সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় সংকট ও বিদ্রোহের আবহে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে দলকে নতুনভাবে সাজাতে সর্বস্তরে আত্মসমালোচনা, কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন এবং সাংগঠনিক পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি এবং সহযোগী ও শাখা সংগঠনের সব কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করা হবে।

এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে নেওয়া হলো, যখন দলের একাংশের বিধায়ক প্রকাশ্যেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিধানসভার স্পিকারের কাছে পৃথক পরিষদীয় দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেছে। ফলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। একাধিক নেতা ও বিধায়ক নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা, প্রার্থী বাছাই এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়। সেই প্রেক্ষাপটে বুধবারের সিদ্ধান্তকে অনেকেই দলের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের অংশ হিসেবে দেখছেন।

দলীয় সূত্রের দাবি, আগামী দিনে জেলা থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত সব সংগঠন নতুনভাবে গড়ে তোলা হবে। কারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন, কারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং কোথায় কোথায় সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধুমাত্র সাংগঠনিক রদবদল নয়। বরং ক্ষমতা হারানোর পর দলকে নতুনভাবে পুনর্গঠনের একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা। একই সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরকে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টাও এর মধ্যে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতেও কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দলকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। তবে এবার পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল।

কারণ একদিকে নির্বাচনী পরাজয়, অন্যদিকে বিধায়কদের বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন দলকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য নতুন উদ্যমে সংগঠনকে প্রস্তুত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এখন নজর থাকবে, পুনর্গঠনের পর তৃণমূল কতটা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে নেতৃত্বের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো বহাল রাখতে এবং তাদের হয়রানি করতে সুপ্রিম কোর্টেরবিস্তারিত পড়ুন

চীন-পাকিস্তানকে মোকাবেলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবহর গড়ার লক্ষ্য ভারতের

চীনের বৃহত্তম নৌবহর সম্প্রসারণ এবং পাকিস্তানের উন্নত চীনা-নির্মিত আক্রমণকারী সাবমেরিন অধিগ্রহণকে মোকাবেলায়বিস্তারিত পড়ুন

ভারতে মুসলিম নেতার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ

ভারতের উত্তর প্রদেশে রাজ্যের রামপুর জেলায় এক প্রবীণ মুসলিম নেতার প্রতিষ্ঠিত ‘মোহাম্মদবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারতে শিক্ষার্থীদের ওপরে একে-৪৭ দিয়ে পুলিশের গুলিবর্ষণ, ভাইরাল ভিডিওতে চাঞ্চল্য
  • ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরে ভারতের লোকসভায় বিজেপি-কংগ্রেসের উত্তেজনা
  • ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর যা বলছে ককরোচ জনতা পার্টি
  • অবশেষে টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি মানা হবে না- মোদী সরকারের স্পষ্ট ঘোষণা
  • মোদী সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম বিক্ষোভকারীদের
  • ভারতে আন্দোলন: বিক্ষোভকারী তরুণীকে ‘অশালীন স্পর্শ’ পুলিশ কর্মকর্তার, ভিডিও ভাইরাল
  • অবশেষে ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে মোদি সরকার
  • সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির
  • আন্দোলনের নামে ভারতকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা হচ্ছে: মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ
  • দিল্লিতে বিক্ষোভ সামাল দিতে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করলো সরকার
  • উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, রাস্তায় নামলেন মমতা ব্যানার্জী