রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জি কে শামীম ও ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

অস্ত্র আইনে করা মামলায় কথিত যুবলীগ নেতা ও বিতর্কিত ঠিকাদার এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর গুলশান থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় এই দণ্ড দেওয়া হয়।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় জি কে শামীমকে।

যাবজ্জীবন পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন। এরা জি কে শামীমের দেহরক্ষী।

এর আগে ২৮ আগস্ট মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম রায় ঘোষণার তারিখ ঠিক করেছিলেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জি কে শামীম। নিকেতন এ-ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাড়িতে তার অফিসে ১১ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব।

সেসময় তার কার্যালয় থেকে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করে র‌্যাব। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলো বিচারাধীন।

এরপর ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগপত্র করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। এ মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছে মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এসএম বিল্ডাস কোম্পানিতে যোগদান করেন তিনি। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেন। এর মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বাস্তবতা

রাষ্ট্র পরিচালনার ইতিহাসে একটি পুরোনো সত্য বারবার ফিরে আসে, যে মানুষ কাজবিস্তারিত পড়ুন

১৫০ দিনেই সব মন্ত্রণালয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি: মাহদী আমিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম পাঁচ মাসেই সব মন্ত্রণালয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিবিস্তারিত পড়ুন

ঢাকায় আরও ৫০ স্পটে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর আরও ৫০টি স্পটে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থা দ্রুত সময়ের মধ্যে চালুরবিস্তারিত পড়ুন

  • একজন শিক্ষক আমাকে নাম দিয়েছেন ‘পরীক্ষা মিলন’; শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশ
  • অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের
  • চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল
  • সরকার ক্ষমতাবান নয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রে ধরা মোজাফফর
  • কারাগারে আসার ৮ দিনের মাথায় ছাদের কার্নিশ বেয়ে দেয়াল টপকে পালালো তরুণী
  • দেশে প্রথম জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের জন্য ২ লাখ টাকা পুরস্কার
  • এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার
  • অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৭ জেলায় বন্যা, প্রাণহানি বেড়ে ৪৪
  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন