শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কচুর লতি বিক্রি করছেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক

নিজের জমিতে চাষ করা ১৬ কেজি কচুর লতি নিয়ে হাটে বসে বিক্রি করছিলেন বরিশাল ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান ডঃ আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স।

স্থানীয় এক ব্যক্তি শনিবার (১৪ মে) ঘটনাটি ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।

ঘটনাটি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বাবুলের বাজারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডঃ আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স বরিশালের ঝালকাঠির রাজাপুরের বাসিন্দা। তার বাবা ছিলেন একজন সেনা কর্মকর্তা।

বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারসহ ঢাকায় আর্মি কলোনিতে থাকতেন তিনি। ২০০২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ২০০৮ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এআইইউবি) থেকে কৃষি ব্যবসায় এমবিএ (মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) ডিগ্রি নেন। এরপর ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে এমফিল এবং ২০১৮ সালে ঢাবি থেকে পিএইচডিও করেন তিনি।
তবে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইট গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি। এ সুবাধে গত আট বছর ধরে তিনি কৃষিকে ভালোবেসে এ গ্রামেই বাণিজ্যিকভাবে আট একর জমিতে ‘কৃষাণ সমন্বিত কৃষি উদ্যোগে গড়ে তুলছেন বিশাল কৃষি খামার।

ওই খামারে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন, লিচু, লটকন, আম ও মাল্টা চাষ করছেন। সেই সঙ্গে প্রায় ৩৫ রকমের কৃষি পণ্য ওই খামারে তিনি উৎপাদন করে নিজে খাওয়ার পাশাপাশি বিক্রি করছেন স্থানীয় হাটে।

রোববার (১৫ মে)সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা হয় অধ্যাপক ডঃ আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্সের। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানে আমার কৃষি খামারে ১১ জন স্থায়ী শ্রমিক কাজ করছেন। এছাড়া প্রায় প্রতিদিনই প্রয়োজন মতো শ্রমিক কাজ করেন আমার খামারে।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে ছয় মাস ছুটি নিয়ে তিনি খামারে কাজ করছেন জানিয়ে আরও বলেন, আমি কৃষিকে ভালোবাসি। কৃষি নিয়ে স্বপ্ন দেখি। চাই সবাই কম বেশি কৃষিকাজে সম্পৃক্ত হোক। কারণ বেঁচে থাকতে হলে সবাইকে কৃষি কাজ করতে হবে।

কৃষি প্রেমী ডঃ আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স বলেন, গত শনিবার আমার নিজের উৎপাদিত ১৬ কেজি কচুর লতি নিয়ে হাটে গিয়েছিলাম। তখন কোনো একজন এ ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে ব্যতিক্রম তুলে ধরে। ফলে বিষয়টি নিয়ে এখন সবাই আলোচনা করছে। মূলত এটা স্বাভাবিক বিষয়। তবে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক হওয়ায় হয়তো সবাই ভাবছেন এটা ব্যতিক্রম। কিন্তু আমি বিষয়টিকে স্বাভাবিক মনে করি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ইউপি নির্বাচন : জামানত বেড়ে ৫ গুণ, পেতে হবে ১৫ শতাংশ ভোট

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত পাঁচ গুণ এবং নির্বাচনি ব্যয়সীমা দ্বিগুণ করারবিস্তারিত পড়ুন

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সার্জন-অধ্যাপক থাকলেও ভিশনারি প্ল্যানিং নেই: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অনেক সার্জন এবং অধ্যাপক থাকলেও কোনো ভিশনারি প্ল্যানিং নেইবিস্তারিত পড়ুন

‘ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আদালতকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করাই আইন কর্মকর্তাদের প্রধান দায়িত্ব’

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতা জোরদারে দুই দিনব্যাপীবিস্তারিত পড়ুন

  • সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তন, নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়স বাড়ল ৫ বছর
  • ‘আমি এখনো জামায়াতের’ : এমপি গাজী নজরুল
  • তালায় বাড়িতেই মজুত নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক! ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড
  • তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ: আবেদন যেভাবে, ফরম পাবেন যেখানে
  • বছরে ৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে: মাহদী আমিন
  • জেলা পর্যায়েও সাইবার ইউনিট গঠন করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • একনেকে ৩ মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, পদদলিত হয়ে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু
  • পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে বাংলাদেশে: আইনমন্ত্রী
  • পুকুরে ডুবে সাতক্ষীরায় একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…