শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরায় অত্যাচার-নির্যাতনের হাত থেকে গ্রামবাসীর রক্ষার দাবি

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ব্রজবাকসা গ্রামের আব্দুল মাজেদ ও তার ছেলে শরিফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করার মানসে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যে মামলা দিয়ে ব্রজবাকসা ও রঘুনাথপুর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২জুন) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক সরদারের ছেলে মোঃ জুলফিকার আলী মিস্টার এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরি মৌসুমে তিন গ্রামের অধিবাসীরা ২টি গভীর নলকূপের পানি সেচের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করে থাকেন। ডিপ পরিচালনার নিয়ম হলো একজন ব্যক্তি কয়েক বছর একাধারে ডিপের সেচ পরিচালনা করতে পারবে না। এলাকার মানুষের দাবী ডিপ নিয়ম অনুসারে চলবে। কিন্তু আব্দুল মাজেদ এই নিয়ম মানতে নারাজ। সে অর্থ এবং গায়ের জোরে তার পোষ্য লাঠিয়াল ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ২টি গভীর নলকূপ ভাংচুর চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে গেল মৌসুমে সেচের কার্যক্রম চরমভাবে ব্যহত হয়। যার ফলে তিন গ্রামের মানুষ আর্থিকভাবে দারুন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এঘটনায় এলাকার জনগণ কোর্টে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার নং-৭৩/২৫ এবং ৭৪/২৫। যেটা চলমান।
জুলফিকার আলী মিস্টার আরো বলেন, এঘটনার জের ধরে আব্দুল মাজেদ ও তার ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের নামে চাঁদাবাজী, ছিনতাই সহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার আদৌ কোনো ভিত্তি নেই। এই সুযোগে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক-শ্রেণির তদন্ত কর্মকর্তা সঠিক তদন্ত না করে মাজেদের অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে এলাকাবাসীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে চলেছে। আব্দুল মাজেদ ও তার ছেলে শরিফুল ইসলামের দৌরাত্ম ও টাকার অহংকারের কাছে সবাই জিম্মি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে মাজেদ এবং তার ছেলের অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। থানার তদন্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মাজেদ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে সি আর ৬/২৪, কলারোয়া, সি.আর ৩১/২৫, কলারোয়া, সি আর ২৬/২৪, কলারোয়া, পিটিশন ২০৯৮/২৪, পিটিশন ৩৭৬/২৫, পিটিশন ১৭৮/২৪, কলারোয়া, পিটিশন ১৭৯/২৪, কলারোয়া, পিটিশন ৮৯০/২৪, সহ বিভিন্ন মিথ্যে মামলা করেছে। প্রতিটি মামলায় এলাকা থেকে ২০/২৫ জন ব্যক্তিদেরকে আসামী করা হয়েছে। তার মিথ্যে মামলা থেকে এলাকার বৃদ্ধ মানুষেরাও রেহাই পায়নি। এলাকার মানুষ সন্ত্রাসী, গডফাদার, ভূমিদস্যু ও চোরাকারবারী মাজেদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে চায়।
তিনি চোরাকারবারী মাজেদ ও তার ছেলের হাত থেকে এলাকাবাসীর নিষ্কৃতির দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনসহ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

কলারোয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০ গ্রামবিস্তারিত পড়ুন

সোনাবাড়ীয়া একাডেমিক নলেজ থেকে বৃত্তি প্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

কলারোয়ার সোনাবাড়ীয়া একাডেমিক নলেজ কোচিং থেকে প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়াবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় টানা বৃষ্টিতে ১২ হাজার হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট, দিশেহারা কৃষক

গত বৃহস্পতিবার রাতের টানা ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজমিবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন পানিতে দেশি মাছ ধরার উৎসব, রাজগঞ্জের খাল-বিলে মাছ শিকারে মানুষের ঢল
  • কলারোয়ায় জামায়াতের দিনব্যাপী মহিলা শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সভা
  • কলারোয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
  • কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শনে এমপি অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়া পৌরসভা : দুই পাশে উন্নত সড়ক, মাঝখানে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ
  • কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে মোটরসাইকেল চুরি
  • কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা
  • কলারোয়ার সেই অন্ধ ঘোড়ার দেখভাল করা কলেজছাত্রের পাশে তারেক রহমান
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবকে জনতা ব্যাংকারদের ফুলেল শুভেচ্ছা
  • কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়ানুষ্ঠান
  • যুব ও তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতে হবে : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব