বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

প্রকৃত আসামিকে চিহ্নিত করতে কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ

কারাগারে প্রকৃত আসামিকে চিহ্নিত করতে ক্রমান্বয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সেই সঙ্গে নাশকতার মামলায় ভুল আসামি জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তিনটি নির্দেশনা দিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সব থানায় আসামির হাতের আঙুল ও তালুর ছাপ, চোখের মণি, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন।

২. গ্রেপ্তারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি (Mugsgot photographs) ধারণ ও কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে (integrated ) সংরক্ষণ।

৩. দেশের সব কারাগারে আঙুল ও হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণির সংরক্ষণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ সিস্টেম চালু করা।

এদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে গত সপ্তাহে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর বসুরহাটের মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নয় মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

গত বছরের ১০ মার্চ ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একই বেঞ্চের এক আদেশে জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

সেই সঙ্গে নোয়াখালীর জহির উদ্দিন ওই মামলার প্রকৃত আসামি কি না, তা তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নয়। প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, রাজধানীর খিলগাঁও থানায় ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল দায়ের হওয়া মামলায় পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

পরে ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের জামিন পেয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। তিনি জহির উদ্দিন নামেই আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন।

এদিকে, পুলিশ তদন্ত শেষে জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। এরপর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (ToT) কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (ToT) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

২০১৭ সালে দায়ের হওয়া একটি মামলার জটিলতায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষকবিস্তারিত পড়ুন

হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে বিদায় বেলায় পাঁচ লাখ টাকা দান করেছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • মিছিলের প্রস্তুতিকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী আটক
  • একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ
  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা সেটি নির্ধারিত হবে আদালতে: ডা. জাহেদ
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
  • আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী
  • ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ
  • চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
  • ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার
  • জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৭ মামলায় ৫৯ জনের সাজা, মৃ’ত্যুদণ্ড ১৩ জনের
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর ১০ বিডিআর সদস্যকে হত্যা করে জিয়াউল: দেহরক্ষীর সাক্ষ্য
  • রক্তের দাগ না শুকাতেই ফ্যাসিবাদী চক্র আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে: টুকু