শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

লোকসভার সর্বদলীয় বৈঠকে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা, ওয়াকআউট করে ক্ষোভ প্রকাশ

ভারতের লোকসভার বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই সর্বদলীয় বৈঠকে প্রায় অচেনা একটি রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে তীব্র ক্ষোভ ও নাটকীয় ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই) নামক এই দলটিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোয় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

রোববার (১৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা যে দলে যোগ দিয়েছেন, সেই এনসিপিআইকে বৈঠকে ডাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে মহুয়া মৈত্রের নেতৃত্বে তৃণমূল সদস্যরা হল ছাড়েন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, সিপিএম, ডিএমকে, আম আদমি পার্টিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তবে কিছুক্ষণ পরই তারা বৈঠকে ফিরে আসেন।

গত এপ্রিলের নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারানো তৃণমূল এখন ভেতরে-বাইরে চাপে। দলের ২০ জন সাংসদ ইতিমধ্যে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে তারা এখন এনসিপিআইয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন।

কিন্তু স্পিকার এখনও এই বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাননি। লোকসভার ওয়েবসাইটেও এখনও তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদই দেখানো হচ্ছে।
এর মধ্যে সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু গত শনিবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে এনসিপিআই নেতা হিসেবে সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান। একই চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে এনসিপিআই-এর চিফ হুইপ বলে উল্লেখ করা হয়।

তৃণমূল নেতারা এটাকে ‘গণতন্ত্রের উপহাস’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাজ্যসভা সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন এক্সে বলেন, প্রতারণা। বিশ্বাসঘাতকদের এখনও তৃণমূলের সাংসদ বলা হচ্ছে, অথচ মন্ত্রী তাদের নতুন দলের এমপি হিসেবে বৈঠকে ডাকছেন।

২০২৩ সালে গঠিত এনসিপিআই দলটি গত মাস পর্যন্ত একেবারেই অপরিচিত ছিল। তৃণমূলের বিদ্রোহীরা যোগ দেওয়ার পরই দলটির নাম সামনে আসে। সরকারি সূত্র বলছে, বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেরাই জানিয়েছেন যে তারা আর তৃণমূলের অংশ নন। তাই সব দল ও গোষ্ঠীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই স্পিকার এনসিপিআই-কে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারেন। যদি তা হয়, তাহলে সংসদীয় ইতিহাসে এটি বিরল ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে।

একই লোকসভা সচিবালয়ের নথিতে মহারাষ্ট্রের শিবসেনার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের খবর উঠে এসেছে। উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠী থেকে আসা ছয় সাংসদকে একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, তৃণমূলের মতোই শিবসেনাও ভাঙনের মুখে পড়েছে এবং বিদ্রোহীরা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নভেম্বরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চলতি বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করতে পারেন বলেবিস্তারিত পড়ুন

বদলে গেলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম-প্রতীক

ভারতের নির্বাচন কমিশন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বিবাদমান দুটি উপদলকে নতুন রাজনৈতিকবিস্তারিত পড়ুন

‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

  • দিল্লির হাইকমিশনারের অনুমোদন: আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন শামা ওবায়েদ
  • পশ্চিমবঙ্গে অনিয়মের অভিযোগে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ
  • ভারত থেকে নিজের মল-মূত্র সঙ্গে নিয়ে রাশিয়া ফিরবেন পুতিন!
  • ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা
  • ‘মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি গরুর মাংস খায়’ : অভিনেত্রী ‘ঝিলিক’ ওরফে তিথি বসু
  • ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না, অনুকূল পরিবেশ হলেই ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
  • কলকাতায় হোটেল পেতে সমস্যা, তবু নিউমার্কেটে বাংলাদেশিদের উপচেপড়া ভিড়
  • দিল্লিতে ছয়তলা ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা শিক্ষার্থীদের ফোনে বাঁচার আকুতি
  • কলকাতায় রাস্তায় রাত কাটাচ্ছেন বাংলাদেশিরা
  • ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন
  • বাংলাদেশের সঙ্গে লাগোয়া চিকেনস নেকের নিরাপত্তায় ভারতের নতুন উদ্যোগ
  • কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা