাফুজা বেগমবিস্তারিত পড়ুন

বাসি ও ছত্রাক ধরা মিষ্টি-দইয়ে সয়লাব রাজগঞ্জের ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার!

রাজগঞ্জ প্রতিনিধি : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারের ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডারে দীর্ঘদিনবিস্তারিত পড়ুন

পায়ের ওপর ট্রাক, তিন সন্তান ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে মানবেতর জীবন সাগরের

দুই বছর আগে পায়ের ওপর দিয়ে ট্রাক চলে যাওয়ার পর থেকেই থমকেবিস্তারিত পড়ুন

  • যশোরের রাজগঞ্জে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর মুখের কাছে কাগজ দিয়ে অজ্ঞান, অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ
  • যশোরের রাজগঞ্জে প্রক্রিয়াজাত শিশু খাবারের ছড়াছড়ি, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
  • মণিরামপুরে গরু চুরির হিড়িক, ১০ দিনে অন্তত ৩০ গরু চুরি
  • মণিরামপুর ও রাজগঞ্জে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ‘জেলি পুশ’ চিংড়ি
  • মণিরামপুরে শাশুড়িকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, পুলিশের হাতে পুত্রবধূ ও তার মা
  • সাবেক প্রতিমন্ত্রীর পিএস পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ, যুবলীগ নেতা গাজী আসাদ আটক
  • কবিরাজির আড়ালে জাল টাকা তৈরির অভিযোগ, মনিরামপুরে দুইজন আটক
  • সন্তান হারানোর শোকের মধ্যেই হতদরিদ্র বাবার একমাত্র সম্বল ভ্যান চুরি
  • পারখাজুরা বাওড়ে শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃ*ত্যু
  • ক্যানসারে আক্রান্ত তাসলিমার চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার আবেদন
  • প্রত্যন্ত গ্রামের মেঠোপথ পেরিয়ে জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে মনিরামপুরের সন্তান ড. আব্দুল আলীম
  • মনিরামপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলচালক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত