মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জন্মদিনে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জয়

জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ ধন্যবাদ জানান।

জয় তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘যারা আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার বয়স এখন অর্ধশতাব্দী, বাংলাদেশের সমান বয়স। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের ১২ বছর পর বাংলাদেশ আজ একটি মধ্যম আয়ের, ডিজিটালাইজড দেশ। আমি এখন একজন মধ্যবয়সী টেক উদ্যোক্তা!’

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের আজ জন্মদিন। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) পা রাখলেন ৫১ বছরে।

যুদ্ধের দামামার মাঝেই ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনার ঘর আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক শিশু। পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের পর নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রিয় দৌহিত্রের নাম রাখেন জয়।

‘জয়’ দিয়ে জীবনের শুরু হলেও শৈশবেই তাকে হতে হয় কঠিন নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি। ’৭৫-এ ঘাতকদলের নির্মম বুলেটে নানা-নানীসহ ছিন্নভিন্ন হয় যায় পুরো পরিবার। ’৭৫ পরবর্তী লন্ডন হয়ে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকেন ভারতে। পড়াশোনা করেন বিশ্বের প্রসিদ্ধ সব বিদ্যাপিঠে। নিজেকে গড়ে তোলেন একজন প্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে।

জীবনের বড় একটি সময় প্রবাস জীবন-যাপন করলেও দেশ ভাবনা থেকে কখনো পিছপা হননি বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। ২০১৪ সালে দায়িত্ব নেন মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবৈতনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন তিনি। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাইটেক পার্ক নির্মাণ, ফোর-জি চালু, ইন্টারনেটের দাম কমানো, কম্পিউটারের শুল্কমুক্ত আমদানি, ফ্রিল্যান্সিংয়ে উৎকর্ষ সাধনসহ অনলাইনে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদান অনন্য। যার সুফল আজ ভোগ করছে কোটি বাঙালি। কেননা করোনা মহামারিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থমকে গেলেও তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ পাচ্ছে বাড়তি সুবিধা।

সজীব ওয়াজেদ জয় মনে করেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ হতে চলেছে আগামীর নেতা। যার নেতৃত্বে থাকবে দেশের তরুণ প্রজন্ম। আর তাই তরুণ উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বকে একসঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে বৃহত্তম প্ল্যাটফরম ‘ইয়াং বাংলার’ সূচনা হয় সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বেই।

শ্রমনির্ভর অর্থনীতিকে প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে জাতীয় পর্যায়ে চলমান কর্মপ্রয়াসের কেন্দ্রবিন্দুতে সজীব ওয়াজেদ জয়। যার নেতৃত্বে দেশের উত্তরণ ঘটেছে অফলাইন থেকে অনলাইনে। প্রযুক্তির বরপুত্র, ডিজিটাল বাংলাদেশের এই রূপকারের হাত ধরেই আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ, এগিয়ে যাবে তারুণ্য।

একই রকম সংবাদ সমূহ

খেলাধুলার মাধ্যমেই নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী চান, দেশে এমন একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠুক, যারা ভবিষ্যতে দেশকেবিস্তারিত পড়ুন

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গঠনের চূড়ান্তবিস্তারিত পড়ুন

নারীদের জন্য চালু হলো পিংক বাস সার্ভিস

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় বিশেষবিস্তারিত পড়ুন

  • অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি
  • প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ক্রাউন প্রিন্স
  • অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিল সরকার, মানতে হবে যেসব শর্ত
  • জাতিসংঘের অনুমাননির্ভর রিপোর্ট সরকার আমলে নিচ্ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • চিকিৎসকসহ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার
  • বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধান ১ বছরের মধ্যে সম্ভব নয় : অর্থমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় বাংলাদেশ
  • বিএনপির জনপ্রিয়তার মূল কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল
  • মন্ত্রিসভা কি বড় বা রদবদল হচ্ছে? কয়েকজনকে নিয়ে আলোচনা
  • ৪৮ বছর বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন যারা, কে কতদিন?
  • বিএনপি ও সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি যারা