আমার কথায় নেত্রীর সায় আছে: ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই


নোয়াখালীর অপরাজনীতির কারণে ত্যাগী নেতারা হারিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেছেন, আমার ভাষণ নিয়ে কে কি বলেছে, তা শোনার সময় নেই। আমার নেত্রীর আমার কথায় সমর্থন আছে বলে আমার বিশ্বাস। তা না হলে আমি কাজ করতে পারতাম না। এতটা এগোতে পারতাম না। তাই নেত্রীকে কথা দিচ্ছি– বসুরহাট পৌরসভার সুন্দর নির্বাচন উপহার দিয়ে দলকে জিতিয়ে আনব।
আবদুল কাদের মির্জা বুধবার সকাল ৮টায় তার নির্বাচনী অফিসে লাইভ ভিডিওতে এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী। বসুরহাটে বারবার নির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধির সাম্প্রতিক বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
আজ তিনি বলেন, একটা গরিবের ছেলেকে চাকরি নিতে ৫-৭ লাখ টাকা ঘুষ লাগে। এটা মেনে নেয়া যায় না।
আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ওবায়দুল কাদের দলের বড় দায়িত্বে আছেন, রাজনীতির কারণে তাকে বক্তব্য রাখতে হয়। আর বড় ভাই হিসেবে আমাকে সতর্ক করার অধিকার তার আছে। তবে এলাকার এমপি হিসেবে এখানে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ ভোট করানো তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
দেশের রাজনীতিবিদরা বিদেশে টাকা পাচার করছে- এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমাদের পাতি নেতারা পর্যন্ত আমেরিকায় গিয়ে গাড়ি কিনেছে, বাড়ি করেছে। সেখানে গিয়ে মাদক, নারী ও ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। নেত্রী শেখ হাসিনা এ চোরদের কত পাহারা দেবেন?
কাদের মির্জা বলেন, সামান্য বাংলা মদের খেলে আমরা তাদের (মাদকসেবী) পিটাই, জেলে দিই। আর এমপিদের মদের আসরে গিয়ে পুলিশ স্যালুট মারে। পাহারা দেয়।
নির্বাচনে জয়ের আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি মানুষের শতভাগ সাড়া পাচ্ছি। ভোটে জয়ী হব ইনশাআল্লাহ। এখন আমার চেষ্টা হবে যেন কেউ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে, আমার জনগণের রক্ত ঝরাতে না পারে।
আওয়ামী লীগের এই মেয়র প্রার্থী আরও বলেন, ভোটাররা ভোট দেবেন। ভোটের দিন বাইরে কোনো অনিয়ম ঘটলে পুলিশ, প্রশাসন, ডিসি, নির্বাচন অফিসারকে জবাব দিতে হবে। বসুরহাটের জনতা জবাব নিয়ে ছাড়বে।
তিনি বলেন, সন্দ্বীপের হিরোরা মাঠে নামতে পারেন না, ফেনীতে পেশিশক্তি দেখিয়ে কমিশনাররা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয় কেন? কেন তারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিতর্কের মুখে ফেলেন? কারণ তাদের জনপ্রিয়তা নেই। তাই তারা শক্তি দেখান।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

বায়োডাটায় এখনো ‘অবিবাহিত’ জামায়াত এমপির কথিত ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’
সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুলবিস্তারিত পড়ুন

শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, বিভেদ নেই: তারেক রহমান
ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, তবেবিস্তারিত পড়ুন

জুলাই সনদ বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও বিতর্কের অবসান হওয়া উচিতবিস্তারিত পড়ুন


