শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা মরিচ আমদানি কমেছে

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) শুকনা মরিচ আমদানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেকেরও বেশি কমেছে। এ সময় গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৫৫ শতাংশ কম শুকনা মরিচ আমদানি করেছেন ব্যবসায়ীরা। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতে শুকনা মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দাম বাড়ায় আমদানি কমেছে।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব বিভাগ থেকে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছিল ৯৭ হাজার ৯৫৮ টন। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে ৪৭ হাজার ১২০ টনে নেমেছে। তবে চলতি অর্থবছর আমদানি কমলেও গত অর্থবছরের তুলনায় শুকনা মরিচের আমদানি ব্যয় বেড়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এ বন্দর দিয়ে শুকনা মরিচের আমদানি মূল্য ছিল ১ হাজার ৭৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছর তা বেড়ে ১ হাজার ১৮৮ কোটি ১ লাখ টাকায় পৌঁছেছে।

এ বিষয়ে ভোমরা স্থলবন্দরের মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ইসরাইল হোসেন জানান, ভারতে কয়েক মাস শুকনা মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এ কারণে গত অর্থবছরের এ সময়ের তুলনায় পণ্যটির আমদানি অন্তত ৫০-৫৫ শতাংশ কমেছে।

এদিকে আমদানি কমলেও সাতক্ষীরার মসলা বাজারগুলোয় শুকনা মরিচের দাম স্থিতিশীল। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের বাণিজ্যিক মোকাম সুলতানপুর বড় বাজারের কয়েকটি মসলা আড়ত ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। একই অঞ্চলের কয়েকটি আড়তে পাইকারিতে শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে কেজিতে ৪০০-৪১০ টাকায়। এক মাসে আগেও এ পণ্যের দাম একই ছিল বলে জানিয়েছেন আড়ত মালিকরা।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান, শুকনা মরিচ আমদানি কমলেও তুলনামূলকভাবে দাম বাড়েনি, বরং কমতির দিকে রয়েছ। দেড়-দুই মাস আগেও সাতক্ষীরার মসলা বাজারে শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৪৪০-৪৫০ টাকা কেজি দরে।

ভোমরা বন্দর দিয়ে সারা বছরই প্রচুর পরিমাণ শুকনা মরিচ আমদানি হয়। আমদানীকৃত এসব মরিচ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

দেশে কুমিল্লা, ভোলা, রায়পুর, বগুড়া, পঞ্চগড়, হাটহাজারী এলাকায় মরিচের আবাদ ও উৎপাদন হয় বেশি। শুকনা মরিচ মূলত রবি মৌসুমের পণ্য। ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশে শীতকালীন রবি মৌসুম শুরু হয়। তবে দেশী মরিচের মান ভালো হলেও আমদানীকৃত মরিচ শুধু দেখতে ভালো হওয়ায় খুচরা বাজারে এটির চাহিদা থাকে বেশি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডেপুটি রেজিষ্টারের সাথে মত বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদব: কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডেপুটি রেজিষ্টারের সাথে মতবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় শরবত বিক্রি করে চলে আলামিনের জীবন সংগ্রাম

মোস্তফা হোসেন বাবলু, কলারোয়া (সাতক্ষীরা): সাতক্ষীরার কলারোয়ার পৌর সদরের শিশু আলামিন মায়েরবিস্তারিত পড়ুন

কলরোয়ার হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

হাবিবুর রহমান সোহাগ, সাতক্ষীরা: স্মৃতি বিজড়িত গল্প আড্ডা আর স্মৃতিতে রোমন্থনের মধ্যবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়া সীমান্তের সোনাই নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা
  • কলারোয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর
  • কী অদ্ভুত সুন্দর রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছিল আমাদের!
  • কলারোয়ায় আম চাষীদের ভাগ্য বাতাসে ঝুলছে
  • দেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ
  • ঈদ উপহার পেলেন কারাগারে মৃত্যুবরণকারী কলারোয়ার দুই যুবদল নেতার পরিবার
  • কলারোয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
  • কলারোয়ার ধানদিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
  • কৃষি ব্যাংকে রেমিট্যান্স এনে সারা দেশে তৃতীয় কলারোয়ার আসমা
  • কলারোয়ায় সিংগা হাইস্কুলে নানান আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
  • যৌক্তিক সংস্কার করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দিন : সাবেক এমপি হাবিব