বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঝুলন্ত সেতু

এক সেতুতে মিলন ইউরোপ-এশিয়ার

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঝুলন্ত সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সংযুক্ত হলো ইউরোপ ও এশিয়া।
শুক্রবার (১৮ মার্চ) তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দার্দানেলেস প্রণালিতে সেতুটির উদ্বোধন করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্কে নিজের দুই দশকের ক্ষমতাকালে বড় অবকাঠামো নির্মাণেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এরদোগান। আর ইউরোপ-এশিয়াকে যুক্ত করা ‘চানাক্কালে’ নামের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঝুলন্ত সেতুটিও তার সেই সেই অগ্রাধিকারের অংশ।

রয়টার্স জানায়, তুরস্কের ইউরোপীয় অংশের সঙ্গে এশিয়ার উপকূলের সংযোগ স্থাপনে ১৯১৫ সালে নির্মিত চানাক্কালে নামে এই সেতুর পুনর্নির্মাণে খরচ হয়েছে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন (২৮০ কোটি) ডলার। ২০১৭ সালের মার্চে সেতুটির পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০০২ সালে তার ‘একে পার্টি’ প্রথম তুরস্কের ক্ষমতায় আসার পর থেকে এরদোগানের সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এ ধরনের বিভিন্ন মেগা প্রকল্প। যার মধ্যে ইস্তাম্বুলের নতুন বিমানবন্দর, ইস্তাম্বুলের বসফরাস প্রণালির নিচে দিয়ে যাওয়া রেল ও সুড়ঙ্গ সড়ক এবং এর ওপরে তৈরি একটি সেতু উল্লেখযোগ্য।

শুক্রবার (১৮ মার্চ) ছিল দার্দানেলেস প্রণালিতে ফ্রান্স ও ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে অটোমান সাম্রাজ্যের নৌসেনার বিজয়ের বার্ষিকী। তাই এদিনই সেতুটি উদ্বোধন করেন এরদোগান। তিনি বলেন, এই সেতুর মাধ্যমে বছরের পর বছর তুরস্ক লাভবান হবে এবং এটি দেশকে আরও এগিয়ে নেবে।

তুরস্কের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৩ সালে। তবে বিভিন্ন জনমত জরিপের তথ্য বলছে, নানা কারণে দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও তার দল একে পার্টির জনপ্রিয়তা কমে আসছে। আর জরিপের এই তথ্যই উৎসাহী করে তুলছে এরদোগান বিরোধীদের। ফলে ক্ষমতা ধরে রাখতে চানাক্কালে সেতুর মতো নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন এরদোগান।

এদিকে সেতুটি তৈরির জন্য সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে আগে থেকেই অনেক সমালোচনা করে আসছে তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ৩৮ কোটি ইউরো পাবে সেতুটির কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। আর চুক্তির পূর্ণ মেয়াদে পাবে মোট ৬০০ কোটি ইউরো।

শুক্রবার (১৮ মার্চ) সেতু উদ্বোধন করে তুর্কি প্রেসিডেন্ট জানান, ৪ দশমিক ৬ কিলোমিটারের এই ঝুলন্ত সেতু ব্যবহার করা যাত্রীবাহী প্রতিটি বাহনকে প্রতিবার দিতে হবে সাড়ে ১৩ ডলার। সেতুটি নির্মাণে কাজ করেছেন পাঁচ হাজারের বেশি শ্রমিক।

রয়টার্স জানিয়েছে, চানাক্কালে তুরস্কের ইউরোপীয় এবং এশিয়ান উপকূলকে সংযুক্ত করা চতুর্থ সেতু। এ ধরনের আরও ৩টি সেতু রয়েছে ইস্তাম্বুলে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোকবিস্তারিত পড়ুন

নেপালে ভয়াবহ বন্যা: হঠাৎ এত পানি এলো কোথা থেকে?

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে নেপালের অন্তত তিনটি জেলা। স্থানীয় সময়বিস্তারিত পড়ুন

বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে সরকার

সরকারিভাবে কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েেশিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়াবিস্তারিত পড়ুন

  • নেপালে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, দেড়শ ছাড়াল নিহতের সংখ্যা
  • নেপালে বন্যায় বহু প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক
  • নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩
  • বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন
  • কলারোয়া পৌরসভায় শিক্ষকদের নিয়ে পানির দায়িত্বশীল ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন
  • যুক্তরাষ্ট্রে কাজের ভিসায় বড় ধাক্কার শঙ্কা, বেশি বিপাকে পড়বেন যারা
  • হারানো ছাগল খুঁজতে গিয়ে মিলল সোনার খনি
  • বঙ্গোপসাগরের ওড়িশা উপকূলে জাহাজডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
  • জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে ৮ প্রার্থী
  • তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে প্রত্যাহার করল ভারত
  • কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়