শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

যেখানে ১৫০ টাকায় মেলে নারী শ্রমিক

প্রতিদিন ভোরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসে জড়ো হন শত শত নারী-পুরুষ। কেউ বসে থাকেন কোদাল, ডালি অথবা ভাঁড় নিয়ে। আবার কেউ খালি হাতেই বসে থাকেন। ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় একদিনের জন্য নিজেদের শ্রম বিক্রি করেন তারা।

বলা হচ্ছে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার শ্রম কেনাবেচার হাট বা ‘কামলার হাট-এর কথা। এটি উপজেলার আমতলার মোড়ের দৈনন্দিন এক পরিচিত চিত্র। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালেও কাহারোল বাজার আমতলা মোড়ে গিয়ে শ্রম বেচা-কেনার এই দৃশ্য দেখা যায়।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ সনাতন ধর্মাবলম্বী ও আদিবাসী নারী শ্রমিক, যারা কাজের সন্ধানে আসেন। এখান থেকে গৃহস্থরা যাদের যে কয়জন শ্রমিক প্রয়োজন হয় নিয়ে যান কাজের জন্য। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কাজ করেন তারা। আর মজুরি হিসেবে পান ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

তবে ধান, ভুট্টা, আলু রোপণের সময় কাজের চাপ বেশি থাকায় মজুরি হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। তবে এই শ্রমমূল্য অল্প দিনের জন্য থাকে। বর্তমানে বোরো মৌসুম চলায় কৃষিকাজ কম তাই হাতে কাজ নেই। এদিকে এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় শ্রমিকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেকেই কাজ না পেয়ে, খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

শ্রম বিক্রির জন্য আসা উপজেলার সাধুর বাজার গ্রামের কল্পনা রানী (৬০) বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকায় আমাকে কাজে আসতে হয়েছে। আমার মেয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স পাস করেছে। তবে মাস্টার্সে পড়ার খরচ জোগাড় না হওয়ায় সে এখন বাড়িতে।

উপজেলার সুন্দইল গ্রামের দলুয়া রায় (৬২) বলেন, দুই যুগ ধরে দিন মজুরির কাজ করতে এখানে আসি। কোনোদিন কাজ মেলে, কোনোদিন কাজ না পেয়ে ফিরে যাই। বর্তমানে মজুরি হিসেবে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পাই। তিনি দুঃখ করে বলেন, ১ কেজি মোটা চাল কিনতে ৬০ টাকা, ১ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে প্রায় ২০০ টাকা লাগে। বর্তমানে যে মজুরি, তা দিয়ে আমাদের সংসার কীভাবে চলবে?

এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শত শত নারী পুরুষ পেটের তাগিদে এসে ভিড় করে এখানে। কাজ পেলে তাদের মুখে হাসি ফোটে। আর না পেলে মলিন মুখে অপেক্ষা করতে হয় পরবর্তী দিনের জন্য।

জানা যায়, দুই যুগের বেশি সময় ধরে এই এলাকায় প্রতিদিন ভোরে শ্রম বেচা-কেনার হাট বসে। ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূর থেকে এই হাটে আসেন মানুষ কৃষি বা অন্য কোনো কাজ পাওয়ার আশায়।

নারী শ্রমিকরা এখন প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। আবার হতাশায় রয়েছেন অনেকে ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক বণ্টন নিয়ে। তবে আশায় বুক বাঁধছেন কবে পাবেন সেই প্রত্যাশিত ফ্যামিলি কার্ড।

তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছেন। এই কার্ড পেলে ছেলেমেয়েদের নিয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

  • ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান
  • সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ তালা উপজেলা বিএনপি’র
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়