বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ঝাউডাঙ্গায় নজর কেঁড়েছে ‘কালো মানিক’

মৎস্য ঘেরের পাশাপাশি ২০১৫ সাল থেকে গবাদিপশু পালন করে সফলতা পেয়েছেন আব্দুল মান্নান নামের এক যুবক। প্রথমে ২টি গরু দিয়ে শুরু করলেও তার খামারে এখন ১০টি গরু। তার মধ্যে ১৮ মন ওজনের সব থেকে বড় গরুটির নাম কালো মানিক। গায়ের রং কালো বলে গরুটির নাম দেয়া হয়েছে কালো মানিক। এ বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৫ লক্ষ টাকায় ওই গরুটি বিক্রি করার প্রত্যাশা রয়েছে খামারী আব্দুল মান্নানের।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুত অফিস সংলগ্ন গোবিন্দকাটি খালের পাড় এলাকার মৃত আব্দুর রউফের ছেলে খামারী আব্দুল মান্নান। ধানের কুড়া, বিচুলিসহ খালের পাড়ে লাগানো নেপিয়া ঘাসসহ প্রাকৃতিক গোখাদ্য খাওয়ানোর পাশাপাশি কর্মচারি দিয়ে সঠিক পরিচর্যা করেন গবাদিপশুদের। খামারে গরুর পাশাপাশি ১০টি সুস্বাস্থ্যবান ছাগল, হাস, মুরগী, কবুতর ও খরগোশ রয়েছে। তবে করোনার প্রাদূর্ভাবে খামারের গবাদিপশু বিক্রি করতে না পেরে তুলনামূলক লোকশান ও বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই খামারী।

খামারী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘মাছের ব্যবসার সাথে ২০১৫ সাল থেকে গবাদিপশু পালনের কাজ শুরু করেন। প্রথম থেকে ভালো লাভ হওয়াতে বাড়তি সময় ও শ্রমিক দিয়ে খামার বড় করে বর্তমানে বিক্রি যোগ্য ১০টি গরু ও ১০টি ছাগল আছে। যার মধ্যে প্রায় ১৮ মন ওজনের সব থেকে বড় গরু ‘কালো মানিক’কে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হবে। গরুটির বুকের মাপ ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি ও লম্বা ৭ ফুট ৬ ইঞ্চি। পরিচ্ছন্ন খামারে ৩জন কর্মচারী গবাদিপশু দেখাশোনা করেন।’

দৈনিক কালো মানিকের পিছনে প্রায় এক হাজার টাকা খরচ করেন তিনি।

খামারী আব্দুল মান্নান আরো বলেন, ‘কালো মানিক’কে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে মাধ্যমে সরকারি অনলাইন হাটে বিক্রি করার উদ্যোগ নিয়েছেন।’

কালো মানিককে দেখতে আসা কলারোয়া বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক জহিরুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘ফেসবুকে কালো মানিককে দেখে সরেজমিনে এসে দেখলাম। মনটা জুড়িয়ে গেলো।’

এলাকবাসী কে.এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে পরিচ্ছন্ন খামারে আব্দুল মান্নান কালো মানিককে অনেক পরিশ্রম করে বড় করেছেন।’

সাতক্ষীর সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার সিংহ বলেন, ‘জেলা সদরের ৮ হাজার ৪৩৪টি গরু খামার রয়েছে। ২ হাজার ৩০৬টি গরু খামার ও ১ হাজার ৫০০ ছাগলের খামার। এবছর ঈদুল আজহাতে ৬ হাজার গরু ও ছাগল-ভেড়ার বিক্রির চাহিদা আছে ৪১১০টি। খামারীরা যাতে ন্যায্য মূল্য পেতে পারে সেদিকে খেয়াল রেখে ছবি ও বিবরণ অনলাইনভুক্ত করে সাতক্ষীরা সদর অনলাইন গরু হাটের মাধ্যমে বিক্রি করে খামারীদের সহযোগীতা করা হচ্ছে।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর

২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে সারা দেশেবিস্তারিত পড়ুন

ধর্ম যার যার, পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে যেই ধর্মেরই হই না কেন, ধর্মবিস্তারিত পড়ুন

মানিকগঞ্জে ১২ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন খাদ্যমন্ত্রী

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয়বিস্তারিত পড়ুন

  • চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
  • নাটোরে পণ্য কিনতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল শরীয়তপুরের পাঁচ ব্যবসায়ীর
  • ইশরাকের হাতে অস্ত্রটা না থাকলে ভালো হতো, কাজকে নেগেটিভ বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
  • রাজশাহীতে আখচাষীদের ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • যশোরের রাজগঞ্জে বিষপানের পর বাঁওড়ে ঝাঁপ, যুবকের মৃত্যু
  • সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : নজরুল-সুইটির সম্পর্ক নিয়ে যা জানালো পরিবার
  • কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুন, দুই মেয়েসহ যশোরের দম্পতির মৃত্যু
  • মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
  • জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী
  • ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা
  • সেনাসদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী
  • বর্জ্যের পাহাড়কে সবুজে বদলে দেওয়ার উদ্যোগ: ডিসি ফরিদার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী