বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরায় লটারীতে টিকে থাকা ৭১ শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুযোগের দাবিতে অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন

ভর্তির লটারীতে টিকে থাকার পরও শুধুমাত্র বয়সের অজুহাতে সাতক্ষীরা সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারছে না ৭১ জন শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীদেরকে স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন ভর্তির লটারীতে টিকে থাকা শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান শহরের রাধানগর এলাকার মৃত আব্দুল মান্নান আল কাদরীর ছেলে মো. শামিম কাদরী।

তিনি বলেন, সাতক্ষীরার সরকারি বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তির আবেদনের জন্য গত ১২ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে শিক্ষা অধিদপ্তর। সে অনুযায়ী ভর্তি ইচ্ছুক সাতক্ষীরার সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবক অনলাইনে আবেদন করেন। আবেদনের পরে বিধিমোতাবেক লটারী অনুষ্ঠিত হয়। লটারীতে দু’টি বিদ্যালয়ের দুই শিফটে মোট ৪৮০ জন আবেদনকারি শিক্ষার্থী তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করে। সে মোতাবেক লটারীতে জেতার পর আমাদের সন্তানরা যে সব স্কুলে আগে লেখাপড়া করত সেখান থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ফেলি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ভর্তি হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে গেলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বয়সের অযুহাত দেখিয়ে আমাদের ৭১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি নিচ্ছেন না। ফলে ৭১ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আমরা অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েছি, তাদের ভবিষ্যত নিয়েও আমরা চরমভাবে উদ্বিগ্ন।

শামিম কাদরী প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি বয়সের কারনে আমাদের সন্তানরা ভর্তি হতে না পারে তাহলে কেন অনলাইনে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হলো। কেনই বা লটারীতে তারা ভর্তি সুযোগ পেল। এভাবে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত কেন অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। সন্তানদের নিয়ে আমরা ৭১টি পরিবার বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোন ফলাফল পাচ্ছি না। লটারীতে টিকে থাকা একই বয়সের শিক্ষার্থীরা খুলনা জিলা স্কুলসহ খুলনা বিভাগের অন্যান্যস্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলেও নীতিমালার অজুহাতে সাতক্ষীরার শিক্ষার্থীদের সেই সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান ও বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টুকু কর্তৃক গত ১৭ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত একপত্রে ভর্তি সম্পর্কিত যে পত্র দেওয়া হয়েছে সেখানে বয়সের কোন বিষয় উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া অনলাইনেও বয়সের বিষয়ে কোন বিধি নিষেধ দেওয়া হয়নি। যদি থাকত তাহলে আমরা অন্যান্য স্কুল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত হুমকির মধ্যে ফেলতাম না।

তিনি লটারীতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ প্রাপ্ত ৭১জন শিক্ষার্থীদেরকে সাতক্ষীরা সরকারি বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধান উপদেষ্টা এবং বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অর্ধশতাধিক অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পিআইবি’র উদ্যোগে সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ

সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের জন্য মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণেরবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় জামায়াতের ইউনিয়ন তারবিয়াত টিম সদস্যদের শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইউনিয়ন তারবিয়াত টিম সদস্যদের একবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্তর্গত ক্লাব/সংস্থারবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরার নগরঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফের ছাদ ধস, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক
  • সাতক্ষীরার লাবসা জমিদার বাড়ী পুকুরের গাইড ওয়াল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
  • সাতক্ষীরায় ‘ডিজাস্টার অ্যালার্ট’ অ্যাপের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা
  • সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের কমিটি গঠন, উপকূল সুরক্ষায় ১৮ দফা দাবি
  • সাতক্ষীরায় যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল
  • সাতক্ষীরায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
  • সাতক্ষীরায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ
  • সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে ৪৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
  • সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির নতুন কমিটি গঠন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাংবাদিক হাফিজুল
  • সাতক্ষীরায় ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলের সভাপতি হলেন প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল
  • সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নিখোঁজ ছেলের সন্ধানের দাবিতে পিতার সংবাদ সম্মেলন
  • সাতক্ষীরার গ্রাহকরা ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা