রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

চীন যেভাবে নিয়ন্ত্রণে এনেছে করোনাভাইরাস

আমি যে রাষ্ট্রে বাস করি সেখানে গণতন্ত্র রয়েছে। তারপরেও ধন্যবাদের সঙ্গে বলতে চাই, চীনে আমি যে ধরণের স্বাধীনতা দেখছি, তা সবসময়ই আমার জন্য ছিল আকাক্সক্ষার। চীনের মানুষ এখন স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেক মার্কিন নাগরিক এখন বিশ্বাস করেন, চীনের মানুষ এই স্বাধীনতা পাচ্ছে তাদের কর্তৃত্বপূর্ণ শাসন ব্যবস্থার কারণে। তবে চীনের স্বাস্থ্যখাত সম্পর্কিত একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে আমি মনে করি, আসল কারণ আরো অনেক বেশি বিস্তৃত।

আমার গবেষণা বলছে, চীনের কতৃত্ববাদী নীতির কারণেই দেশটি করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়নি। এর আসল কারণ হচ্ছে, স্বাস্থ্যখাতকে চীনের অগ্রাধিকার প্রদান। সার্স সংক্রমণ থেকে চীন দারুণ শিক্ষা পেয়েছে।

এটি ছিল এ শতাব্দীর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারী।এক বছরেরও কম সময় পূর্বে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। তিন মাসেরও কম সময়ে দেশটিতে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। প্রাণ হারান এরমধ্যে তিন হাজার। জানুয়ারির শেষ সময়ে গিয়ে চীনা সরকার উহান শহরে লকডাউন ঘোষণা করে। এর ১১ মিলিয়ন মানুষ স¤পূর্ণ আবদ্ধ হয়ে পড়েন। শহর থেকে সবধরণের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।এরপর কর্তৃপক্ষ আরো বেশ কয়েকটি শহর পুরোপুরি লকডাউন করে দেয়। এতে পর্যায়ক্রমে ৫০ মিলিয়ন মানুষ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। এপ্রিল মাস আসতে আসতেই চীন সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থামিয়ে ফেলে। উহানসহ অন্য শহরগুলোর ওপর থেকে বাধানিষেধ সরিয়ে নেয়া হয়।

গত ৭ মাসে চীনে মাত্র ৯ হাজার ১০০ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন আরো ১ হাজার ৪০৭ জন। চীনের মানুষ এখন ঘুরছেন, রেস্তোরাঁয় খাচ্ছেন, সিনেমা হলে যাচ্ছেন এবং সেখানকার শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে কোনো ধরণের ঝুঁকি ছাড়াই। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ। এরমধ্যে সর্বশেষ ১০ লাখ আক্রান্ত হয়েছেন এক সপ্তাহের মধ্যেই।২০০২ সালে প্রথম সার্স সংক্রমণ দেখা দেয়। ২০০৩ সালেই এই মহামারী নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চীন এই মহামারীর জন্য একদমই প্রস্তুত ছিল না। দেশটির স্বাস্থ্যখাত কোনোভাবেই এই মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম ছিল না।

প্রথমদিকে স্বাস্থ্যখাতের থেকে অর্থনীতি ও রাজনীতিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল চীন। তবে এটি কাজ করেনি। এরপর চীনা নেতারা বেইজিংসহ বেশ কিছু এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করেন। এর কয়েক মাসের মধ্যেই মহামারী নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সার্স শুধুমাত্র ৮ হাজার মানুষকে সংক্রমিত করতে পেরেছিল। এই মহামারী থেকেই দারুণ শিক্ষা পেয়ে যায় চীন। কমিউনিস্ট রাষ্ট্রটি জনগণের স্বার্থে স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে শুরু করে। যখনই প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পরে দেশটি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং মাত্র তিন মাসের মধ্যেই মহামারী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাইকেলে চড়ে ১৯ বছরে ১৯১ দেশ ভ্রমণ বাঙালির

প্রায় দুই দশক ধরে সাইকেল চালিয়ে একের পর এক দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেনবিস্তারিত পড়ুন

চালু হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিভি লটারি’

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার গ্রিন কার্ডের লটারি বা ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) কার্যক্রম এখনইবিস্তারিত পড়ুন

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

  • জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৬ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই
  • উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান
  • বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি : উপমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর
  • অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান
  • ‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত জাপান, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা
  • বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব হোক যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী