বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে লিয়ান হুয়ান হু নামক আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যে গত ১১ দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজের আগমন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ট্যাংকারটি বন্দরে পৌঁছানোর পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকেই জ্বালানি খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে শিউ চি নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল। এই নতুন চালানের ফলে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আরও তিনটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে এসপিটি থেমিস আগামী ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে।

এ ছাড়া ১৩ মার্চ র‍্যাফেলস সামুরাই এবং ১৫ মার্চ চাং হাং হং তু নামের আরও দুটি ট্যাংকার বন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যার প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল রয়েছে। এশিয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এই পাঁচটি ট্যাংকার মিলিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল যুক্ত হচ্ছে।

বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, নতুন আসা এই পাঁচটি ট্যাংকারের ডিজেল দিয়ে দেশের বর্তমান চাহিদার নিরিখে অন্তত ১২ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। তবে বিশ্ববাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার দীর্ঘমেয়াদি মজুত নিশ্চিত করতে গত রোববার থেকে দৈনিক ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ কমিয়ে ৯ হাজার মেট্রিক টনে নামিয়ে এনেছে।

সরকারের এই সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকলে বর্তমানে আসা ডিজেল দিয়ে ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। ফলে নতুন আসা এই বিশাল চালানের পর সব মিলিয়ে দেশের প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা পূরণ নিয়ে আর কোনো শঙ্কা থাকবে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও সোমবার প্রথম জাহাজটি আসার পরপরই দ্রুততার সঙ্গে জ্বালানি খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবারের দ্বিতীয় জাহাজটির খালাস প্রক্রিয়াও সচল রয়েছে এবং পরবর্তী জাহাজগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার ফলে বাজারে যে কৃত্রিম সংকট বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা প্রশমিত হবে বলে মনে করছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বন্দর ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
  • মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
  • হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
  • আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী
  • চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান