শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরায় দুই গ্রাম ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে নারীর সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অর্থপেডিকস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া দুই গ্রাম ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ভুল চিকিৎসায় পুঙ্গ হওয়া অসহায় নারীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্তালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সুলতানপুর গ্রামের ছেফা গাজীর পুত্র মনোয়ারা খাতুন। আমি একজন অসহায় স্বামী পরিত্যাক্ত নারী। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা হাটের মোড়ে এক্সিডেন্ট করে মারাত্মকভাবে আহত হই।

এক্সেরে করে দেখি আমার বাম পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে হাড় বিশেষজ্ঞ ডা: সমীর কুমার দাস এর খোজ খবর করতে থাকাকালিন সময়ে কালিগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের রেজাউল বিশ্বাসের পুত্র বর্তমানে শহরের কাটিয়ামাঠপাড়ার বাসিন্দা গ্রাম ডাক্তার মো: মাসুম বিল্লাহ’র সাথে দেখা হয়।

সে সময় তিনি নিজেকে একজন বড় মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে আমার নাম ও নাম্বার গ্রহণ করেন। তিনি বলেন সমীর কুমার দাশের চেয়ে একজন বড় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন। ১ সপ্তাহ পরে তিনি আমার কাছে এসে বলেন, “ তোমার পায়ের অপারেশন করতে হবে, দেড় লক্ষ টাকা খরচ হবে।”

সে সময় হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমে তার কাছে ৪৫ হাজার টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে বাকী টাকা দিয়ে সর্বমোট দেড় লক্ষ টাকা প্রদান করি। পরে ৬ নভেম্বর ২২ তারিখে হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার হাসপাতালে আমাকে নিয়ে যান গ্রাম ডাক্তার মাসুম বিল্লাহ। সেখানে উপস্থিত থাকা গ্রাম ডাক্তার দেবহাটার বহেরা গ্রামের ফট্টুর পুত্র বর্তমানে মধুমোল্লারডাঙ্গী পলাশপোলের গ্রাম ডাক্তার মো: বাবু নিজেকে অর্থপেডিকস ডাক্তার পরিচয় দেয়।

পরে আমার পা অবশ করে। পরের দিন জ্ঞান ফিরলে আমার শরীরে জ্বালা যন্ত্রনা ও ফোলাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। সে সময় এক্সরে করে দেখি পায়ে ঢুকানো নাট বল্টু, রড স্টিলের পাত ও প্লেট খোলা। তখন ওই গ্রাম ডাক্তার মাসুম বিল্লাহকে জানালে তিনি দেখে বলেন আবারো অপারেশন করতে হবে।

২য় দফায় আবারো হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে আমার অপারেশন করা হয়। এরপর আবারো এক্সেরে করে দেখি হাড় জোড়া লাগেনি। ফলে আমি চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছি। এরপর অর্থপেডিকস ডাক্তার ডা: হাফিজউল্লাহ ও ডাক্তার সমীর কুমার দাশ কে দেখালে তারা বলেন দুইবার অপারেশন করা হয়েছে।

এরপর অপারেশন করলে রোগীকে বাঁচানো যাবে না। সঠিক সময়ে আসলে হয়তো হাড় জোড়া লাগানো যেত। এখন আর সম্ভব হবে না। রোগী পঙ্গু হয়ে গেছে। শুরুতেই ভুল চিকিৎসা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি একজন গরিব অসহায় মানুষ। তাদের দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে সরকার ঘরটিও বিক্রয় করতে হয়েছে। অথচ আমি সুস্থ্য হতে পরেনি। উল্টো চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছি। আমি ওই প্রতারক গ্রাম ডাক্তারদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সচিবালয় অভিমুখে শিক্ষার্থীদের লংমার্চ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিতে ঘোষিত ‘লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’বিস্তারিত পড়ুন

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননিবিস্তারিত পড়ুন

চট্টগ্রাম ছাড়া সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে

চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলা ছাড়া দেশের বাকি সব এলাকায় চলমান এইচএসসি ওবিস্তারিত পড়ুন

  • হাসিনার ফিরে আসার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই: তথ্য উপদেষ্টা
  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ
  • মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার
  • আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে যুবকের আঙুল বিচ্ছিন্ন
  • অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৭ জেলায় বন্যা, প্রাণহানি বেড়ে ৪৪
  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • ‘শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন’
  • দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ–অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা
  • আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে বৈঠক শুরু কাল, আলোচনা হবে নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে
  • ৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান