বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অনুমতি পেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিদেশ যেতে পারেন যারা

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশ নেয়া সংক্রান্ত জটিলতা এখনও কাটেনি। এ নিয়ে হয়তো সিদ্ধান্ত হতে পারে আজ। অনুমতি পেলেও প্রস্তুতি নিতে লাগতে পারে আরও দুই থেকে তিন দিন।

তবে এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে যদি খালেদা জিয়া বিদেশে যাওয়ার অনুমতি পান তাহলে তার সঙ্গী হচ্ছেন কারা। এ নিয়ে দেশের একটি জাতীয় গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়েছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়াকে নিয়ে লন্ডন যাবেন তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। এ ছাড়া ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও গৃহকর্মী ফাতেমাও বিদেশ যাবেন।

খালেদা জিয়ার এক স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে শুক্রবার (৭ মে) বলেন, সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়া এবং যারা তার সঙ্গে যাবেন তাদের ভিসা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তারা।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে চেয়ে বুধবার (৫ মে) রাত ৮টায় আবেদন করে তার পরিবার। আবেদনে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ না করলেও সে দেশকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে তার পরিবার।

এ ছাড়া সৌদি আরব, দুবাইয়ের কথাও শোনা যাচ্ছে। সেইসব দেশের দূতাবাস, হাইকমিশনের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন তারা। বেগম জিয়ার নবায়নকৃত পাসপোর্ট ও সরকারের অনুমোদন পেলেই এ বিষয়ে আরও তৎপর হবে দল।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় আবেদনের কপি হাতে পাওয়ার পর আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে তিনি মতামত দেবেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জরুরি বিবেচনায় শুক্রবারই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত।

এদিকে চিকিৎসাধীন বেগম জিয়ার অবস্থা এখনও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসক। তিনি জানান, অক্সিজেন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ইনসুলিন দেয়া হচ্ছে বিএনপি নেত্রীকে।

প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল বেগম জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলেও, কোভিড-১৯-এর কোনো উপসর্গ ছিল না বলে জানিয়েছিল তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। এরপর ১৫ এপ্রিল তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হলেও বেশ কয়েকটি পরীক্ষা শেষে বেগম জিয়াকে আবারও তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় নেয়া হয়।

ওই রিপোর্টে তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। প্রথমবার পজিটিভ হওয়ার ১৪ দিনের মাথায় ২৪ এপ্রিল আবারও করোনা টেস্ট করানো হলে কোভিড পজিটিভই থাকে বেগম জিয়ার। এর তিন দিন পর অর্থাৎ ২৭ এপ্রিল আবারও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নেয়া হয় একই হাসপাতাল এভারকেয়ারে।

চিকিৎসকদের পরামর্শে সেখানেই নন-কোভিড ইউনিটে ভর্তি করা হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। এরপর গত ৩ মে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে করোনারি কেয়ার ইউনিট-সিসিইউতে নেয়া হয় তাকে। সেদিন থেকেই তিনি পঞ্চম দিনের মতো সিসিইউতেই আছেন বিএনপির এই নেত্রী।

একই রকম সংবাদ সমূহ

৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদাবিস্তারিত পড়ুন

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পুরো এলাকা ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তবিস্তারিত পড়ুন

শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে মোট ৫০০বিস্তারিত পড়ুন

  • গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ
  • নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন
  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় পরিবর্তন আসছে না
  • শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন
  • সীমান্ত পাহারার চেয়েও বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী
  • দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • কেমন হবে আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থা জানালেন উপদেষ্টা মাহদী আমিন
  • ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলতে হবে, না হলে জনগণই খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম
  • রাজধানীর পূর্বাচলে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত
  • জুলাই আন্দোলনের দুই বছর : কোটা সংস্কারের দাবি থেকে ইতিহাস বদলের যাত্রা
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর
  • ফ্যাসিস্টদের অবশিষ্ট অংশ এখনো সক্রিয়, জুলাই চেতনা বাঁচিয়ে রাখতে হবে: রিজভী