বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

স্ত্রী মিতু হত্যা মামলায় স্বামী সেই সাবেক এসপি গ্রেফতার

চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার বাদী তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (১১ মে) পিবিআই চট্টগ্রামের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এর আগে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বাবুল আক্তারকে।

জিজ্ঞাসাবাদের পর পিবিআই মহাপরিচালক বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, বাদী বাবুল আক্তারের সাথে পিবিআইয়ের লাগাতার আলোচনা হচ্ছে। আজও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি মিতু হত্যা মামলায় তদন্তের সর্বশেষ লিখিত অগ্রগতির তথ্যসংবলিত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

মামলার অন্যতম আসামি কারাবন্দি মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিমের জামিন শুনানিতে ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ মামলা সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আবু নসুর গুন্নু, শাহ জামান ওরফে রবিন, সাইদুল আলম শিকদার ওরফে সাক্কু ও শাহজাহান, মো. আনোয়ার ও মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিমকে আটক করে পুলিশ।

এ হত্যার ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে আটক হন এহেতাশামুল হক ভোলা ও তার সহযোগী মো. মনির। তাদের কাছ থেকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়, যা মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছিল তখন।

গ্রেফতার আনোয়ার ও মোতালেব মিতু হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তাদের স্বীকারোক্তিতে মিতু হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাম আসে বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত মো. মুছার।

মিতুর বাবা পুলিশের সাবেক পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন মিতু হত্যায় বাবুল আক্তারকে দায়ী করেন। তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগ সাপেক্ষে বেশকিছু তথ্য দেন বলে জানান মোশাররফ হোসেন। ২০১৭ সালের ২৪ জুন রাতে ঢাকার বনশ্রীর শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবুল আক্তারকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

চাঞ্চল্যকর এই মামলার কোনো কূলকিনারাও করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত মামলাটির তদন্তভার ‘আদালতের নির্দেশে’ গত বছরের জানুয়ারিতে চলে যায় পিবিআইতে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি মনে করেন, মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য প্রত্যাশিতভাবে দায়িত্ব পালনবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা অংশ নিতে পারবেন না

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন

পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ডিআইজি, অতিরিক্তবিস্তারিত পড়ুন

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ফিরলো পুরোনো নিয়ম
  • গাজী নজরুলের বিষয়ে আরও খোঁজ-খবর নিয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ
  • শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, বিভেদ নেই: তারেক রহমান
  • দিল্লির প্রেস মিনিস্টার হলেন কলারোয়ার সন্তান সাংবাদিক সাইদুর রহমান
  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
  • মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
  • গ্রেপ্তার মেজর মোজাফফরের বিচার হবে সামরিক আদালতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০০ ব্রডগেজ রেলকোচ, সরবরাহ শুরু আগস্টে
  • বিদেশি সাংবাদিকের বইয়ে পাওয়া গেল মোজাফফরের অন্ধকার জীবনের গল্প
  • পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি
  • চূড়ান্ত পর্যায়ে নতুন বেতন কাঠামো গেজেট বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া
  • পরাজয়ে শুরু সিরিজ জয়ে শেষ জিম্বাবুয়ে সফর