বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় মকবুলের কলামোচার চপ সাড়া ফেলেছে সবখানে!

কলারোয়ার মকবুল ভাইয়ের কলার মোচার চপ স্বাদে ও মানে অতুলনীয়। কলার মোচা দিয়ে তৈরি করা এ চপ সাড়া ফেলে দিয়েছে সবখানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত অবধি এই প্রসিদ্ধ চপ বেচাবিক্রি হয়ে থাকে। এখন এক নামে সকলেই চেনেন মকবুল ভাইয়ের চপের দোকান। কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নের সিংহলাল বাজার। এই বাজারে বটতলা হয়ে বাটরা অভিমুখী সড়কে মকবুল ভাইয়ের চপের দোকানটির অবস্থান। প্রতিদিন ২০টির বেশি কলার মোচা দিয়ে চপ তৈরি করে থাকেন মকবুল হোসেন।

সরেজমিনে মকবুল ভাইয়ের প্রসিদ্ধ চপের দোকানে যেয়ে দেখা যায়, কড়াই থেকে তিনি চপ ভেজে তুলছেন এবং সাথে সাথে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এক কড়াইয়ে যতগুলো চপ ভেজে তৈরি করা হয়, তার চেয়ে বেশি সংখ্যক খরিদ্দার চপ পাবার অপেক্ষায় থাকেন। একটি মুখরোচক খাদ্যকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন মকবুল হোসেন। বিকেল থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত অবিরত চপ বানিয়ে চলেছেন তিনি। এক এক কড়াই চপ ডালায় ভরছেন আর নিমিষেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ এক অভাবনীয় দৃশ্য! কোনো খাদ্য সামগ্রী বানানোর সাথে সাথে শেষ হয়ে যাওয়ার এমন দৃশ্য বিরল। এক এক জন মানুষ অনেকগুলো চপ দোকানে বসে খান। আবার বাড়ির অন্যদের জন্যও নিয়ে যান। একটি শখের খাবার সময়ের ব্যবধানে নিত্য খাবারে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে আলাপকালে মকবুল হোসেন বলেন, তার গ্রামের বাড়ি শংকরপুর। এ অঞ্চলে মাছের অনেক ঘের রয়েছে। ঘেরের পাড়ে কলা চাষও করা হয় যথেষ্ট। কলার কাঁদি পুষ্ট হওয়ার পর সাধারণত মোচা কেটে ফেলা হয়। তিনি জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ১৫/২০টার মতো মোচা সংগ্রহ করেন। এগুলোর জন্য তার কোনো টাকা দেওয়া লাগে না। চপ প্রস্তুত পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, মোচার সাথে পেঁয়াজ-ঝাল ও ও মসলার সংযুক্তি ঘটিয়ে বেসন দিয়ে এই চপ তৈরি করা হয়। প্রতিদিন যেরকম মোচা সংগৃহীত হয়, তেমন পরিমাণ চপ তৈরি করা হয়। তারপরও প্রতিদিন তিন-চার কেজি বেসন প্রয়োজন হয় বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, তার তৈরি করার চপ খেতে শুধু সুস্বাদুই নয়-এটি সহজে হজমও হয়।

তবে তিনি বলেন, এই চপ তৈরি করতে অন্যান্য চপের তুলনায় তেল বেশি প্রয়োজন হয়। এই সিংহলাল বাজারে বসে কথা হয় ইউপি সদস্য মোজাব্বর হোসেনের সাথে। তিনি জানান, অনেক দূর থেকে মানুষ এখানে আসেন চপ খেতে ও তা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মকবুলের এই চপ, একবার যে খেয়েছে-বারবার তার খাওয়ার ইচ্ছে হবে। সব মিলিয়ে এই চপ প্রত্যন্ত গ্রাম সিংহলালকে অন্য ধরনের এক পরিচিতি এনে দিয়েছে। একজন ব্যক্তির বানানো একটি খাদ্যদ্রব্যের কারণে একটি জনপদ পরিচিতি লাভ করছে সবখানে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় প্রবাসীর ঘর নির্মাণে অনিয়ম, জাল চুক্তিপত্রে অতিরিক্ত টাকা দাবি

কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া প্রবাসীর আরসিসি ঘর নির্মাণের জাল চুক্তিপত্র তৈরি করেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় বিএনপি নেতা বাচ্চুর পিতা শেখ আব্দুল আজিজ আর নেই

কামরুল হাসান: কলারোয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্মবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নে গাছের চারা বিতরণ ও রোপনবিস্তারিত পড়ুন

  • ভাষা সৈনিক ও শিক্ষক নেতা শেখ আমানুল্লাহ’র মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া
  • কলারোয়ায় বাঁশের ভাসমান সাঁকোয় নদী পারাপার, টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি
  • কলারোয়ায় মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ মাসের কারাদন্ড
  • কলারোয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক সন্তানের জননীর অবস্থান
  • কলারোয়ায় ‘মা’-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শীর্ষক সেমিনার
  • কলারোয়ায় ২৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১
  • কলারোয়ায় যুব জামায়াতের ১৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
  • দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক
  • কলারোয়ায় মোয়াজ্জেম চেয়ারম্যানের বড় ভাই শাহাদাৎ হোসেনের ইন্তেকাল
  • কলারোয়ায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের শোক
  • কলারোয়া পৌরসভায় শিক্ষকদের নিয়ে পানির দায়িত্বশীল ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত