শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

চীন যেভাবে নিয়ন্ত্রণে এনেছে করোনাভাইরাস

আমি যে রাষ্ট্রে বাস করি সেখানে গণতন্ত্র রয়েছে। তারপরেও ধন্যবাদের সঙ্গে বলতে চাই, চীনে আমি যে ধরণের স্বাধীনতা দেখছি, তা সবসময়ই আমার জন্য ছিল আকাক্সক্ষার। চীনের মানুষ এখন স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেক মার্কিন নাগরিক এখন বিশ্বাস করেন, চীনের মানুষ এই স্বাধীনতা পাচ্ছে তাদের কর্তৃত্বপূর্ণ শাসন ব্যবস্থার কারণে। তবে চীনের স্বাস্থ্যখাত সম্পর্কিত একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে আমি মনে করি, আসল কারণ আরো অনেক বেশি বিস্তৃত।

আমার গবেষণা বলছে, চীনের কতৃত্ববাদী নীতির কারণেই দেশটি করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়নি। এর আসল কারণ হচ্ছে, স্বাস্থ্যখাতকে চীনের অগ্রাধিকার প্রদান। সার্স সংক্রমণ থেকে চীন দারুণ শিক্ষা পেয়েছে।

এটি ছিল এ শতাব্দীর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারী।এক বছরেরও কম সময় পূর্বে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। তিন মাসেরও কম সময়ে দেশটিতে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। প্রাণ হারান এরমধ্যে তিন হাজার। জানুয়ারির শেষ সময়ে গিয়ে চীনা সরকার উহান শহরে লকডাউন ঘোষণা করে। এর ১১ মিলিয়ন মানুষ স¤পূর্ণ আবদ্ধ হয়ে পড়েন। শহর থেকে সবধরণের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।এরপর কর্তৃপক্ষ আরো বেশ কয়েকটি শহর পুরোপুরি লকডাউন করে দেয়। এতে পর্যায়ক্রমে ৫০ মিলিয়ন মানুষ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। এপ্রিল মাস আসতে আসতেই চীন সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থামিয়ে ফেলে। উহানসহ অন্য শহরগুলোর ওপর থেকে বাধানিষেধ সরিয়ে নেয়া হয়।

গত ৭ মাসে চীনে মাত্র ৯ হাজার ১০০ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন আরো ১ হাজার ৪০৭ জন। চীনের মানুষ এখন ঘুরছেন, রেস্তোরাঁয় খাচ্ছেন, সিনেমা হলে যাচ্ছেন এবং সেখানকার শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে কোনো ধরণের ঝুঁকি ছাড়াই। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ। এরমধ্যে সর্বশেষ ১০ লাখ আক্রান্ত হয়েছেন এক সপ্তাহের মধ্যেই।২০০২ সালে প্রথম সার্স সংক্রমণ দেখা দেয়। ২০০৩ সালেই এই মহামারী নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চীন এই মহামারীর জন্য একদমই প্রস্তুত ছিল না। দেশটির স্বাস্থ্যখাত কোনোভাবেই এই মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম ছিল না।

প্রথমদিকে স্বাস্থ্যখাতের থেকে অর্থনীতি ও রাজনীতিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল চীন। তবে এটি কাজ করেনি। এরপর চীনা নেতারা বেইজিংসহ বেশ কিছু এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করেন। এর কয়েক মাসের মধ্যেই মহামারী নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সার্স শুধুমাত্র ৮ হাজার মানুষকে সংক্রমিত করতে পেরেছিল। এই মহামারী থেকেই দারুণ শিক্ষা পেয়ে যায় চীন। কমিউনিস্ট রাষ্ট্রটি জনগণের স্বার্থে স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে শুরু করে। যখনই প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পরে দেশটি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং মাত্র তিন মাসের মধ্যেই মহামারী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

যেখানে ট্রাম্প সেখানেই পুতিন-শি, মিশর-মরক্কো-সুদানে হচ্ছে কী?

২০২৬ সালের আগস্টের শেষদিকে দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিকবিস্তারিত পড়ুন

নেপালের রাসুয়ায় দেখার কী আছে, সেখানে এত পর্যটক যায় কেন?

নেপাল বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বরফঢাকা হিমালয়, পাহাড়ি পথ আর মেঘেরবিস্তারিত পড়ুন

হরমুজ প্রণালি চালু করতে নতুন যেসব শর্ত দিল ইরান

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর জন্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো ইরানের অবস্থান জানতে চেয়েছে। এরবিস্তারিত পড়ুন

  • চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় এমওইউ স্বাক্ষর
  • রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন
  • নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮
  • বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদান নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা কেন?
  • নেপালে নিহত বেড়ে ৩৩০, নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে অভিযান
  • শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান ও পেশাগত সম্ভাবনা : মাহ্দী আমিন
  • নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক
  • নেপালে ভয়াবহ বন্যা: হঠাৎ এত পানি এলো কোথা থেকে?
  • বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে সরকার
  • নেপালে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, দেড়শ ছাড়াল নিহতের সংখ্যা
  • নেপালে বন্যায় বহু প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক
  • নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩