বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শেখ হাসিনার সঙ্গে পালানোর ফ্লাইট কীভাবে মিস করেছিলেন সালমান এফ রহমান

ছাত্রজনতার চাপের মুখে নতি স্বীকার করে ক্ষমতা ছেড়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা। ওই ঘটনার দুবছর পর সামনে এসেছে তাদের সেদিনের পালিয়ে যাওয়ার সময়কার আরও কিছু তথ্য।

জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন ভারতে যাওয়ার ফ্লাইটে সালমান এফ রহমানকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও শীর্ষ এই সহযোগী শেষ মুহূর্তে রওনা হওয়ার সুযোগটি হাতছাড়া করেন। গণভবনে ৫ আগস্ট সকালের ঘটনা সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

৫ আগস্ট সকালে গণভবনে উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, হাসিনা ও তার বোনকে বহনকারী গাড়িবহর যখন বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে গণভবন ছাড়ে, তখন তারা ভারতের ফ্লাইটে কেবল কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তারা তাদের প্রধান সহযোগীদের ফোন করে বিমানবন্দরে তাদের সঙ্গে যোগ দিতে বলেন। তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং সালমান এফ রহমানও ছিলেন। সালমানকেও বেশ কয়েকবার ফোন করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।

পরবর্তীতে ফাঁস হওয়া এক অডিও রেকর্ডিংয়ে শোনা যায়, শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে সালমানকে ফোন করছিলেন এবং তাকে অবিলম্বে বাসা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছিলেন।

তবে একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ওই সময় সালমান সরকারের জন্য কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ের শেষ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে একটি প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশের ভারপ্রাপ্ত দূতের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এর ফলে তিনি মূল্যবান সময় হারিয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারেননি।

যদিও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার জন্য একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ প্রস্তুত ছিল, কিন্তু বিমানবন্দরের সীমানার কাছে সেনাবাহিনীর ব্যারিকেড ভেঙে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ঢুকে পড়ায় সেখানে পৌঁছানো তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা পুরোনো বিমানবন্দরে তার জন্য অপেক্ষা করেননি।

উল্লেখ্য, বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান মন্ত্রীর মর্যাদায় শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রভাবশালী উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি হাসিনার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধানের ভূমিকাও পালন করতেন এবং পশ্চিমা ও এশীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সব বৈঠকে প্রায়ই সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতেন।

হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী এই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদকে ধরতে দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। শেষ পর্যন্ত নৌপথে পালিয়ে যাওয়ার সময় সদরঘাট এলাকা থেকে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি ওয়াদা

একই রকম সংবাদ সমূহ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা

আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ICT কোচিং সেন্টার বৃহস্পতিবার (৬বিস্তারিত পড়ুন

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

নদীদূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নদীদূষণ এখন দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপবিস্তারিত পড়ুন

  • মৃত্যুদণ্ড বাদ না দেওয়ায় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি জাতিসংঘ: ট্রাইব্যুনালকে প্রসিকিউটর
  • জনগণের অধিকার আদায়ে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ: জামায়াত আমির
  • হাসিনার পরিবারের সবাই ও নিকটাত্মীয়দের বেশির ভাগই নিরাপদে দেশের বাইরে, কে কোথায়
  • গণপূর্ত-ত্রাণ-গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জ্বালানি বিভাগে নতুন সচিব
  • মাউশিতে আসছে নতুন ডিজি, ১০ আগস্টের পর ‘রদবদল’
  • লাল টেলিফোনে সংরক্ষিত শেখ হাসিনার ফোনালাপ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী
  • খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক যুগ্ম সচিব গ্রেফতার
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সামনেই হট্টগোল
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • হাসিনাকে অডিও বার্তার সুযোগ দেওয়া ভারতের ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’: রিজভী
  • পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস