শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গর্ভবতীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, বের করা হলো ৫ মাস পর!

কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পাঁচ মাস পর এক নারীর পেট থেকে বের করা হলো রক্ত মোছার গজ (মপ)।

উপজেলার বড় আলমপুরে আল ইসলাম হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে অস্ত্রোপচারের পরে এই গজ বের না করেই পেট সেলাই করে দেওয়া হয় রোগীর।

দীর্ঘ সময়ে গজটি ওই নারীর পেটের নাড়ি ছিদ্র করে ঢুকে যায় এবং তাতে পচন ধরে তাঁর জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। পরে গত মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক অপারেশন করে আস্ত গজ (ব্যান্ডেজ) বের করেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অপারেশনের মাধ্যমে পেট থেকে রক্তাক্ত গজ বের করা হয়। বর্তমানে রোগী সংকটাপন্ন রয়েছে। ৪/৫দিন গেলে অবস্থা বুঝা যাবে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই প্রসূতির নাম মোসা. শারমিন আক্তার (২৫)। তিনি মুরাদনগর উপজেলার মোগসাইর গ্রামের মো. রাসেল মিয়ার স্ত্রী। শারমিনের আগেও একটি তিন বছরের মেয়ে সন্তান রয়েছে যা সিজারে প্রসব করেছেন। দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের সময় সিজার করা হয় তার পেটে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গাইনি চিকিৎসক ডা. রোজিনার সাথে মোবাইল ফোনে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভুক্তভোগী শারমিনের বড় ভাই রহুল আমিন জানান, পাঁচ মাস আগে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে দেবিদ্বারের আল ইসলাম হাসপাতালে এন্ড ডায়গনিষ্টক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রোজিনা আক্তার তাকে দেখে জরুরী সিজার করতে পরামর্শ দেন। ডাক্তারের কথা শুনে সিজারে রাজী হলে ওইদিনই ও ডাক্তার রোজিনা আক্তার ও ডা. শামীমা আক্তার লিন্টা সিজার করেন। এতে একটি ছেলে সন্তান হয় শারমিনেন। এর দুইদিন পর থেকে শারমিনের পেটে ব্যাথা হতে থাকে। ৭দিন পর হাসপাতালে থেকে বাড়ি ফেরার পর অপারেশনের ক্ষত থেকে পুঁজ বের হতে থাকে। পরে তাকে কুমিল্লাসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা এন্টিবায়টিক খেতে দেন।

এ বিষয়ে আল ইসলাম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোহাম্মদ হোসেন (এনাম) বলেন, ঘটনাটি পাঁচ মাস আগের। এরপর রোগীর স্বজনরা আমাদের সাথে আর যোগাযোগ করেনি। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি, এ ব্যাপারে আমরা অনুতপ্ত।

পেটে গজ রেখেই সেলাই বিষয়ে, কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কোন হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটেছে তা উল্লেখ করে স্বজনদের একটি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক

একই রকম সংবাদ সমূহ

‘সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলবেন’, সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল

সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লীবিস্তারিত পড়ুন

‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিস্তারিত পড়ুন

দেশের সব জলাশয় উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

হাওরাঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবিকা নির্বাহের সুবিধার্থে দেশের সব উন্মুক্ত জলাশয় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্যবিস্তারিত পড়ুন

  • ৮ সিটিতে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
  • নতুন ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা এক মাস বাড়ালো ইসি
  • দেশে স্বাস্থ্যসেবার মান ভেঙে পড়েছে: ত্রাণমন্ত্রী
  • ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • কী হবে চট্টগ্রামের দুই আসনে? অপেক্ষা পূর্ণাঙ্গ রায়ের
  • পদ্মা সেতুর নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই, এটি প্রকল্পেরই অংশ: সেতুমন্ত্রী
  • জাতীয়করণকৃত সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জটিলতার অবসান
  • পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং বাস্তবায়ন নিয়ে যে তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা
  • এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব ভোট, অক্টোবরে হতে পারে ইউপি নির্বাচন
  • জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান
  • কলারোয়ার সেই অন্ধ ঘোড়ার দেখভাল করা কলেজছাত্রের পাশে তারেক রহমান
  • কালিগঞ্জে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার