শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

তীব্র দাবদাহ অব্যাহত, রেকর্ড ভাঙল ৭৬ বছরের

এখন দেশের বেশিরভাগ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন। এ অবস্থায় দেশের গত ৭৬ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে তাপপ্রবাহ। যা এপ্রিল মাসের দীর্ঘব্যপ্তিকাল বলছে আবহাওয়া অফিস। সারাদেশেই বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। এপ্রিলের শুরু থেকে শুরু হওয়া তীব্র গরম অনুভূত হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমকে বলেন, গতকাল পর্যন্ত হিসাবে চলতি মাসে ২৩ দিন তাপপ্রবাহ অব্যাহত ছিল এবং ১৯৪৮ সাল থেকে এক বছরে তাপপ্রবাহের দিনের রেকর্ড শুক্রবার ভাঙতে চলেছে।

টানা অন্তত দুদিন তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকলে তা তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদফতর। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদফতর।

এদিকে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ৪২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১১ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১২টায় এ জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ দশকিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ১৬ শতাংশ। বেলা ৩টায় তাপমাত্রা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১৪ শতাংশ।

চলতি এপ্রিলে ২৪ দিন তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগে ১ এপ্রিল থেকে তাপপ্রবাহ শুরু হয়। ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগটির তাপমাত্রা ৩৬-৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়। এরপর ঢাকা, খুলনা ও রংপুর বিভাগে তাপমাত্রা বাড়ে এবং দুদিন তা অব্যাহত থাকে।

৮ এপ্রিল কক্সবাজার ও সীতাকুণ্ডে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। ৯ ও ১০ এপ্রিল সারাদেশে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ছিল। ১১ এপ্রিল থেকে উষ্ণতা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের গত ৪ এপ্রিলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ুবিদ ও আবহাওয়া ইতিহাসবিদ ম্যাক্সিমিলিয়ানো হেরেরার মতে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে একটি ‘ঐতিহাসিক তাপপ্রবাহ’ অনুভব করা হচ্ছে।

গত মাসে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলেছিল, ফেব্রুয়ারিতেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ‘প্রচণ্ড তাপ লক্ষ্য করা হয়’। কারণ সেই সময় তাপমাত্রা প্রায়ই ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছিল, যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।

রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে তাপপ্রবাহ তুলনামূলক বেশি। সম্প্রতি আবহাওয়া অধিদফতরের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা-দুটোই বাড়লেও এর মধ্যে দ্রুত বাড়ছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননিবিস্তারিত পড়ুন

মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার

আইসিটি বিভাগ থেকে স্টার্টআপের জন্য ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্তবিস্তারিত পড়ুন

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৭ জেলায় বন্যা, প্রাণহানি বেড়ে ৪৪

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিরবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন, কাউন্সিল ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে বিএনপির জোর
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • প্রবাসী কার্ড চালু হচ্ছে চলতি মাসেই, মিলবে যেসব সুবিধা
  • জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন জমির উদ্দিন: জামায়াত আমির
  • সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার জমির উদ্দিন মারা গেছেন
  • দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ–অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা
  • আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে বৈঠক শুরু কাল, আলোচনা হবে নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে
  • ৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান
  • দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান