শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পিচ ঢালাইয়ের কাজ চলছে পদ্মা সেতুতে

দ্রুত এগিয়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ। কাজ প্রায় শেষের পথে। এখন চলছে সেতুর সড়কপথে পিচ ঢালাইয়ের (কার্পেটিং) কাজ।

জাজিরা প্রান্তের ৪১ নম্বর স্প্যান থেকে ৩৭ নম্বর স্প্যান পর্যন্ত রোডওয়ে স্ল্যাব, প্যারাপেট ওয়াল এবং রোড ডিভাইডার বসানো হয়েছে।

এই সড়কটুকুতে বাতি ছাড়া প্রায় সব কাজই শেষ।

সেতুর ৪০ নম্বর স্প্যানের ওপরের সড়কে পিচ ঢালাইয়ে কাজ শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। এর আগে এই স্প্যানের ওপরের সড়কে ১০ মিটার প্রস্থ এবং ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের ওয়াটারপ্রুফ মেমব্রেন বিছানো হয়েছিল। যেটি পানি নিরোধক একটি প্রলেপ। তার ওপরের পিচ ঢালাই করা হচ্ছে।

পিচ ঢালাইয়ের কাজ করার আগে ৪০ নম্বর স্প্যানের ওপর কমলা রঙের মেমব্রেন বিছানো হয়। মেমব্রেনের পুরুত্ব ৩ মিলিমিটার। এর ওপরে ২ মিলিমিটারের বিটুমিনের স্তর দেওয়া হচ্ছে। তার ওপরে দেওয়া হচ্ছে পিচ ঢালাই।

পিচ ঢালাইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, ‘প্রথম দিনে সেতুর ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থ অংশের পিচঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। সেতুর কাজ শেষের পথে এখন। সড়কপথে পিচঢালাই কাজ শুরু হয়েছে। পিচঢালাই শেষ হলে গাড়ি চলতে পারবে।’

এদিকে পদ্মা সেতুতে রোড স্ল্যাব বসানোর কাজও শেষের দিকে। শেষ ধাপে দুইটি স্প্যানের ওপর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো বাকি আছে। বতর্মানে ১০ নম্বর স্প্যানের ওপর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো চলছে। এই স্প্যানের ৮০ শতাংশেরও বেশি জায়গায় রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে। এই স্প্যানে এই পর্যন্ত ৩৬টি স্ল্যাব বসেছে। এরপর ১১ ও ১২ নম্বর স্প্যানে স্ল্যাব বসানো সম্পন্ন হবে সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

এর আগে গত ২০ জুন শেষ হয়েছে পদ্মা সেতুর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

তড়িৎ গতিতে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করার জন্য বিভিন্ন ধাপে কাজ চলছে। এই কাজের বড় একটা অংশ হচ্ছে রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো, সেতুর দুই পাশে সেতুতে ওঠার ও নামার পথ তৈরি, প্যারাপেট ওয়াল, রোড ডিভাইডার, গ্যাস লাইন স্থাপন, রেললাইনের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং নদীশাসনের কাজ।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু।

এরপর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর।
একই সঙ্গে চলতে থাকে রোডওয়ে, রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোসহ অন্যান্য কাজ।

সেতুর মূল আকৃতি দোতলা।

মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।

কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যেই এই সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা রয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা ভ্রমণরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালকে ১ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিলো বাংলাদেশ

আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপালের ত্রাণ ও মানবিক কার্যক্রমেবিস্তারিত পড়ুন

সমাজবিরোধী অপশক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে না উঠে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজবিরোধী অপশক্তি আর যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারেবিস্তারিত পড়ুন

  • মাথাব্যথা হয়েছে, মাথা কর্তন করা যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সংসদকে যা জানালেন মন্ত্রী আরিফুল
  • জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত কোনো হকার বসবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক
  • উল্টো পথে মন্ত্রীর গাড়ি, দুই মামলা দিল পুলিশ
  • আমি ফিরে এসেছি মানুষ ও দেশের জন্য: মির্জা আব্বাস
  • ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
  • প্রাথমিকের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে পুষ্টিকর খাবার: ববি হাজ্জাজ
  • বিপিএল বাদেই বছরে ৩৫-৪০ লাখ টাকা পাবেন ক্রিকেটাররা : তামিম
  • গাজী নজরুলের নাম দেখে স্পিকার বললেন ‘জি এম তো নাই’, বাতিল হলো প্রশ্ন
  • স্থায়ী কমিটির সভাপতি নিয়ে বিরোধ : বিরোধীদল ওয়াকআউট করলেও বসেছিলেন এমপি হাসনাত
  • আসিফসহ তার অপকর্মের ‘নেপথ্যের নায়কদের’ তথ্য চেয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি