বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের বিধান নিয়ে সংসদে ক্ষোভ, হারুনের ওয়াকআউট

পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের বিধান নিয়ে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এর বিরোধিতা করে তারা বলেছেন— এই বিধান অসাংবিধানিক। তবে তাদের বিরোধিতার মুখে মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভায় সরকারি কর্মকর্তা বা উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখেই পৌরসভা আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

এতে সরকারের দেওয়া নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদের ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইনের সংশোধনী পাস হয়। বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে হারুন প্রশাসক নিয়োগের কারণ, সরকারের কোন কোন নির্দেশ পালন করতে হবে— এ বিষয়গুলোর স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন। তিনি বলেন, এসবের ব্যাখ্যা না পেলে তিনি ওয়াকআউট করবেন। পরে বিলটি পাসের সময় তিনি সংসদকক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

এর আগে হারুন বলেন, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এখন আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন। জনগণকে সেখানে অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। ভিন্নমতের কেউ সেখানে না গেলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে, এই উদ্দেশেই এ আইন করা হচ্ছে। সরকারের কোন কোন নির্দেশ পালন করতে হবে, তা আইনে স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান বলেন, যেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকার কথা, সেখানে অনির্বাচিত কেউ বসতে পারবেন না। এটা সংবিধানের চেতনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনির্বাচিত বিধায় এটি বাদ দেওয়া হয়েছে। সেখানে কেন স্থানীয় সরকারে অনির্বাচিত ব্যক্তিকে বসানো হবে, এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এটি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

জাতীয় পার্টির আরেক এমপি শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে নির্বাচিত ব্যক্তিদের দ্বারা স্থানীয় সরকার পরিচালিত হবে। প্রশাসক নিয়োগের বিধান সংবিধানের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। নতুন পৌরসভা গঠনের পর প্রথমবার নির্বাচনের আগে একজন প্রশাসক নিয়োগ করা যেতে পারে, সেটা জরুরি প্রয়োজনে। কিন্তু চলমান পৌরসভায় এটা করা ঠিক হবে না।

বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, প্রশাসক নিয়োগের বিধান রাখার বিষয়টি যৌক্তিক। বিভিন্ন কারণে অনেক সময় নির্বাচন করা নিয়ে আইনগত জটিলতা তৈরি হয়। অনেকে এর সুযোগ নিয়ে থাকেন।

বিদ্যমান আইনে নতুন পৌরসভা গঠনের পর প্রশাসক বসানোর সুযোগ ছিল। নতুন আইনে মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভায় প্রশাসক বসানো এবং সরকার চাইলে যে কোনো ব্যক্তিকে এই পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

ধারায় পরিবর্তন এনে বলা হয়েছে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন পরিষদ গঠনের আগ পর্যন্ত কাজ চালানোর জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেবে সরকার। সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা সরকার উপযুক্ত মনে করে এমন কোনো ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া যাবে।

বিলে পৌরসভার পরিষদ বাতিলসংক্রান্ত ধারায় নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাদিক্রমে ১২ মাস বেতন বকেয়া থাকলে পরিষদ বাতিল হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের ভোট : সিইসি

সেপ্টেম্বরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।বিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদান নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা কেন?

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেবিস্তারিত পড়ুন

আমরা নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করেছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করেছি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুরবিস্তারিত পড়ুন

  • ৪ হাজার এসআই, ৪০০ সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার
  • শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান ও পেশাগত সম্ভাবনা : মাহ্দী আমিন
  • নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি
  • নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় চীন
  • বিদ্যুৎ নিয়ে দুষ্টু লোকেরা বলে, ‌‘টুকু আসে, টুকু যায়’ : সংসদে রুমিন ফারহানা
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল
  • ‘এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা বুঝতে পারিনি’ : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেকে কী মনে করেন? তার ছাত্র হিসেবে সংসদে আসিনি : বিরোধীদলীয় নেতা
  • নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক