রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মুক্তেশ্বরী নদীতে অবৈধ পাটা ও নিষিদ্ধ জালের দৌরাত্ম্য, হুমকির মুখে পানিপ্রবাহ ও মৎস্যসম্পদ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মুক্তেশ্বরী নদী ও আশপাশের জলাশয়ে অবৈধভাবে বাঁধ বা পাটা দিয়ে মাছ শিকারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পরিচালিত এসব কর্মকাণ্ডের ফলে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক বংশবিস্তার ক্ষেত্র, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মুক্তেশ্বরী নদীর উপর আড়াআড়িভাবে বাঁশ, জাল ও কাঠের কাঠামো ব্যবহার করে পাটা স্থাপন করা হয়েছে। এসব পাটায় কারেন্ট জাল, মশারি জাল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ফলে ছোট মাছ, মাছের পোনা ও ডিমও রক্ষা পাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে নদী ও বিলের পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতার সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ায় প্রতিবছরই দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি নদীতে পাটা বসিয়ে বছরের পর বছর মাছ শিকার করছেন। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এতে সাধারণ জেলেরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি নদীর পরিবেশও ধ্বংস হচ্ছে।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন, “আগে মুক্তেশ্বরী নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। এখন পোনা মাছ পর্যন্ত ধরে ফেলায় মাছের উৎপাদন কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নদীর সেই মাছ আর দেখতে পাবে না।”
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, নদীতে অবৈধ পাটা ও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার শুধু মৎস্যসম্পদের ক্ষতিই করছে না, বরং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে নদীর নাব্যতাও কমিয়ে দিচ্ছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে নদী ভরাট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা দ্রুত এসব অবৈধ পাটা অপসারণ এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা নদী ও জলাশয় রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনারও দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সচেতন মহলের অভিমত, মুক্তেশ্বরী নদী ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ পাটা ও নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য ও দেশীয় মৎস্যসম্পদ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল ছেলের, রাজগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃ*ত্যু

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের হাজরাকাটি গ্রামে বাবাকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টবিস্তারিত পড়ুন

মনিরামপুরে ডোবার পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃ*ত্যু

ডোবার পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে যশোরের মনিরামপুরে লিয়াকত গাজী (৬০) নামের একজন কৃষকেরবিস্তারিত পড়ুন

১০ টাকায় বিক্রি চাষির পটোল, ২৫-৩০ টাকায় কিনছেন ক্রেতা

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ পাইকারি বাজারে পটোলের দামেবিস্তারিত পড়ুন

  • ‘২৫ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট’ অফারের ফাঁদে নতুন প্রতারণা, ওটিপি দিলেই ঝুঁকিতে ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ
  • মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ দ্রুত প্রদানের দাবি
  • মনিরামপুরে বাবার বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, সন্দেহের তীর স্বামীর দিকে
  • মনিরামপুরে মৎস্য খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে চারা মাছ বিতরণ
  • মালয়েশিয়ায় হরিহরনগর গ্রামের যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া
  • যশোরের ঝাঁপা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন শিক্ষক-সাংবাদিক আছাদুজ্জামান
  • রাজগঞ্জে সরকারি কবরস্থানের দাবিতে এলাকাবাসী সোচ্চার
  • এক সময়ের প্রাণকেন্দ্র মুক্তারপুর বাজার নদীপথের ঐতিহ্য বহনকারী বাজার এখন জরাজীর্ণ
  • মনিরামপুরে বসুন্ধরা-শুভসংঘের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা
  • মনিরামপুরে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
  • মণিরামপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষার্থী নিহত