শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পবিত্র কাবায় আজান দিচ্ছেন যিনি

পবিত্র কাবা শরীফ মানে মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে সুমধুর সুরে আজান শুনিয়ে মুগ্ধ রাখছেন মুয়াজ্জিন শায়খ আলী আহমদ মোল্লা।

গত অর্ধ-শতাব্দিকাল ধরে হাজিদের কাছে তার আজানের সুর খুবই পরিচিত। তিনিই পবিত্র মসজিদুল হারামের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও প্রবীণ মুয়াজ্জিনদের একজন। দীর্ঘকাল আজান দেয়ায় অনেকে তাকে ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন বিলাল (রা.)-এর নামের সঙ্গে মিলিয়ে ‘বিলাল আল-হারাম’ বা হারাম শরিফের বিলাল উপাধি দেন।

বর্তমানে তিনি ‘শায়খুল মুয়াজ্জিনিন’ প্রধান মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার চাচাতো ভাই শায়খ আবদুল মালিক মোল্লার মৃত্যুর পর তিনি মসজিদুল হারামের প্রধান মুয়াজ্জিন নিযুক্ত হন।

শায়খ আলী আহমদ মোল্লা ১৯৪৫ সালে মক্কা নগরীর প্রসিদ্ধ সুক আল-লাইল এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পবিত্র মসজিদুল হারামে আজান দেয়াই তার পূর্বপুরুষদের অন্যতম ঐতিহ্য। তার দাদা, বাবা, চাচা, ভাইসহ বংশের অনেকেই এ দায়িত্ব পালন করেন।

শায়খ আলী মোল্লা শৈশবে মসজিদুল হারামে শায়খ আশুরের কাছে প্রাথমিক পড়াশোনা শুরু করেন। এরপর মাসআয় অবস্থিত রহমানিয়া মাদরাসায় পড়েন। ১৯৭১ সালে রিয়াদের ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যাডুকেশন থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ পান। মসজিদে আজান দেয়ার পাশাপাশি নিজস্ব ব্যবসাও দেখাশোনা করেন তিনি।

প্রথম আজান : ১৩৯৫ হিজরিতে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি বাব আল জিয়াদায় ফজরের প্রথম আজান দেন। তখন মাইক্রফোনের ব্যবহার ছিল না। তাই আশপাশের কিছু লোক তা শুনতে পেত। এরপর তিনি বাব আল মাহাকামার মুয়াজ্জিন হিসেবে নিযুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে তিনি পুরো মসজিদুল হারামে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শায়খ আলী মোল্লা মসজিদুল হারামে লাউডস্পিকার ব্যবহার শুরুর আগে থেকে আজান দেয়া শুরু করেন। তখন মসজিদুল হারামের সাতটি মিনার থেকে মুয়াজ্জিনদের আজান দেয়া শুরু হতো। জমজম কূপের পাশের ‘আল মাকাম আল শাফেয়ি’ থেকে প্রধান মুয়াজ্জিন আজান শুরু করতেন। অন্যরা তা পুনরাবৃত্তি করতেন। উসমানি শাসনামলে আজানের এ ঐতিহ্য শুরু হয়। বর্তমান তুরস্কে এখনও এ নিয়ম প্রচলিত আছে।

সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত : শায়খ আলী মোল্লা বলেছেন, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সুসংবাদ ছিল যেদিন আমার বাবা জানালেন যে আমি একদিন মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হব। বিলাল আল-হারাম উপাধি পেয়ে আমি খুবই অভিভূত। সৌদির সহায়তায় নির্মিত মসজিদ উদ্বোধনে ব্রিটেনে গেলে সেখানকার মুসলিমরা আমাকে এ উপাধি দেন। সংবাদপত্রে তা প্রচারিত হলে এ উপাধি সবার মধ্যে পরিচিতি লাভ করে।

১৯৭৯ সালে মসজিদুল হারাম অবরোধকালে ২৩ দিন ধরে আজান বন্ধ ছিল। অবরোধ তুলে নেয়ার পর তিনিই প্রথম মাগরিবের আজান দেন। ওই সময় বাদশাহ খালেদ মসজিদে উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: আল-অ্যারাবিয়াহ ও উইকিপিডিয়া।

একই রকম সংবাদ সমূহ

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু, ৭ শ্রেণির ব্যক্তিকে অযোগ্য ঘোষণা

২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ ১ বছরে উন্নীত করলো সৌদি আরব

সৌদি আরব তার পর্যটন খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ওমরাহ ভিসার মেয়াদবিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথম জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের জন্য ২ লাখ টাকা পুরস্কার

দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বর্তমান সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

  • শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন
  • যতটুকু আমার প্রাপ্য তাও গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি : সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
  • পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৬ কোটি টাকা
  • মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত
  • ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি, চার সাক্ষীর ধারণা ভুল : ডা. জাকির নায়েকের ভাষ্য
  • মা-বাবাকে ভুলিয়ে দেওয়া ‘সফলতা’ প্রয়োজন নেই : আহমাদুল্লাহ
  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
  • পবিত্র হজ শুরু, মিনায় যাচ্ছেন হজযাত্রীরা
  • পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল
  • বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ২৮ মে বৃহস্পতিবার
  • ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কী কোরবানি দিতে পারবেন?
  • হজে গিয়ে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১৪