শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সা. সম্পাদক ইলিয়াস

জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির ২০২১-২২ মেয়াদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস খান। ফরিদা ইয়াসমিন প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি।

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয় নির্বাচনী ফলাফল।

করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মোস্তফা-ই-জামিলের নেতৃত্বে সাত সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এ নির্বাচন পরিচালনা করেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জাফর ইকবাল, মোস্তাফিজুর রহমান, এসএম শওকাত হোসেন, গৌতম অরিন্দম বড়ুয়া (শেলু বড়ুয়া), শামীমা চৌধুরী ও মো. মনিরুজ্জামান।

জাতীয় প্রেসক্লাবের এবারের নির্বাচনে ১৭টি পদে সর্বমোট ৪৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের দু’টি প্যানেল ছিল। ফরিদা-ফারুক পরিষদ এবং সবুজ-ইলিয়াস পরিষদ। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও অংশ নেন এ নির্বাচনে।

নির্বাচনে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে হাসান হাফিজ, সহ-সভাপতি রেজোয়ানুল হক রাজা, যুগ্ম সম্পাদক পদে মাঈনুল আলম ও মো. আশরাফ আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে শাহেদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

সদস্য পদে জিতেছেন আইয়ুব ভূঁইয়া, জাহিদুজ্জামান ফারুক, ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, রহমান মুস্তাফিজ, রেজানুর রহমান, শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা সৈয়দ আবদাল আহমদ, কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রাণা, শাহনাজ বেগম পলি।

বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন ৫৮১ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট। অন্যদিকে প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ৫৬৬ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএফইউজে-বাংলাদেশ সাবেক মহাসচিব ওমর ফারুক পেয়েছেন ৩৯৩ ভোট।

নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত ফরিদা ইয়াসমিন-ওমর ফারুক পরিষদ ১৭টি পদের মধ্যে ১১টি পদে এবং বিএনপি সমর্থিত সবুজ-ইলিয়াস পরিষদ ছয়টি পদে জয়ী হয়েছে। স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন পদে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের কেউই বিজয়ী হতে পারেনি।

নির্বাচনের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে হাসান হাফিজ ৪১৩, সহ-সভাপতি পদে রেজওয়ানুল হক রাজা ৬১৫, যুগ্ম সম্পাদক পদে মাইনুল আলম ৫৭৭ ও আশরাফ আলী ৩৯৫, কোষাধ্যক্ষ পদে শাহেদ চৌধুরী ৭০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

সদস্য পদে আইয়ুব ভূঁইয়া ৫৪৪, রেজানুর রহমান ৪৭৪, কাজী রওনাক হোসেন ৪৫৫, জাহিদুজ্জামান ফারুক ৪৪৩, শাহনাজ বেগম পলি ৪৩০, সৈয়দ আবদাল আহমেদ ৪২১, শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা ৪২০, ভানু রঞ্জন চক্রবর্তী ৪১১, রহমান মুস্তাফিজ ৩৭৯ ও বখতিয়ার রানা ৩৬৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে ৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

প্রসঙ্গত, ফরিদা ইয়াসমিন জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রথম নির্বাচিত নারী সাধারণ সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এবং বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্ট ফোরামের উপদেষ্টা। এছাড়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ফোরাম অ্যাগেনিস্ট ট্রাফিকিংয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। মিডিয়াতে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করায় ২০১৭ সালের ৭ মে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টটেটিভ থেকে বিশেষ কংগ্রেশনার রিকোগনিশন এবং নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক অ্যাডভোকেট অফিস থেকে পেয়েছেন ‘কংগ্রেসনাল স্পেশাল সার্টিফিকেট’।

ফরিদা ইয়াসমিন ১৯৬৩ সালের ১ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্ম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দৌলতকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম সাখাওয়াৎ হোসেন ভুঁইয়া এবং মায়ের নাম জাহানারা হোসেন। পাঁচ বোন এবং চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। শিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ইডেন কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন ফরিদা ইয়াসমিন।

পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিক বিভাগ থেকে ১৯৯০ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটি থেকে সাংবাদিকতায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

ফরিদা ইয়াসমিন ১৯৮৯ সালে বাংলার বাণী পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতার চাকরি শুরু করেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকাল থেকেই তিনি বিভিন্ন সাপ্তাহিক ম্যগাজিনে নিয়মিত কাজ করতেন। তিনি মুক্তকণ্ঠেও কাজ করেছেন।

১৯৯৯ সাল থেকে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় কর্মরত। ২০০১ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য হন ফরিদা ইয়াসমিন। ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি সাউথ এশিয়ান ওমেনস মিডিয়া ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক এবং এ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ২০১৬ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন ফরিদা।

তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ভাষা আন্দোলন ও নারী (২০০৫), উজ্জ্বল নারীর মুখোমুখি (২০০৫) ও ইতিহাসের আয়নায় বঙ্গবন্ধু (২০১৭)। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পদক, উইমেন লিড দ্য নেশন পুরস্কার ও জাতীয় প্রেস ক্লাব লেখক সম্মাননা লাভ করেন।

ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম। এ দম্পতির এক ছেলে মাহির আবরার এবং এক কন্যা নুজহাত পূর্ণতা।
ধবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন উত্থাপন করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এবং কোষাধ্যক্ষের প্রতিবেদন পেশ করেন শ্যামল দত্ত।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্রিম্প হ্যাচারী এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সেব’র জরুরী সাধারণ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্রিম্প হ্যাচারী এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সেব এর জরুরী সাধারণ সভাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ সাতক্ষীরার নবাগত ডিসির

কলারোয়ায় বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, ইভটিজিং ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

  • পদত্যাগ ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন দীপেন দেওয়ান
  • এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
  • বেতন দ্বিগুণের পথে, নতুন পে-স্কেল নিয়ে জোর প্রস্তুতি
  • বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার করতে পারে বিটিভি
  • জামিন পেয়ে কারামুক্ত সাবেক মেয়র আইভী
  • ভারত ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফ ‘খুনি বাহিনী’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • বিদ্যুতের দাম বাড়লো
  • এবার বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা
  • জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা
  • শ্রিম্প হ্যাচারী এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সেব এর জরুরী সাধারণ সভা
  • পুশব্যাক চেষ্টা ব‍্যর্থ : বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থানে
  • ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় নিহত ৫, সবাই যশোরের