রবিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৫

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ার গাছে গাছে ভরে গেছে সজনের সাদা ফুল, বর্ণিল সাজে সেজেছে প্রকৃতি

কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে পরেছে লতাটা,সজনে ফুলে ভরে গেছে গাছটা,আর আমি ডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি।খোকা তুই কবে আসবি? কবে ছুটি?’

কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ তার এ কবিতার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছিলেন একজন ভাষা শহীদের মায়ের আকুতি।কুমড়ো ফুল, সজনে ডাঁটা, ডালের বড়ি আবহমান বাংলার ঐতিহ্য। আর এ ঐতিহ্য মনে করিয়ে দেয় ভাষার কথা, দেশের প্রতি মমত্ববোধের কথা।

অপরদিকে, অযত্ন আর অবহেলায় বেড়ে ওঠা সজনে সবার কাছেই খাদ্য হিসেবে বেশ প্রিয়। এখন সজনে গাছে ফুল আসার মৌসুম। ঋতুবৈচিত্রের এই বাংলাদেশে একেক ঋতুতে একেক রূপ নিয়ে হাজির হয় প্রকৃতি। শীতের শেষ ও বসন্তের আগমনীতে গাছে গাছে শিমুল পলাশের সাথে সাজনে ফুলগুলো প্রকৃতিকে সাজিয়েছে আপন মহিমায়।

প্রাকৃতিক সোন্দর্য নিয়ে সাদা ফুলের বর্ণিল সাজে সেজেছে উত্তরাঞ্চলের শষ্য ভান্ডার খ্যাত কলারোয়া উপজেলার সজিনা গাছগুলো। প্রকৃতি সেজেছে যেন তার আপন মহিমায়। বাড়ির আনাচে-কানাচে ও রাস্তার পাশে থাকা সজিনার গাছগুলো থোকায় থোকায় সাদা ফুলে ভরে উঠেছে। মৌ মৌ করছে চারপাশ। সজিনা গাছের ডালের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফুল আর ফুল।

এ সময় সজিনা গাছের পাতা ঝরে পড়ে। তাই পাতা শুন্য ডালে থোকা থোকা সাদা ফুলের শোভা দেখে সকলেই মহিত হয়। সজিনা বিশ্বের অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি বৃক্ষ। অলৌকিক গাছ হিসেবে সজিনা পরিচিত। কলারোয়া পৌরসভার সামনে ও উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সজনের সাদা ফুলে ছেয়ে গেছে ।রাস্তার পাশে, বাড়ির আঙিনায়, পুকুর পাড়ে লাগানো গাছে গাছে ক’দিন পরেই বাতাসে দোল খাবে সজনে। প্রত্যন্ত অঞ্চলজুড়ে যা মানুষের অতি প্রিয় খাবার।

সজনেচাষী দীপক ঘোষ বলেন‘ এখন অনেকে বাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষ করে হাট-বাজারে বিক্রি করেন। প্রথমদিকে দামটা একটু বেশি থাকলেও পরে কমতে শুরু করে। ’শুধু গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছেই নয়, শহরের মানুষের কাছেও সজনে ডাঁটার ব্যাপক কদর রয়েছে। তাছাড গ্রাম বাংলার সর্বত্র সজনে, সজনের পাতা ও ফুল নি:সন্দেহে একটি পুষ্টিকর নিরাপদ খাবার।

সজনে গাছের ছাল ও পাতা ঔষধি হিসেবে ব্যবহারও বহুল পরিচিত। বিনা পরিশ্রমে শুধু একটি ডাল সংগ্রহ বাড়ির আনাচে কানাচে, রাস্তার পাশে লাগিয়ে রাখলেই কিছু দিনের মধ্যেই গাছ বড় হয়ে যায়। দেখতেও সজনে গাছ খুবই দৃষ্টিনন্দন। সজনে গাছের অতুলনীয় গুণ বিষয়টি বিবেচনা করে উপজেলার ১২টি ইউনিয়িন ও ১টি পৌরসভার সব অঞ্চলে শত শত সজনে ডাল রোপণ করে নিজ বসতবাড়িতে।

এদিকে, উপজেলার দেয়াড়া ঘোষ পাড়ার সিংহভাগ বাড়িতে সজনে চাষ করে থাকে। বাকী যে পরিবারগুলোতে সজনে গাছ নেই, গত বছর সেই পরিবারগুলোতেও সজনে গাছ লাগানোর জন্য এলাকার কৃষক, যুবক ও শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে গ্রামের মানুষের সাথে আলাপ-আলোচনা করেন।

যাদের বাড়িতে সজনে গাছ আছে সেখান থেকে ২টি ডাল সংগ্রহ করে যাদের বাড়িতে নেই সেখানে রোপণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হোসেন বলেন, সজনে ডাটা ঔষধে গুনে ভরা একটি সবজি।তিনি সজনে ডাল লাগানো কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করতে এলাকার তরুন, যুবক ও কৃষকদের সাথে সজনে গাছ এর গুণাগুণ ও সজনে খাওয়ার গুরুত্বারোপ করেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়া গদখালী ঈদ প্রীতি ক্রিকেট খেলায় সাবেক মেয়র গাজী আক্তারুল ইসলাম এর দলের জয়

কলারোয়া(বিশেষ প্রতিনিধি): (৫ এপ্রিল) শনিবার কলারোয়া পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ড গদখালী গ্রামেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় সাবেক মেয়র গাজী আক্তারুল ইসলাম এর দলের জয়

জাহাঙ্গীর হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি: (৫ এপ্রিল) শনিবার কলারোয়া পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় মাছ ধরা কেন্দ্র করে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাই খুন, আটক আপন ২ ভাই

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে চার ভাইয়েরবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে ভাই খু*ন, অপর ২ ভাই আটক
  • কলারোয়ায় ঈদের দীর্ঘ ছুটিতেও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত
  • কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডেপুটি রেজিষ্টারের সাথে মত বিনিময়
  • কলারোয়ায় শরবত বিক্রি করে চলে আলামিনের জীবন সংগ্রাম
  • কলরোয়ার হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়া সীমান্তের সোনাই নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা
  • কলারোয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর
  • কী অদ্ভুত সুন্দর রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছিল আমাদের!
  • কলারোয়ায় আম চাষীদের ভাগ্য বাতাসে ঝুলছে
  • দেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ
  • ঈদ উপহার পেলেন কারাগারে মৃত্যুবরণকারী কলারোয়ার দুই যুবদল নেতার পরিবার
  • কলারোয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন