সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জাতীয় পাখি দোয়েল বিলুপ্তির পথে

বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল আজ বিলুপ্তির পথে! দুই টাকার কাগজের নোটে রয়েছে জাতীয় পাখি দোয়েলের ছবি। মাঠে-ঘাটে, বনে- জঙ্গলে,গাছে গাছে একসময় জাতীয় পাখি দোয়েলসহ নানা ধরনের পাখি দেখা গেলেও কালের আবর্তে এখন আর চিরচেনা সেই পাখি দেখা যায় না। পাখিদের কলরবে মুখোরিত গ্রামের মেঠো পথ এখন পাখি শূন্য হতে চলছে।

বনে জঙ্গলে গাছে পাখি দেখার সেই অপরূপ দৃশ্যপট পাল্টে যাচ্ছে। দুস্কর হয়ে পড়েছে পাখির দেখা। বনাঞ্চলের পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে গাছ কাটা, জমিতে কিটনাশকের যথেচ্ছা ব্যবহার, পাখির বিচরণ ক্ষেত্র ও খাদ্য সংকট আর জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে বিলুপ্তির পথে দোয়েলসহ দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখি। গত কয়েক বছর আগেও মানুষের ঘুম ভাঙতো পাখির ডাকে। তখন বোঝা যেতো ভোর হয়েছে। পাখির কলকাকলীই বলে দিতো যে, এখন ঘুম থেকে উঠতে হবে। প্রতিটি বাঁশঝাড়ই পাখির ডাকে মুখোরিত থাকতো এবং বাঁশঝাড়ের পার্শ্বে বসবাসরত মানুষদের ঘুম ভাঙতো পাখির ডাকে।

কিন্তু এখন যেন সেই পাখির ডাক হারিয়ে গেছে, এখন আর গাছ গাছালিতে পাখির ডাক নেই। কয়েকজন বয়স্কদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দোয়েল, টিয়া, ময়না, কোকিল, শালিক, চড়ুইসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির পাখি গ্রামাঞ্চলের বিলে-ঝিলে, ঝোপে-ঝাড়ে, গাছের ডালে, বাগানে কিংবা বাড়ির আঙ্গিনার গাছের ডালে বসে তাদের সুরের ধ্বনিতে মুগ্ধ করতো। এই পাখির কিচির-মিচির শীষ দেওয়া শব্দ এখন আর কানে শোনা যায় না। সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় বাঁশ গাছে, আমের ডালে, সজিনা গাছে, বাড়ির ছাদে যে পাখি সব সময় দেখা যেত সেই পাখি এখন আর চোঁখে পড়ে না। তবে কম সংখ্যক টিয়া, ঘুঘু, বক, কাক, মাছরাঙা, ইত্যাদি পাখি শহর, গ্রাম-গঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেলেও জাতীয় পাখি দোয়েল তেমন আর মানুষের চোখে পড়ে না।পাখি প্রেমী কিছু লোকজন জানান, দোয়েলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি আজ বিলুপ্তির পথে।

নতুন প্রজন্ম ঐ পাখি আর তেমন দেখতে পায় না, তাছাড়া শিকারিদের দৌরাত্ম্যের কারণে পাখিশূন্য হয়ে পড়ছে বনাঞ্চল। নির্বিচারে পাখি শিকার হচ্ছে। বন উজাড় করে গাছ কাঁটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এতে পাখির বিচরণ কমে যাচ্ছে। এখনি পরিবেশ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পাখি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। সচেতন মহল মনে করছেন, নদী ভাঙনের ও অতিরিক্ত জনসংখ্যার ফলে ফসলি জমিতে উঠছে ঘরবাড়ি, তাছাড়া জনসংখ্যার প্রভাবেও কোথাও না কোথাও প্রতিদিন নতুন নতুন ঘরবাড়ি তৈরি হচ্ছে। এতে গাছ কেটে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস করা হচ্ছে। তাই আগের মতো তেমন পাখির দেখা মিলছে না।

মুনাফার আশায় বনে শিকারিরা বিভিন্ন ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে শিকারের হাত থেকে বাঁচতে জীবন রক্ষার্থে পাখি অন্যত্র চলে যাচ্ছে। পরিশেষে বলা যায়, কৃষি জমিতে মাত্রারিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণসহ, বন ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জাতীয় পাখি দোয়েলসহ দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখির দেখা আর মিলবে না। তাই আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েলসহ অন্যান্য জাতের পাখি সংক্ষণের জন্য সামাজিক বানায়ন সৃষ্টি করা জরুরি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সাবিস্তারিত পড়ুন

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিতবিস্তারিত পড়ুন

পরিপাটি পোশাকের আড়ালে সংকটে ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের জীবন

শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম-হাসপাতাল কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে সকাল হতেই পরিপাটি পোশাকেরবিস্তারিত পড়ুন

  • আরো ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • মোটরসাইকেলসহ গাড়ি মালিক-চালকদের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ
  • পরিপাটি পোশাকের আড়ালে সংকটে ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের জীবন
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ জেহাদের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • চারদিনের সফরে ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী
  • বাংলাদেশ অন্য দেশের অংশীদার হতে চায়, নির্ভরশীল নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস
  • বাংলা কিউআরে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্বের সম্ভাবনা
  • ফোনে সহজেই চালু করুন স্টারলিংকের মোবাইল সেবা
  • রমজানে খাদ্যসংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি খাদ্যমন্ত্রীর
  • উড্ডয়নের পর খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অবতরণ