মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গর্ভবতীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, বের করা হলো ৫ মাস পর!

কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পাঁচ মাস পর এক নারীর পেট থেকে বের করা হলো রক্ত মোছার গজ (মপ)।

উপজেলার বড় আলমপুরে আল ইসলাম হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে অস্ত্রোপচারের পরে এই গজ বের না করেই পেট সেলাই করে দেওয়া হয় রোগীর।

দীর্ঘ সময়ে গজটি ওই নারীর পেটের নাড়ি ছিদ্র করে ঢুকে যায় এবং তাতে পচন ধরে তাঁর জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। পরে গত মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক অপারেশন করে আস্ত গজ (ব্যান্ডেজ) বের করেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অপারেশনের মাধ্যমে পেট থেকে রক্তাক্ত গজ বের করা হয়। বর্তমানে রোগী সংকটাপন্ন রয়েছে। ৪/৫দিন গেলে অবস্থা বুঝা যাবে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই প্রসূতির নাম মোসা. শারমিন আক্তার (২৫)। তিনি মুরাদনগর উপজেলার মোগসাইর গ্রামের মো. রাসেল মিয়ার স্ত্রী। শারমিনের আগেও একটি তিন বছরের মেয়ে সন্তান রয়েছে যা সিজারে প্রসব করেছেন। দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের সময় সিজার করা হয় তার পেটে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গাইনি চিকিৎসক ডা. রোজিনার সাথে মোবাইল ফোনে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভুক্তভোগী শারমিনের বড় ভাই রহুল আমিন জানান, পাঁচ মাস আগে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে দেবিদ্বারের আল ইসলাম হাসপাতালে এন্ড ডায়গনিষ্টক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রোজিনা আক্তার তাকে দেখে জরুরী সিজার করতে পরামর্শ দেন। ডাক্তারের কথা শুনে সিজারে রাজী হলে ওইদিনই ও ডাক্তার রোজিনা আক্তার ও ডা. শামীমা আক্তার লিন্টা সিজার করেন। এতে একটি ছেলে সন্তান হয় শারমিনেন। এর দুইদিন পর থেকে শারমিনের পেটে ব্যাথা হতে থাকে। ৭দিন পর হাসপাতালে থেকে বাড়ি ফেরার পর অপারেশনের ক্ষত থেকে পুঁজ বের হতে থাকে। পরে তাকে কুমিল্লাসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা এন্টিবায়টিক খেতে দেন।

এ বিষয়ে আল ইসলাম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোহাম্মদ হোসেন (এনাম) বলেন, ঘটনাটি পাঁচ মাস আগের। এরপর রোগীর স্বজনরা আমাদের সাথে আর যোগাযোগ করেনি। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি, এ ব্যাপারে আমরা অনুতপ্ত।

পেটে গজ রেখেই সেলাই বিষয়ে, কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কোন হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটেছে তা উল্লেখ করে স্বজনদের একটি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক

একই রকম সংবাদ সমূহ

নারীদের জন্য চালু হলো পিংক বাস সার্ভিস

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় বিশেষবিস্তারিত পড়ুন

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

দীর্ঘদিন লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকার পর দেশে ফিরেছেন আরও ১৭৪বিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাছাই করেছে মিয়ানমার

মিয়ানমারের জান্তা সরকার শনিবার (১৫ আগস্ট) জানিয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন ৪ নেতা
  • বিএনপির জনপ্রিয়তার মূল কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল
  • কলারোয়ায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান
  • মন্ত্রিসভা কি বড় বা রদবদল হচ্ছে? কয়েকজনকে নিয়ে আলোচনা
  • ৪৮ বছর বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন যারা, কে কতদিন?
  • বিএনপি ও সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি যারা
  • চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাস লিকেজ: নিহত বেড়ে ৮
  • একযোগে ৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর
  • ৯০-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক ছিলেন খালেদা জিয়া: রিজভী
  • ১৫ আগস্ট ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে থাকছে সোয়াট-বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট
  • রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল
  • রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা