বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় মকবুলের কলামোচার চপ সাড়া ফেলেছে সবখানে!

কলারোয়ার মকবুল ভাইয়ের কলার মোচার চপ স্বাদে ও মানে অতুলনীয়। কলার মোচা দিয়ে তৈরি করা এ চপ সাড়া ফেলে দিয়েছে সবখানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত অবধি এই প্রসিদ্ধ চপ বেচাবিক্রি হয়ে থাকে। এখন এক নামে সকলেই চেনেন মকবুল ভাইয়ের চপের দোকান। কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নের সিংহলাল বাজার। এই বাজারে বটতলা হয়ে বাটরা অভিমুখী সড়কে মকবুল ভাইয়ের চপের দোকানটির অবস্থান। প্রতিদিন ২০টির বেশি কলার মোচা দিয়ে চপ তৈরি করে থাকেন মকবুল হোসেন।

সরেজমিনে মকবুল ভাইয়ের প্রসিদ্ধ চপের দোকানে যেয়ে দেখা যায়, কড়াই থেকে তিনি চপ ভেজে তুলছেন এবং সাথে সাথে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এক কড়াইয়ে যতগুলো চপ ভেজে তৈরি করা হয়, তার চেয়ে বেশি সংখ্যক খরিদ্দার চপ পাবার অপেক্ষায় থাকেন। একটি মুখরোচক খাদ্যকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন মকবুল হোসেন। বিকেল থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত অবিরত চপ বানিয়ে চলেছেন তিনি। এক এক কড়াই চপ ডালায় ভরছেন আর নিমিষেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ এক অভাবনীয় দৃশ্য! কোনো খাদ্য সামগ্রী বানানোর সাথে সাথে শেষ হয়ে যাওয়ার এমন দৃশ্য বিরল। এক এক জন মানুষ অনেকগুলো চপ দোকানে বসে খান। আবার বাড়ির অন্যদের জন্যও নিয়ে যান। একটি শখের খাবার সময়ের ব্যবধানে নিত্য খাবারে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে আলাপকালে মকবুল হোসেন বলেন, তার গ্রামের বাড়ি শংকরপুর। এ অঞ্চলে মাছের অনেক ঘের রয়েছে। ঘেরের পাড়ে কলা চাষও করা হয় যথেষ্ট। কলার কাঁদি পুষ্ট হওয়ার পর সাধারণত মোচা কেটে ফেলা হয়। তিনি জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ১৫/২০টার মতো মোচা সংগ্রহ করেন। এগুলোর জন্য তার কোনো টাকা দেওয়া লাগে না। চপ প্রস্তুত পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, মোচার সাথে পেঁয়াজ-ঝাল ও ও মসলার সংযুক্তি ঘটিয়ে বেসন দিয়ে এই চপ তৈরি করা হয়। প্রতিদিন যেরকম মোচা সংগৃহীত হয়, তেমন পরিমাণ চপ তৈরি করা হয়। তারপরও প্রতিদিন তিন-চার কেজি বেসন প্রয়োজন হয় বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, তার তৈরি করার চপ খেতে শুধু সুস্বাদুই নয়-এটি সহজে হজমও হয়।

তবে তিনি বলেন, এই চপ তৈরি করতে অন্যান্য চপের তুলনায় তেল বেশি প্রয়োজন হয়। এই সিংহলাল বাজারে বসে কথা হয় ইউপি সদস্য মোজাব্বর হোসেনের সাথে। তিনি জানান, অনেক দূর থেকে মানুষ এখানে আসেন চপ খেতে ও তা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মকবুলের এই চপ, একবার যে খেয়েছে-বারবার তার খাওয়ার ইচ্ছে হবে। সব মিলিয়ে এই চপ প্রত্যন্ত গ্রাম সিংহলালকে অন্য ধরনের এক পরিচিতি এনে দিয়েছে। একজন ব্যক্তির বানানো একটি খাদ্যদ্রব্যের কারণে একটি জনপদ পরিচিতি লাভ করছে সবখানে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় নবনির্মিত সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন এবং পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নবনির্মিত সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবংবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (ToT) কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (ToT) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবারবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় মৎস্য চাষিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ
  • সাতক্ষীরার গ্রাহকরা ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা
  • কোরআনের পাখিদের নিয়ে দৈনিক নতুন সূর্য’র ৭ম বর্ষ পদার্পণ অনুষ্ঠান পালিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে গরুর খামার আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত
  • কলারোয়ায় ফুটবলারদের নতুন দুটি ফুটবল দিলো সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশন
  • কলারোয়ায় জাতীয় ফল কাঁঠালের আশানুরুপ ফলন
  • কলারোয়ায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
  • শিক্ষার্থীদের ক্রীড়ামুখী করতে হবে: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব
  • কলারোয়ায় নতুন পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উদ্বোধন
  • খুলনার বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে কলারোয়ায় জামায়াতের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
  • রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে সাতক্ষীরাসহ ১০ জেলা
  • কলারোয়ায় স্কাউটস’র নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত