বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বাংলাদেশে গরু পাচারকাণ্ডে বিএসএফের ৪ কর্মকর্তাকে তলব

সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গরু পাচারকাণ্ডে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ৪ কর্মকর্তাকে তলব করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই)।

বাহিনীটির এক ডিআইজি, দুই অ্যাসিট্যান্ট কমাড্যান্টসহ ৪ জনকে চলতি সপ্তাহের মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

গরু পাচারকাণ্ডে আরও তথ্য পেতে গোয়েন্দারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার।

গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে গরু পাচারকারী চক্রের সন্ধানে নেমে তাতে বিএসএফ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা পায় সিবিআই। পাশাপাশি এই চোরাকারবারে রাজনীতিকদেরও জড়িত থাকার বিষয়টি অনুসন্ধানে উঠে আসায় তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে তুলকালাম শুরু হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর ওই সময় সিবিআই জানিয়েছিল, বিএসএফের অন্তত ৬ জন পদস্থ কর্মকর্তা এবং কয়েকজন শুল্ক কর্মকর্তা মোটা মাসোহারা পেতেন পাচারকারী চক্রের কাছ থেকে।

এরপর গত ১৭ নভেম্বর গরু পাচার মামলায় বিএসএফ কমাড্যান্ট সতীশকুমারকে গ্রেফতার করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্তে গরু পাচার সিন্ডিকেটে আরও কয়েকজন বিএসএফ কর্মকর্তার সরাসরি যুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া যায়।

সম্প্রতি এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষে বেশ কিছু নথিপত্রও তুলে দেয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। এরপরই তাদেরকে তলব করা হলো।

সিবিআই সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৭- এর এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিএসএফের ৩৬ নম্বর ব্যাটালিয়নের কমান্ডান্ট ছিলেন সতীশ। ওই ১৬ মাসে তার বাহিনী মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলায় বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে প্রায় ২০ হাজার গরু বাজেয়াপ্ত করেছিল।

কিন্তু সেই বাজেয়াপ্ত গরুকেই সরকারি খাতায় বাছুর হিসেবে দেখানো হয়েছিল। গরুর যা দাম, তার চেয়ে কম দামে সেগুলো স্থানীয় বাজারে নিলাম করা হতো। সেখান থেকে বাছুরের দামে গরু কিনে নিত পাচারকারীরা।

আর এই পাচারচক্রের হোতা ছিলেন এনামুল হক। তার তত্ত্বাবধানে নিলামে কেনা ওই গরু আবার বাংলাদেশে পাচার হয়ে যেত। গরুকে বাছুর বানিয়ে দেয়া বিএসএফ এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংযোগ ছিল তার। মোটা টাকা দিয়ে তাদের পুষিয়ে দিতেন তিনি।

সিবিআই আগে এনামুলকে গ্রেফতার করলেও, তিনি জামিন ছাড়া পেয়ে যান। ফের তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণ দেখিয়ে এনামুল হাজিরা এড়িয়ে যান।

এরপর তাকে নিজেদের কব্জায় পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আসানসোলের সিবিআই আদালতে এনামুল আত্মসমর্পণ করেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ভিসা নিয়ে নতুন নীতিমালা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ অভিবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধার আবেদন প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আরোপ করেবিস্তারিত পড়ুন

আগস্টের শেষেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আগস্টের শেষে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ওবিস্তারিত পড়ুন

স্পেনের ছোট্ট গ্রাম ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’-তে একসাথে দেখা যাবে দুই সূর্যাস্ত

স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় বার্গোস প্রদেশের ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’ নামের মাত্র ১০ জন বাসিন্দারবিস্তারিত পড়ুন

  • শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান
  • বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: জামিনে মুক্তির খবরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • বেনজীরের জামিন বাতিলে কাজ করছে আমাদের ল’ফার্ম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ‘জামিনে মুক্ত’ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • এক সপ্তাহে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি
  • ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড
  • চীন-পাকিস্তানকে মোকাবেলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবহর গড়ার লক্ষ্য ভারতের
  • বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন ১০ বাংলাদেশি
  • একদিনেই তেলের দাম কমলো ২ শতাংশের বেশি
  • জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা
  • অপেক্ষার অবসান, ফ্রান্সের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জিদান
  • লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ