বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আবারো ঢাকার আশপাশে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে ১০ সরকারি হাইস্কুল ও কলেজ

রাজধানী ঢাকার ঠিক আশপাশেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ১০টি সরকারি হাইস্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। যেসব এলাকায় সরকারি স্কুল-কলেজ নেই এমন এলাকাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে ইতোমধ্যে স্থান নির্ধারণ ও জমি অধিগ্রহণের কাজও প্রায় শেষ হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মূল শিক্ষা কারিকুলামের সাথে যুক্ত করা হবে কর্মমুখী একাধিক ট্রেড কোর্স।

জানা গেছে, ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর জন্য গুণগতমান নিশ্চিত ও শিক্ষার সম্প্রসারণ করার লক্ষ্য এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব স্কুল-কলেজে ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনার সুযোগ পাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। শতভাগ সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সংশোধিত মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কয়েক দফায় সময় বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৭ সালের ৩০ জুন।

যে সব এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে- কেরানীগঞ্জের পশ্চিমদি, ধামরাইয়ের লাকুরিয়াপাড়া, আশুলিয়ার পাথালিয়ায় বাঁশবাড়ি, সাভারের হেমায়েতপুরের বিলামালিয়া, বাড্ডার সাঁতারকুল, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ডে জালকুড়ি, নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোডের খোর্দ্দঘোষপাড়া, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল, আশুলিয়ার পূর্র্ব-নরসিংহপুর এবং খিলক্ষেতের জোয়ারসাহারা। এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় দুই একর করে জমি অধিগ্রহণের করা হয়েছে। তবে শুধু পূর্বাচল, খিলক্ষেতের জোয়ারসাহারা এবং আশুলিয়ার পূর্ব নরসিংহপুরে জমি অধিগ্রহণের কিছু কাজ এখনো চলমান রয়েছে।

প্রতিষ্টানগুলোতে সুবিধা থাকবে- প্রতিটি ভবন হবে ১০ তলাবিশিষ্ট হবে। প্রতিটি ভবনেই থাকবে দু’টি করে লিফট। অ্যাকাডেমিক ভবনের বাইরে থাকবে শহীদ মিনার, একটি করে জিমনেশিয়াম, গার্ডিয়ান শেড, আধুনিক আসবাবপত্র, কম্পিউটার ও কম্পিউটার-সামগ্রী (ইন্টারনেটসহ), অফিস সরঞ্জামাদি, ল্যাব, জিম ও কালচারাল ইকুপমেন্ট, খেলাধুলার সামগ্রী এবং সকল ধরণের বই-পুস্তক।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর প্রথমে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন লাভ করে। এরপর একই বছরের ৬ নভেম্বর এটি পরিকল্পনা কমিশনে অনুমতি পায়।ওই মাসেই ২০ তারিখে মাউশি বিভাগ থেকে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন লাভ করে; কিন্তু পরবর্তী সময়ে ভবনের নকশাসংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতার কারণে পুরো প্রকল্প পুনরায় ২০২৩ সালে একনেক, পরিকল্পনা কমিশন এবং মাউশি থেকেও দ্বিতীয় দফায় অনুমোদন নিতে হয়েছে। যদিও প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। পরে বিভিন্ন জটিলতায় প্রকেল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭৫০ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক

একই রকম সংবাদ সমূহ

লাল টেলিফোনে সংরক্ষিত শেখ হাসিনার ফোনালাপ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

উদ্বোধনের পর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনেরবিস্তারিত পড়ুন

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক যুগ্ম সচিব গ্রেফতার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা একটি মামলার (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট)বিস্তারিত পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সামনেই হট্টগোল

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে একটি ডকুমেন্টারি (প্রামাণ্যচিত্র) প্রদর্শনকে কেন্দ্রবিস্তারিত পড়ুন

  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • হাসিনাকে অডিও বার্তার সুযোগ দেওয়া ভারতের ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’: রিজভী
  • পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস
  • দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, এটা হবে না: জামায়াত আমির
  • জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল : সংস্কৃতিমন্ত্রী
  • মঞ্চে ড. ইউনূসের জন্য রাখা হয়নি আসন, পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যবস্থা
  • ‘মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো, তার উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে’
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • জুলাই আন্দোলন ছিল জনগণের আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রী
  • জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়: প্রধানমন্ত্রী
  • ভারত-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ‘চমৎকার সম্পর্ক’ আরও এগিয়ে নিতে হবে : দীনেশ ত্রিবেদী