সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কোটা আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় নিহত ৩৪ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ও নগদ অর্থ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৮ জুলাই) সকালে গণভবনে এ সহায়তা দেন তিনি।

সকালে গণভবনে রংপুরে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের পরিবারসহ ৩৪ জনের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় নিহত পরিবারের সদস্যরা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় নিহতদের স্বজনরা প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজ-খবর নেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীও আবেগ সংবরণ করতে ব্যর্থ হন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীর অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।

অশ্রুসিক্ত প্রধানমন্ত্রী তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাকে দেখেন, আমি কত শোক নিয়ে বেঁচে আছি।”

“আমি আপনাদের ব্যথা বুঝতে পারছি। এটা আমার দুর্ভাগ্য যে, আমাকে আপনাদের অশ্রু দেখতে হচ্ছে।”

একরাতে বাবা-মা, ভাইসহ নিজের স্বজন হারানোর ১৫ অগাস্টের সেই স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আপনাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমরা নেই। আপনাদের কষ্ট আমি বুঝি।”

এ সময় গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

সেখানে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা শনিবার রংপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছে গণভবনে আসেন।

গত ১৬ জুলাই রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিআরইউ) দ্বাদশ ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ মারা যান।

গত শুক্রবার আবু সাঈদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয় বিআরইউআর প্রশাসন। রংপুরের পীরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল তার বাবা-মায়ের কাছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করে।

জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন ১৫ জুলাই এসে সহিংসতায় রূপ নেয়। ১৬ জুলাই ঢাকাসহ কয়েকটি স্থানে আন্দোলনের মধ্যে সহিংসতায় প্রাণহানি হয়। এরপর সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন, সহিংসতায় বাড়তে থাকে প্রাণহানি।

আন্দোলনে সারা দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কারফিউ জারি করে সেনা মোতায়েন করে সরকার।

উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে সরকার বলছে, এই সহিংসতা ও প্রাণহানির জন্য এসব দল দায়ী এবং তাদের টার্গেট ছিল সরকারের পতন ঘটানো। তবে বিএনপি এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানিয়েছেন। রোববারবিস্তারিত পড়ুন

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষা, জীবনযাত্রারবিস্তারিত পড়ুন

মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর বাতিল

শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করতে কয়েকজন মন্ত্রী ও উপদেষ্টাকে নিজের কার্যালয়েবিস্তারিত পড়ুন

  • ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাতে কর্মজীবনে প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • তাহসিফের সঙ্গে থাকা সেই তরুণী দিশা গ্রেপ্তার, ৪ দিনের রিমান্ডে
  • বাংলাদেশি হজযাত্রীদের চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি
  • রাস্তায় নয়, রাজনীতি হতে হবে পার্লামেন্ট কেন্দ্রিক: রাষ্ট্রপতি
  • ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু: মীর শাহে আলম
  • পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ করে মজুরি বোর্ড ঘোষণা
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোয় কবে বেতন পাবেন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
  • এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা সম্ভাব্য ২ ডিসেম্বর, সুযোগ পাবেন যারা
  • সংবিধান সংস্কারে লংমার্চ নয়, বিরোধীদের আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • জাটকা ইলিশ আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা
  • বিএনপি মাঠে নামলে পালানোর পথ পাবে না: বিরোধী দলকে মির্জা আব্বাস
  • গায়ের জোরে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় বিরোধীদল: রিজভী