বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সব পাঠ্যবই বিতরণে জানুয়ারি মাস লেগে যাবে: শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেছেন, নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সব বই বিতরণ সম্পন্ন করতে জানুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এর বাইরে আর দেরি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষা উপদেষ্টা। রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পাঠ্যবই প্রস্তুতের কাজ ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ভুল ও মানসম্মত বই পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলেও অনেক প্রতিবেদন ছিল গঠনমূলক, যা সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে সহায়ক হয়েছে।

এসব প্রতিবেদনের কারণে বই ছাপার কাজের ক্ষেত্রে একাধিক সমন্বয় করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব সমন্বয় প্রয়োজন না হলে ডিসেম্বরের ৭ বা ৮ তারিখের মধ্যেই বইয়ের কাজ শেষ করা সম্ভব হতো।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার নিরলস পরিশ্রমে পাঠ্যবই প্রস্তুতের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যাবে। বাকি বইগুলো জানুয়ারির মধ্যেই সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এবার প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ২৯ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৫৬৬ কপি পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ করছে এনসিটিবি। এর মধ্যে মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষার ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির জন্য ছাপা হচ্ছে ১৮ কোটি ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪০ কপি বই। আর প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট বইয়ের সংখ্যা ৮ কোটি ৫৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৭৯ কপি।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি স্তরের প্রায় ১০ কোটি বই এখনো প্রস্তুত করা বাকি রয়েছে। তবে প্রাথমিক স্তরের সাড়ে ৮ কোটির বেশি বই ছাপা, বাঁধাই ও কাটিং শেষে ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

চীনে শিগগিরই বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগেরবিস্তারিত পড়ুন

বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে প্রথমবারের মতোবিস্তারিত পড়ুন

  • বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা সংবর্ধনা
  • জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
  • উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’ : ঢাকা
  • আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
  • প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
  • ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী
  • বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
  • মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
  • হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী