সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

১২৩ বছর বয়সেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন আব্বাস

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বয়স ১২৩ বছর, তবে পরিবারের দাবি প্রকৃত বয়স আরও বেশি। বয়সের ভারে শরীর অনেকটাই নুয়ে পড়েছে, চলাফেরাও সীমিত এবং কানে কম শোনেন। কিন্তু চোখের দৃষ্টিতে এখনো বয়সের ছাপ পড়েনি। চশমা ছাড়াই খালি চোখে কোরআন শরিফ পড়েন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামের আব্বাস প্রামানিক।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। একসময় মাত্র ৬০ টাকা বেতনে শিক্ষকতা করেছেন। পাশাপাশি এলাকায় বিনামূল্যে শিশু-কিশোরদের কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন। দুই মেয়ে ও ছয় ছেলের বাবা আব্বাস প্রামানিক সাদাসিধে জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন এবং জীবনে বিলাসিতা কখনো পছন্দ করেননি। একসময় অর্থ-সম্পদ থাকলেও বর্তমানে ভাঙাচোরা একটি ঘরে বসবাস করছেন।

বয়সের কারণে চলাফেরা কমে গেলেও নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করেন তিনি। সহযোগিতা ছাড়াই নিজ হাতে কাপড় পরিধান করেন, নিয়মিত নামাজ আদায় ও কোরআন তেলাওয়াত করেন। দীর্ঘ জীবনে তিনি ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি আমল এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন দেখেছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। বয়সের ভারে জীবনের অনেক স্মৃতি মনে করতে না পারলেও ধর্মীয় অনুশাসন ও নিজের অভ্যাসগুলো এখনো ধরে রেখেছেন। বাতাসা, গরুর দুধ ও মসুর ডাল তাঁর পছন্দের খাবার। একসময় স্বচ্ছল জীবনযাপন করলেও বর্তমানে বয়স ও অসুস্থতার কারণে অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। মূলত নাতি ও নাতবউয়েরাই তাঁর দেখাশোনা করেন।

আব্বাস প্রামানিকের নাতি শফিকুল ইসলাম জানান, তাঁর দাদা খুবই ধর্মপ্রাণ ও সৎ মানুষ ছিলেন। কারও সঙ্গে কোনো দিন অন্যায় করেননি। গাড়ি চড়াকে বিলাসিতা মনে করে জীবনের অধিকাংশ সময় পায়ে হেঁটেই চলাফেরা করেছেন। এখন চলাফেরা করতে না পারায় পরিবারের সবাই মিলে তাঁর দেখাশোনা করছেন।

আব্বাস প্রামানিকের মেয়ে আলিমা বেগম জানান, পাঁচ বছর বয়সে মা মারা যাওয়ার পর বাবার কাছেই বড় হয়েছেন। বাবা কখনো কোথাও যেতে গাড়িতে উঠতেন না, পায়ে হেঁটেই যেতেন। বয়সের কারণে বাবা দুর্বল হয়ে পড়ায় ভাইয়ের ছেলেদের কাছে থাকেন এবং তাঁরাই দেখাশোনা করেন। সন্তান হয়েও তাঁরা চোখে কম দেখলেও এত বছর বয়সেও তাঁর বাবা চশমা ছাড়া কোরআন পড়তে পারেন।

প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম জানান, শান্ত স্বভাবের এই মানুষটিকে দীর্ঘদিন ধরে দেখছেন। বয়সের কারণে চলাফেরা সীমিত হলেও তাঁর নামাজ ও কোরআন পড়ার অভ্যাস এখনো আছে।

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ জানান, প্রবীণ এই মানুষটির চলাচলের সুবিধার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ির সামনে সিঁড়ি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া খুবজিপুর প্রবীণ সেবা কেন্দ্র তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময়ে তাঁকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল সহজে শনাক্ত করার লক্ষ্যে বাইকের সামনের অংশেওবিস্তারিত পড়ুন

বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগকে মাফ করতে চেয়েছিল জামায়াত: রিজভী

৫ আগস্টের পর বিএনপি নয়, জামায়াতে ইসলামীই আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিতেবিস্তারিত পড়ুন

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীরবিস্তারিত পড়ুন

  • ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা
  • রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার কারণ জানালেন ইশরাক
  • সেনাসদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী
  • বর্জ্যের পাহাড়কে সবুজে বদলে দেওয়ার উদ্যোগ: ডিসি ফরিদার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী
  • সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব, দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চায় বাংলাদেশ
  • নতুন পে-স্কেলে কত টাকা বকেয়া পাবেন?
  • চাঁদাবাজের খোঁজ পেলে ধরে আনুন: ডিএসসিসি প্রশাসক
  • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়বে: প্রধানমন্ত্রী
  • সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
  • কোনো দেশ অবৈধভাবে পরিচালিত হলে সেখানে জনগণের অভ্যুত্থান ঘটে : রাজনাথকে রিজভী
  • কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড, টয়লেটে মিলল আরও ৪ লাশ, নিহত বেড়ে ১০