বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলে স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমন রোপন

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলের চাষীরা আমন আবাদ করার জন্য জমি প্রস্তুত করতে গভীর নলকুপের পানি ব্যবহার করছেন। এই শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টির পানির অভাবে চলতি আমন ধান রোপন মৌসুমে রাজগঞ্জ অঞ্চলের কৃষকরা নাজেহাল হয়ে পড়ছেন। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও প্রয়োজন মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়ে স্যালো মেশিন থেকে ঘন্টা চুক্তি পানি নিয়ে ধান রোপন করছেন তারা।

রাজগঞ্জ অঞ্চলের মাঠে মাঠে যেয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা স্যালো মেশিনে পানি তুলে জমিতে দিচ্ছে। কৃষকরা বলেন, আমন চাষের এই ভর মৌসুমে কাংখিত বৃষ্টির দেখা নেই। যে টুকু বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে জমি পাকানো যাচ্ছে না। তাই স্যালো মেশিনের উপর ভরসা করতে হচ্ছে। রাজগঞ্জ অঞ্চলের মাঠে মাঠে এই বর্ষা মৌসুমে গভীর এবং অগভীর নলকুপের সব গুলোই পুরোদমে চলছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, বৃষ্টি কম হওয়ায় এই অঞ্চলের চাষীরা স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে জমি পাকানোর কাজ করছে। তবে এখনও আমন মৌসুমের সময় আছে। আগামীতে বৃষ্টি হলে নেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

রাজগঞ্জের রোহিতা, খেদাপাড়া, হরিহরনগর, ঝাঁপা, চালুয়াহাটি ও মশ্বিমনগর এই ইউনিয়ন গুলোর মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে ধান রোপণের জন্য পর্যাপ্ত পানি নেই। পানির জন্য স্যালো মেশিন চালিয়ে পানি তুলতে হচ্ছে। স্যালো মেশিন মালিকদের নিকট থেকে ১২০-১৬০ টাকা ঘন্টা চুক্তিতে পানি ক্রয় করতে হচ্ছে চাষীদের। ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
এক দিকে কৃষি পণ্যের দাম কম, তারপরও যদি শুরুতেই পানি ক্রয় করে ধান রোপন করতে হয় তাহলে কৃষকের লোকসানের পরিমাণটা অনেক গুন বৃদ্ধি পাবে বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন কয়েকজন কৃষক।

কথা হয় ঝাঁপা ইউনিয়নের হানুয়ার গ্রামের কৃষক শাহাজান কবির সঙ্গে।
তিনি বলেন, কৃষক ধান চাষের মৌসুম পায় তিনটি। বোরো, আউস ও আমন। বোরো ধান চাষ করতে হয় শীতের সময়। তাই বোরো চাষ করতে হয় স্যালো ম্যাশিনের পানি দিয়ে। ফলে খরচ হয় অনেক বেশি। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে আউস চাষ এখন আর হয় না। তাই লাভের আশা করতে হয় আমন চাষে। কিন্তু চলতি বছরে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও কাংখিত বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে ধান রোপণে খুব বিপদে আছি।

ঝাঁপা গ্রামের কৃষক আসমত আলীসহ কয়েকজন জানান, যদি পানি কিনে ধান রোপন করতে হয়, তাহলে কৃষকের লোকসানের পরিমাণ অনেক বেশি হবে।

এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, আকাশের পানি আর স্যালো মেশিনের পানির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তবে স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমনের আবাদ করলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়েবিস্তারিত পড়ুন

গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন

নাসিব হাসান রিয়ান। প্রতিভাবান টগবগে যুবক। অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।বিস্তারিত পড়ুন

ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার

যশোরের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের একজন ইউপিবিস্তারিত পড়ুন

  • বাজার নিয়ন্ত্রনে বেনাপোল স্থলন্দর দিয়ে কাঁচাঝাল আমদানি
  • মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
  • রাজগঞ্জে হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি : ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
  • যশোরের রাজগঞ্জের মোবারকপুরে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর! মিলছে না প্রতিকার
  • মণিরামপুরের জালঝাড়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ*ত্যু
  • ‘মানসিক অসুস্থ’ কন্যার আচরণে এমপির বাড়িতে হামলা গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত
  • শিশু আরাফাতের জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আবেদন
  • শার্শায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষন চেষ্টায় অভিযুক্ত আটক
  • যশোরের রাজগঞ্জে বাওড় থেকে ভ্যানচালকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
  • যশোরে অর্ধকোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ সাতক্ষীরার সুমন আটক
  • রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে থেমে নেই যশোরের মনিরামপুরের কৃষকদের কর্মযজ্ঞতা
  • বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা