সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নড়াইলে কোরআন পড়া অবস্থায় আমার স্বামীকে হত্যা: স্ত্রী হাসনাহেনা

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রাজ্জাক মল্লিক সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পূর্ব পাশের ঘরে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি জায়নামাজে বসে কোরআন পড়ছিলেন। তার স্ত্রী পাশের বাড়ি পানি আনতে গেলে ওই সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করে তাঁকে। নড়াইলের কামাল প্রতাপগ্রামের রাজ্জাক মল্লিকক (৭৫) হত্যা ঘটনায় থানায় মামলা দা’য়ের হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর জায়নামাজে বসে কোরআন শরীফ পড়া অবস্থায় অবস্থায় ওই বৃদ্ধ খুন হন। তিনি সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের কামালপ্রতাপ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য।

রাজ্জাক মল্লিকের ছোট ছেলে রফিকুল বলেন, আমাদের এখানে তিন গ্রাম নিয়ে দলাদলি আছে, আমার বাবা এলাকার মুরব্বি হওয়ায় তার কথা একটি গ্রুপের লোকজন শুনতো, সেই কারণে এলাকায় একটি হত্যা ঘটনায় আমাদের বাড়ী ভাঙচুর চালায় অপর গ্রুপ,পরে ঐ হত্যা মামলায় আমাদের আসামী করে। তারাই আমার বাবাকে আমার ছোট ছেলের সামনে কোরআন শরীফ পড়া অবস্থায় জায়নামাজের ওপর খুন করেছে, আমার ছেলে ছোট হলেও সে কয়েকজনকে চিনেছে, নাম এখন বলবো না, মামলায় এজহারে সব জানতে পারবেন। আমরা আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।

রাজ্জাক মল্লিকের স্ত্রী হাসনাহেনা (৬২) বলেন, আমার স্বামী নামাজ পড়ার পর প্রতিদিন কোরআন শরীফ পড়ে থাকেন। কোরআন শরীফ পড়াকালে তার গলা শুকিয়ে যায়। আমি তার জন্য প্রতিবেশি গিয়াসের বাড়ি থেকে পানি আনতে যাই। কিছু সময় পর আমার পুতা ছেলে এশারক (৬) দৌড়ে এস বলে, “দাদাকে কারা যেন কুপায়ে মেরে ফেলতিছে । চিৎকার করতে করতে ঘরে গিয়ে দেখি সব শেষ। আমার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। তিনি দাবি করেন, “আমাগে শত্রুরাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলিছে। গ্রামে দলাদলির কারণে আমার দুই ছেলেই বাড়ি ছাড়া, গ্রামে একটা মার্ডারের পর আমার বাড়ীঘর সব ভে*ঙ্গে ফেলেছে, ছেলেদের নামে মামলা দিয়েছে, তাই তারা লোহাগড়ায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করে। তারাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে, আমি স্বামী হ*ত্যার বিচার চাই।

জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদের নামে পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্জাক মল্লিকের বড় ছেলে রবিউল মল্লিক, কামলা প্রতাপ গ্রামের রসিদ মল্লিকের ছেলে নাজমুল হোসেন এবং আমাদা গ্রামের অহিদার খানের ছেলে নাইচ খানকে থানায় নিয়ে গেছে। এখনো পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তারা।

এ ব্যাপরে সদর থানার ওসি মোঃ ইলিয়াছ হোসেন জানান, হত্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্জাক মল্লিকের বড় ছেলে রবিউল মল্লিক, কামলা প্রতাপ গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন এবং আমাদা গ্রামের অহিদার খানের ছেলে নাইচ খানকে থানায় আনা হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখনো থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। তিনি বলেন, হত্যা ঘটনার তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা যাবে না।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানিয়েছেন। রোববারবিস্তারিত পড়ুন

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষা, জীবনযাত্রারবিস্তারিত পড়ুন

ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাতে কর্মজীবনে প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কর্মকর্তাদের ছাত্রজীবনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, তবে তাবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশি হজযাত্রীদের চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি
  • রাস্তায় নয়, রাজনীতি হতে হবে পার্লামেন্ট কেন্দ্রিক: রাষ্ট্রপতি
  • ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু: মীর শাহে আলম
  • পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ করে মজুরি বোর্ড ঘোষণা
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোয় কবে বেতন পাবেন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
  • সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে খাদে পড়লো জামায়াতের লংমার্চফেরত বাস, নিহত ১, আহত ২০
  • সাতক্ষীরার তালায় এইচএসসিতে ফেল, চিরকুট লিখে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
  • এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা সম্ভাব্য ২ ডিসেম্বর, সুযোগ পাবেন যারা
  • জাটকা ইলিশ আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা
  • সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএসের গোলাগুলি
  • তাহসিফ হত্যা মামলা: গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে
  • দেবহাটায় এতিম বাচ্চাদের ফ্রিতে দুধ খাওয়ালেন সখিপুর দুগ্ধ সমবায় সমিতি লিঃ