রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভারতীয় সেজে অভিনব প্রতারণা, ফাঁদে পড়ে সাবেক সচিব হারালেন ২ কোটি টাকা

এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক অভিনব প্রতারণার ঘটনা। এবার ভারতীয় নাগরিক সেজে এই প্রতারণার ফাঁদ পেতেছেন মাসুদ নামের এক ব্যক্তি। ভারতীয় পরিচয় পাকাপোক্ত করতে কথা বলেন হিন্দি ও ইংলিশে। আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি চক্র।

এই চক্র তাস খেলার নামে করে অভিনব প্রতারণা।

রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে বিলাসবহুল অফিস এই চক্রের। জুয়াড়ি ও মদ্যপ ধনাঢ্য ব্যক্তিদের ফাঁদে ফেলে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। তাদের খপ্পরে পড়ে সাবেক এক সচিব একাই হারিয়েছেন ২ কোটি ৫ লাখ টাকা।

কখনো বাড়ি ভাড়া, কখনো ব্যবসায় বিনিয়োগের লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসা হয় চক্রের অফিসে। জুয়া খেলেন, মদের বারে নিয়মিত যাতায়াত কিংবা অনেক টাকার মালিক। এমন ব্যক্তিরা হন টার্গেট। তারপর তাস খেলার আমন্ত্রণ। যেটাকে বলা হয় থ্রি কার্ড।

শুরুতে জিতিয়ে দেওয়া হয়। পরে মোটা অংকের টাকা দিয়ে খেলতে গেলেই কৌশলে হারিয়ে দিয়ে, সব টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
অভিনব এ প্রতারণার নাম দেওয়া হয় আরসিডি বা রয়েল চিট ডিভিশন।

মূলহোতা মাসুদ বলেন, অফিসে নিয়ে আসার পরে আমাকে যখন পরিচয় করে তখন আমি বলি নামাস্তে, কিয়া কে সামান হে আপকো পাস। কার্ড চুরি করে উনাকে ঠাকি দেই আর উনি ঠকে যায়।

ফাঁদে পড়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক এক সদস্য। ধানমন্ডির একটি বাড়ি ভাড়া দেওয়ার জন্য টু-লেট দিয়েছিলেন তিনি। ভাড়া নেওয়ার কথা বলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন চক্রের এক সদস্য। তারপর নানা কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর নিকুঞ্জে। মাত্র সপ্তাহখানেকের সম্পর্কে, লোভে পড়ে স্ত্রীর জমি বিক্রি করে ২ কোটি ৫ লাখ টাকা তুলে দেন প্রতারকদের হাতে।

সাবেক সচিব বলেন, যখন আমি গেলাম তখন তারা খেলা দেখাতে আগ্রহ দেখালো। ১০ কোটি টাকা আমি জিতে গেছি। সে টাকা নিতে হলে আমার কাছে যে ১০ কোটি টাকা আছে সেটা শো করতে হবে। তখন আমি জরুরি ভিত্তিতে জমি বিক্রি করে তাদের টাকা দেই। তারা টাকাগুলো নিয়ে গাড়িতে করে চলে যায়।

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অফিস ভাড়া নেয় চক্রটি। নান্দনিক পরিবেশ, দামি আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী দেখে অল্প সময়ে অনেকেই তাদের বিশ্বাস করেন। ধরা পড়ার আশঙ্কায় এক/দুই মাস পর পর করেন ঠিকানা পরিবর্তন।

চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্য গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদেরও আটকের তৎপরতা চালাচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশ।

গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের উপ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, যারা নানাভাবে অনেক টাকার মালিক হয়ছেন এ রকম বয়োজ্যেষ্ঠ মুরব্বিদের তারা টার্গেট করেন। ক্যাসিনো না হলেও মদ পান বা বারে যাওয়ার সম্পর্ক আছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে পেয়েছি।

প্রতারকরা ধরা পড়ছেন বটে। তবে একই ব্যক্তির কয়েকটি মোবাইল সিম ব্যবহার ও বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে রয়ে গেছে প্রশ্ন। সূত্র: সময় টিভির প্রতিবেদন

একই রকম সংবাদ সমূহ

নীতিমালা জারি: ৮ শ্রেণির মানুষ পাবেন না ফ্যামিলি কার্ড

দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’বিস্তারিত পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো : চিফ প্রসিকিউটর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একবিস্তারিত পড়ুন

  • ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • নতুন দায়িত্বে হুমায়ুন কবির
  • শিক্ষার্থীদের ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ করতে মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ কমিটি : শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
  • মির্জা ফখরুলের চেয়ারে সালাহউদ্দিনকে বসিয়ে কী বার্তা দিল বিএনপি?
  • স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও একক প্রার্থীর ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
  • নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর গুম: প্রধানমন্ত্রী
  • চোখ বেঁধে সীমান্ত দিয়ে শিলং, পরে পাগল ভেবে হাসপাতালে নেয়া হয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ঢাকার যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যেসব সিদ্ধান্ত
  • গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
  • ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর