বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

১ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু

করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস আগামী ১ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুব রহমান তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সশরীরে পাঠদান শুরু হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। তিনি এও জানিয়েছিলেন যে, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস এখনই শুরু হচ্ছে না। এ বিষয়ে দুই সপ্তাহ পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১ মার্চ থেকে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়।

স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার দৈনিক ৩২ লাখ শিক্ষার্থীকে টিকা দেবে। ১২-১৭ বছর বয়সি এক কোটি ২৮ লাখ শিক্ষার্থী আছে। তাদের মধ্যে ৩৪ লাখ শুধু দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে। আর প্রথম ডোজ পেয়েছে এক কোটি ২৬ লাখ ৫৭ হাজার।

সেই হিসাবে শ্রেণিকক্ষে বসতে হলে প্রায় ৯৬ লাখ ছাত্রছাত্রীকে উভয় ডোজ টিকা পেতে হবে। তাদের ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টিকার আওতায় আনা হবে। এর পর ২২ ফেব্রুয়ারি উন্মুক্ত করা হবে শ্রেণিকক্ষের দ্বার।

ইতোমধ্যে ইউনিসেফ-ইউনেস্কোর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা স্কুল খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এভাবে চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ দুইয়ের ঘরে থাকা সত্ত্বেও সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।

ডব্লিউএইচওর নীতি অনুযায়ী, ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তবে টিকা দেওয়া থাকলে ব্যতিক্রম চিন্তাও করা যায়। যে কারণে শুধু টিকাপ্রাপ্তরা স্কুলে বসার বিবেচনা পেল।

তবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বুধবার রাতে করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। জাতীয় কমিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরামর্শ দেয়।

এর আগে করোনার সংক্রমণের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রথম বন্ধের সিদ্ধান্ত আসে। ৫৪১ দিন ছুটির পর গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান শুরু হয়।

১৩ জানুয়ারি ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এর পর ২১ জানুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধসহ নতুন করে পাঁচ দফা নির্দেশনা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রথম দফায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল, পরে যা বাড়িয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি করা হয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
  • মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
  • হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
  • আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী
  • চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান