শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আসছে করোনার তৃতীয় ঢেউ, হুঁশিয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র

পুরো ইউরোপ এবং আমেরিকা জুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। শীত পড়তেই ইউরোপের প্রায় প্রতিটি দেশে নতুন করে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়েছে। জার্মানি সহ একাধিক দেশে সংক্রমণের মাত্রা গতবারের চেয়ে অনেকটাই বেশি। জার্মানিতে রোববার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করল ডাব্লিউএইচও।

সংস্থার করোনা সংক্রান্ত বিভাগের প্রধান ডেভিড নাবারো একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২০২১ সালের শুরুতে ইউরোপ জুড়ে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। এবং তাতে ক্ষতির মাত্রা আরো বাড়ার সম্ভাবনা।

নাবারোর বক্তব্য, গরম কালে করোনার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল, ইউরোপ তা নেয়নি। গরমে করোনার প্রভাব সামান্য কমতেই মানুষ সমস্ত নিয়ম মানা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সকলে রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়েছিলেন। নিরাপদ দূরত্ব মানা, মাস্ক ব্যবহার করার মতো নিয়মগুলি কেউ সে ভাবে মানেননি। তারই খেসারত দিতে হচ্ছে এখন। ঠান্ডা পড়তেই ফের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এখনো কড়া ব্যবস্থা না নিলে আগামী বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নাবারো। এবং এ ক্ষেত্রেই এশিয়ার প্রশংসা করেছেন তিনি।তাঁর বক্তব্য, এশিয়ার অধিকাংশ দেশে গরমের সময়েও করোনা বিধির প্রাথমিক বিষয়গুলি মেনে চলা হয়েছে। অর্থনীতির জন্য লকডাউন তুলে দিলেও মানুষ অধিকাংশ জায়গায় সতর্ক ভাবে চলাফেরা করেছেন। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছেন। ফলে শীতেও সংক্রমণের মাত্রা যথেষ্ট কম। উদাহরণ হিসেবে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলেছেন তিনি। জাপানে গত শনিবার নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৫৯৬। দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩৮৬।

ভারত এবং পাকিস্তানে অবশ্য শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংক্রমণের পরিমাণ লাফিয়ে বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বক্তব্য, পাটিগণিতের হিসেবে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পায় না। লাফিয়ে বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, প্রথম সপ্তাহে যদি সংক্রমণের হার আট গুণ বাড়ে, তা হলে দ্বিতীয় সপ্তাহে তা বাড়বে ৪০ গুণ। তৃতীয় সপ্তাহে ৩০০ গুণ। চতুর্থ সপ্তাহে হাজার গুণ। এটাই করোনার বৈশিষ্ট্য। ইউরোপ এই বিষয়টি বুঝতে না পারলে আগামী কয়েক মাসে সমস্যা বাড়বে।

একদিকে যখন তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি করা হচ্ছে, তখন বিভিন্ন দেশেভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা চলছে। অ্যামেরিকা জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে ১১ ডিসেম্বর থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া চালু হতে পারে। প্রথমে বয়স্ক, অসুস্থ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হতে পারে। ইউরোপেও জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়া চালু হতে পারে। ভারত জানিয়েছে, দেশে তৈরি ভ্যাকসিন আগামী দুই মাসের মধ্যে বাজারে আনা সম্ভব। প্রতিটি ভ্যাকসিনেরই শেষ পর্যায়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলছে। ভ্যাকসিন কী ভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক হবে ভারতে। সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী?

৪০ বছর পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বসতেবিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.বিস্তারিত পড়ুন

  • ড. খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
  • মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিকমাধ্যম
  • বিশ্বকাপের ৪৮ দেশের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা
  • রাশিয়ায় কাজে পাঠানোর নামে প্রতারণা, ৩ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল
  • মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর
  • অবশেষে কানাডার সদস্যপদ স্থগিত করল আইসিসি
  • ক্যানসারের চিকিৎসায় আশার আলো: ইনজেকশনে সম্পূর্ণ টিউমার নির্মূল সম্ভব
  • ২ কর্মদিবসে মিলবে মার্কিন অভিবাসী ভিসা
  • ইরানে আমাদের হামলা করা উচিত হয়নি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনবে ভারত: রুবিও
  • ভারত যা চাইবে তাই পাবে, আমি মোদির অনেক বড় ‘ভক্ত’: ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা