সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মডেল তিন্নি হত্যা মামলায় খালাস পেলেন সাবেক এমপি অভি

২২ বছর আগে বিজ্ঞাপনের মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভি।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা. শাহীনুর আক্তার মঙ্গলবার এ রায় দেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আমিনুর রহমান।

রায় ঘোষণার সময় তিন্নির পরিবারের কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

অভির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী শাহ ইলিয়াস রতন বলেন, রায়ে তার মক্কেল ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

তবে আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সৈয়দ মো. আবু জাফর রিজবী বলেন, খালাসের রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। রায় পর্যালোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর ওপরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১-এর নিচে তিন্নির লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশ অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করে। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক সাংসদ গোলাম ফারুক অভির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, অভির প্ররোচনায় মডেল তিন্নি তার স্বামীকে তালাক দেন। কিন্তু অভি এরপর তিন্নিকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। তিন্নি এসব তথ্য মিডিয়ায় ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন। ক্ষিপ্ত হয়ে অভি ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর সন্ধ্যার পর রাতের যেকোনো সময় তিন্নিকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য গাড়িতে করে কেরানীগঞ্জ থানার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১-এর কাছে ফেলে রাখেন। অভি কানাডায় পলাতক।

২০১০ সালের ১৪ জুলাই অভির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এ মামলার ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনকে আদালতে হাজির করা হয়।

অভির পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী শাহ ইলিয়াস রতন এর আগে বলেছিলেন, ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বর অভির পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাই তিনি পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন কানাডার অটোয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে। কিন্তু বহুবার লিখিত তাগিদ দেওয়ার পরও পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়নি। তিনি বিচারের সম্মুখীন হতে চান। কিন্তু তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে না। অভিকে পাসপোর্ট ইস্যু করার জন্য ২০১০ সালে তার পক্ষে রিট করা হয়েছিল।

মামলার নথিতে দেখা যায়, পলাতক অভি কানাডা থেকে তার আইনজীবী বরাবর একটি চিঠি লেখেন। এর কপি দেওয়া হয় ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান সরকারি কৌঁসুলিকেও।

এতে অভি দাবি করেন, ১৯৯৬ সালে বরিশাল-২ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আইনের শাসনে বিশ্বাসী। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তিন্নি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না।

একই রকম সংবাদ সমূহ

রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী

সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকট চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে তরুণদেরবিস্তারিত পড়ুন

স্কুলছাত্রী তাজমিনের সঙ্গে সেই রাতে কী ঘটেছিল, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সিএনজিচালক সুমন

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানখেতের পাশ থেকে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহবিস্তারিত পড়ুন

ফোনে সহজেই চালু করুন স্টারলিংকের মোবাইল সেবা

বাংলাদেশে বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালু হওয়া এ সেবা ব্যবহারে আলাদা অ্যাপ ইনস্টলবিস্তারিত পড়ুন

  • রমজানে খাদ্যসংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি খাদ্যমন্ত্রীর
  • শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী
  • ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ক্যাশলেস পেমেন্ট বিষয়ক আলোচনা সভা
  • সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে
  • বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • দুই মাসে সারা দেশে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপন হবে ২ সেনা ক্যাম্প, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি
  • রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
  • দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক