শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আশাশুনিতে ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ

জি.এম আল ফারুক, আশাশুনি : আশাশুনি উপজেলায় এবছর ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উৎপাদিত ধান থেকে ৩০ হাজার ৩৪৪ মে.টন চাউল পাওয়া যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

আশাশুনি উপজেলা সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চলতি বছর উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলস ভাবে কাজ শুরু করেন এবং কৃষকদের সাথে মাঠে ও বাড়িতে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে উদ্বুদ্ধ করেন। ফলশ্রুতিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়। কৃষকরা ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করেছেন। যার মধ্যে হাইব্রিড ৪০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৪০ হেক্টর ও উপশী ৯ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়ে কৃষকরা ফসলের পরিচর্চা যথাযথ ভাবে করতে সক্ষম হন। রোগ বালাই ও সার ব্যবস্থাপনা পরামর্শ মোতাবেক করা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যতটুকু দেখা গেছে তা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টায় কমতি করা হয়নি। আশা ব্যাঞ্জক ফসল উৎপাদন হবে বলে এ পর্যন্ত কর্তনকৃত ফসলের ফলনে লক্ষ্য করা গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস এম এনামুল ইসলাম জানান, আশাশুনি উপজেলায় লবণপানির মৎস্য চাষের জন্য আবাদী জমির পরিমান কম হলেও কৃষি বিভাগের তৎপরতায় ধান আবাদের পনিমান বাড়তে শুরু করেছে। তাছাড়া একই জমিতে একাধিক ফসল উৎপাদনে কৃষকরা এগিয়ে আসায় স্ববলম্বি হতে সুডোগ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, এবছর আমাদের ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমা। সেখানে অর্জিত হয়েছে ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমি। ইতিমধ্যে ৮৫% জমির ধান কাটা হয়েগেছে। গড় ফসল উৎপাদনেরর হার অনুযায়ী আশিশুনিতেনপ্রতি হেক্টরে (উপশী) ৩.২ মে. টন চাউল উৎপাদন হবে। হাইব্রিড পারনহেক্টরে ৩.৮ মে.টন ও স্থানীয় জাতের ২.৮ মে.টন চাউল উৎপাদিত হবে। ফলে আশাশুনি উপজেলায় সর্বমোট সম্ভাব্য উৎপাদন হবে (চাউলে) উপশী ৩০ হাজার ৮০ মে.টন, হাইব্রিড ১৫২ মে.টন ও স্থানীয় জাতের ১১২ মে.টন।

বুধহাটার কৃষক নুরুর ইসলাম জানান, সরকার তথা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এলাকার কৃষকরা ধান চাষাবাদে খুবই আগ্রহ সহকারে কাজ করতে পেরেছে। বীজ তলা থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত সঠিক ভাবে ধান পরিচর্চা করে আল্লাহর রহমতে আশানুরুপ ফলন পেয়েছি। আমরা সোনার ফসল ঘরে তুলতে পেরে খুবই খুশি।

চাষী জালাল উদ্দীন বলেন, আল্লাহর মর্জিতে ধান ফসল ঘরে তুলেছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতা পেয়ে আমরা ভালভাবে চাষাবাদ করতে পেরেছি। পোকা মাকড় দমন, রোগ বালাই রোধ ও সার দেওয়ার ব্যাপারে তাদের পরামর্শ আমাদেরকে চিন্তামুক্ত রাখতো।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় তাপপ্রবাহকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আগাম প্রস্তুতি বিষয়ক মহড়া

উপকূলীয় দুর্যোগপ্রবণ আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার মানুষদের টিকে থাকতে হলে বৈশ্বিক উষ্ণতাবিস্তারিত পড়ুন

খুলনা বিভাগে টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে আশাশুনিতে সমবায় সভা

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) সকালে খুলনা বিভাগের পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর টেকসইবিস্তারিত পড়ুন

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঝুঁপড়ি ঘর নির্মাণ করে জমি দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বদরতলা বাশিরামপুর এলাকায় আদালতের পার্টিশনবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নিখোঁজের ২দিন পর ব্যবসায়ীর কাদামাখা ম*রদেহ উদ্ধার
  • সাতক্ষীরায় চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী ফেল
  • সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
  • উপজেলা সমবায় অফিসার হিসেবে মোঃ আশরাফ আলীর আশাশুনিতে যোগদান
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • আশাশুনি উপকূলে ৩শ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ বিতরণ
  • আশাশুনির কোলা-ঘোলা ও কল্যাণপুরে প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন
  • ​আশাশুনির দাঁড়ারখাল উন্মুক্ত রাখার দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও ডিসিকে স্মারকলিপি
  • বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আশাশুনিতে ক্যাম্পেইন
  • আশাশুনির দাড়ারখাল অবমুক্তের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
  • মসজিদ ও মাদরাসায় সিলিং ফ্যান বিতরণ করল উদারতা যুব ফাউন্ডেশন
  • আশাশুনিতে র‍্যাবের অভিযানে জেলি পুশ করা ১৫০০ কেজি চিংড়ি জব্দ ও ধ্বংস