বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় মকবুলের কলামোচার চপ সাড়া ফেলেছে সবখানে!

কলারোয়ার মকবুল ভাইয়ের কলার মোচার চপ স্বাদে ও মানে অতুলনীয়। কলার মোচা দিয়ে তৈরি করা এ চপ সাড়া ফেলে দিয়েছে সবখানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত অবধি এই প্রসিদ্ধ চপ বেচাবিক্রি হয়ে থাকে। এখন এক নামে সকলেই চেনেন মকবুল ভাইয়ের চপের দোকান। কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নের সিংহলাল বাজার। এই বাজারে বটতলা হয়ে বাটরা অভিমুখী সড়কে মকবুল ভাইয়ের চপের দোকানটির অবস্থান। প্রতিদিন ২০টির বেশি কলার মোচা দিয়ে চপ তৈরি করে থাকেন মকবুল হোসেন।

সরেজমিনে মকবুল ভাইয়ের প্রসিদ্ধ চপের দোকানে যেয়ে দেখা যায়, কড়াই থেকে তিনি চপ ভেজে তুলছেন এবং সাথে সাথে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এক কড়াইয়ে যতগুলো চপ ভেজে তৈরি করা হয়, তার চেয়ে বেশি সংখ্যক খরিদ্দার চপ পাবার অপেক্ষায় থাকেন। একটি মুখরোচক খাদ্যকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন মকবুল হোসেন। বিকেল থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত অবিরত চপ বানিয়ে চলেছেন তিনি। এক এক কড়াই চপ ডালায় ভরছেন আর নিমিষেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ এক অভাবনীয় দৃশ্য! কোনো খাদ্য সামগ্রী বানানোর সাথে সাথে শেষ হয়ে যাওয়ার এমন দৃশ্য বিরল। এক এক জন মানুষ অনেকগুলো চপ দোকানে বসে খান। আবার বাড়ির অন্যদের জন্যও নিয়ে যান। একটি শখের খাবার সময়ের ব্যবধানে নিত্য খাবারে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে আলাপকালে মকবুল হোসেন বলেন, তার গ্রামের বাড়ি শংকরপুর। এ অঞ্চলে মাছের অনেক ঘের রয়েছে। ঘেরের পাড়ে কলা চাষও করা হয় যথেষ্ট। কলার কাঁদি পুষ্ট হওয়ার পর সাধারণত মোচা কেটে ফেলা হয়। তিনি জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ১৫/২০টার মতো মোচা সংগ্রহ করেন। এগুলোর জন্য তার কোনো টাকা দেওয়া লাগে না। চপ প্রস্তুত পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, মোচার সাথে পেঁয়াজ-ঝাল ও ও মসলার সংযুক্তি ঘটিয়ে বেসন দিয়ে এই চপ তৈরি করা হয়। প্রতিদিন যেরকম মোচা সংগৃহীত হয়, তেমন পরিমাণ চপ তৈরি করা হয়। তারপরও প্রতিদিন তিন-চার কেজি বেসন প্রয়োজন হয় বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, তার তৈরি করার চপ খেতে শুধু সুস্বাদুই নয়-এটি সহজে হজমও হয়।

তবে তিনি বলেন, এই চপ তৈরি করতে অন্যান্য চপের তুলনায় তেল বেশি প্রয়োজন হয়। এই সিংহলাল বাজারে বসে কথা হয় ইউপি সদস্য মোজাব্বর হোসেনের সাথে। তিনি জানান, অনেক দূর থেকে মানুষ এখানে আসেন চপ খেতে ও তা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মকবুলের এই চপ, একবার যে খেয়েছে-বারবার তার খাওয়ার ইচ্ছে হবে। সব মিলিয়ে এই চপ প্রত্যন্ত গ্রাম সিংহলালকে অন্য ধরনের এক পরিচিতি এনে দিয়েছে। একজন ব্যক্তির বানানো একটি খাদ্যদ্রব্যের কারণে একটি জনপদ পরিচিতি লাভ করছে সবখানে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে নাগরিক সংবর্ধনা

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক জননেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে জেলা নাগরিক অধিকার ওবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

সাতক্ষীরায় আগামি ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষ্যে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার সরসকাটি গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অমলেন্দু বাবুর বিদায় সংবর্ধনা

কলারোয়া উপজেলার সরসকাটি আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক অমলেন্দু বাবুর বিদায়বিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শন
  • কলারোয়ায় এসএসসি ফলাফলে শীর্ষে সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল
  • কলারোয়ায় সিংগা হাইস্কুলে ৮ পরীক্ষার্থীর জিপিএ-৫ লাভ, পাশের হার শতকরা ৮৩ ভাগ
  • কলারোয়ায় সততা স্টোর উদ্বোধন
  • কলারোয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুলের ফুটবল মাঠ ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভা
  • কলারোয়ায় রাস্তা উদ্বোধন ঘিরে জামায়াতের বিক্ষোভ, পরে বিএনপির উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপ
  • আদর্শবান ও দক্ষ জনশক্তি গড়তে কলারোয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির
  • মারিজুয়ানা ফুল থেকে তৈরী বিশেষ মাদক কুশসহ কলারোয়ার যুবক আটক
  • কলারোয়ায় ২০ বোতল মাদক এসকাফ উদ্ধার, আটক ১
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলে আলোচনা, দোয়ানুষ্ঠান
  • কলারোয়া আলিয়া মাদরাসায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে দোয়া ও আলোচনা সভা
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন