বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সব পাঠ্যবই বিতরণে জানুয়ারি মাস লেগে যাবে: শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেছেন, নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সব বই বিতরণ সম্পন্ন করতে জানুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এর বাইরে আর দেরি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষা উপদেষ্টা। রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পাঠ্যবই প্রস্তুতের কাজ ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ভুল ও মানসম্মত বই পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলেও অনেক প্রতিবেদন ছিল গঠনমূলক, যা সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে সহায়ক হয়েছে।

এসব প্রতিবেদনের কারণে বই ছাপার কাজের ক্ষেত্রে একাধিক সমন্বয় করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব সমন্বয় প্রয়োজন না হলে ডিসেম্বরের ৭ বা ৮ তারিখের মধ্যেই বইয়ের কাজ শেষ করা সম্ভব হতো।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার নিরলস পরিশ্রমে পাঠ্যবই প্রস্তুতের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যাবে। বাকি বইগুলো জানুয়ারির মধ্যেই সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এবার প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ২৯ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৫৬৬ কপি পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ করছে এনসিটিবি। এর মধ্যে মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষার ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির জন্য ছাপা হচ্ছে ১৮ কোটি ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪০ কপি বই। আর প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট বইয়ের সংখ্যা ৮ কোটি ৫৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৭৯ কপি।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি স্তরের প্রায় ১০ কোটি বই এখনো প্রস্তুত করা বাকি রয়েছে। তবে প্রাথমিক স্তরের সাড়ে ৮ কোটির বেশি বই ছাপা, বাঁধাই ও কাটিং শেষে ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য আট সদস্যের একটি কমিটিবিস্তারিত পড়ুন

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয়বিস্তারিত পড়ুন

বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সাংবাদিকদের আপসহীন থাকতে হবে: কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর ডেপুটি স্পিকারের গুরুত্বারোপ
  • আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী
  • আব্দুল হাইয়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • এআই বিপ্লবে পিছিয়ে পড়ছে প্রান্তিক শিশুরা
  • নিয়ন্ত্রণহীন এলপিজি বাজার, দাম বাড়িয়েও মিলছে না সিলিন্ডার
  • ধর্মঘট করলে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : জ্বালানিমন্ত্রী
  • চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের
  • এশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোর, বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা?
  • এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, নতুন দাম নির্ধারণে গণশুনানির সিদ্ধান্ত