শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শেখ মুজিবের ছবি সরানোর কারণ জানালেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

কন্যার ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবের ছবি সরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মাহফুজ আলম এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা পোস্টে লিখেন, শেখ মুজিব ও তার কন্যা (আরেক শেখ) তাদের ফ্যাসিবাদী শাসনের জন্য জনগণের তীব্র রাগ-ক্ষোভের মুখে পড়েছেন। তাদের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য, শেখ মুজিব একসময় পূর্ব বাংলার গণমানুষের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন, যে জনপ্রিয়তা হাসিনার ছিল না। জনগণ পাকিস্তানি নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে তার (শেখ মুজিব) নেতৃত্ব অনুসরণ করেছিলেন, কিন্তু একাত্তরের পর তিনি নিজেই একজন জালিম হয়ে ওঠেন। মুজিববাদের প্রতি তার সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতায় একাত্তরের পর পঙ্গু ও বিভক্ত হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। নিজের ফ্যাসিবাদী ভূমিকার কারণে ১৯৭৫-এ তার মৃত্যুতে মানুষ শোক-অনুতাপ প্রকাশ করেনি।

তিনি বলেন, শেখ তার একাত্তর-পূর্ব ভূমিকার জন্য সম্মান পাবেন, যদি শেখের একাত্তর-পরবর্তী গণহত্যা, জোরপূর্বক গুম, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষ ও নিশ্চিতভাবেই বাহাত্তরের সংবিধান, যা বাকশাল প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করেছিল—এসবের জন্য তার দল ও পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চান। শেখ-কন্যার ফ্যাসিবাদী শাসনের কথাও তাদের স্বীকার করা, ক্ষমা চাওয়া এবং এ জন্য বিচারের মুখোমুখি হওয়া উচিত (শেখ মুজিবকে একজন ঠাট্টা-বিদ্রূপ ও উপহাসের পাত্র বানিয়েছিলেন তিনি)। তাদের আরও উচিত, মুজিববাদী রাজনীতি ও শেখ পরিবারের বন্দনা পরিহার করা।

শেখ মুজিবের ছবি সরানো নিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, ‘কন্যার ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে শেখের ছবি সরানো হয়েছে (যদিও তা কর্মকর্তারা সরিয়েছেন); যে শাসন মেয়ে করেছেন ফ্যাসিবাদী বাবার নামে ও তার একাত্তর-পরবর্তী চেতনার কথা বলে। তার বাবাকে দেবতুল্য করা হয়েছিল, কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের মানুষ একসঙ্গে তাদের দুজনের ছবি, ম্যুরাল ও ভাস্কর্য নামিয়ে ফেলেছেন। কেউ যদি সরকারি অফিস থেকে শেখদের ছবি সরানোর কারণে আক্ষেপ প্রকাশ করেন, তবে তিনি এ গণঅভ্যুত্থান ও গণমানুষের চেতনারই নিন্দা জানালেন।’

পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায় না। আমরা এখানে এসেছি, ঐতিহাসিক অসংগতি ও অপব্যাখ্যাগুলো দূর করতে। মনে রাখতে হবে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাংলাদেশের গণমানুষের। আবার, কোনো মুক্তিযোদ্ধাও যদি একাত্তরের পর কোনো অন্যায় করে থাকেন, তার বিচার ও সাজা হওয়া উচিত। স্বাধীনতাযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছেন বলেই তাদের (একাত্তরের পর কোনো অন্যায় করা মুক্তিযোদ্ধাদের) এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের উচিত, শাসক পরিবারগুলোকে দেবতুল্য করা ও সেই ক্ষমতাসীন পরিবারগুলোর সবকিছু নিজেদের বলে মনে করা—এ থেকে বেরিয়ে আসা। ’৪৭ ও ’৭১-এর পাশাপাশি জুলাইয়ের চেতনা আমাদের সবার স্মৃতিতে থাকুক অম্লান!’

একই রকম সংবাদ সমূহ

আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে যুবকের আঙুল বিচ্ছিন্ন

আশুলিয়ার একটি বাসা-বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে রনি (২০) নামে এক যুবকেরবিস্তারিত পড়ুন

নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন

২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম চালু করা হবে বলে জানিয়ে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী ড.বিস্তারিত পড়ুন

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর মোট ৭৯ হাজারবিস্তারিত পড়ুন

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন, কাউন্সিল ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে বিএনপির জোর
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • প্রবাসী কার্ড চালু হচ্ছে চলতি মাসেই, মিলবে যেসব সুবিধা
  • জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন জমির উদ্দিন: জামায়াত আমির
  • সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার জমির উদ্দিন মারা গেছেন
  • পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি
  • ৫ আগস্টের পর পালিয়ে থাকা তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
  • যুগ্ম-সচিব পদে ১৭২ কর্মকর্তার পদোন্নতি
  • শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকা থেকে ঢাকার অবস্থান বদলাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান