সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরায় হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন

সাতক্ষীরায় হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

মোছা. সানজিদা হোসেন সুজ্যোতি (১৩) নামে এক কিশোরীকে হত্যা করে মরদেহ গোপনের দায়ে তার প্রেমিক আব্দুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আশাশুনিতে তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে রবিউল ইসলাম নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ জুলাই) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম এই দুই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আব্দুর রহমান উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে ও রবিউল ইসলামের বাড়ি আশাশুনির মনিপুর গ্রামে।

কলারোয়ার কিশোরী হত্যা মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু জানান, সুজ্যোতি হত্যা মামলার রায়ে আসামি পক্ষ খুশি নয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চতর আদালতে আপিল করবেন।

তবে জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৭ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সুজ্যোতি। সে কলারোয়া পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। একপর্যায়ে (২৮ মার্চ) ভোরে একই গ্রামের বিলের মধ্যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, মোছা. সানজিদা হোসেন সুজ্যোতির সঙ্গে ঘটনার এক বছর আগে থেকে প্রতিবেশী আব্দুর রহমানের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ ঘটনায় সুজ্যোতির মা লাইলী পারভীন বাদী হয়ে (২৯ মার্চ) কলারোয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পরে আব্দুর রহমানকে ২০২২ সালের (৪ এপ্রিল) নিজ গ্রাম জালালাবাদ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই দিনই সাতক্ষীরা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আব্দুর রহমান ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলারোয়া থানার এসআই সোহরাব হোসেন তার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ২৮ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

এ মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি আব্দুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মনিপুর গ্রামে তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে রবিউল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম। ২০১০ সালের ১৩ আগস্ট আশাশুনি থানার এসআই মজিবর রহমান একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। ৫ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে একই সালের ২৯ জুন তরুণীর বাবা শফিকুল ইসলাম আশাশুনি থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে রবিউল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা

অ্যাম্বুল্যান্স, অগ্নিনির্বাপক ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনোবিস্তারিত পড়ুন

ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

ভারত থেকে পুশইনের শিকার এক ভারতীয় নারীর বর্তমানে ঠায় হয়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ায়বিস্তারিত পড়ুন

দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল

দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল করেছেবিস্তারিত পড়ুন

  • গণতন্ত্র যদি চলে, তবে বাকি কাজগুলো হয়ে যায়: মির্জা ফখরুল
  • বেনজীরের জামিন বাতিলে কাজ করছে আমাদের ল’ফার্ম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিন পার্বত্য জেলায় এনসিপির প্রার্থী থাকবে: নাহিদ ইসলাম
  • পদায়নের তারিখ ঘোষণা, শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা
  • এই মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই: পেট্রোবাংলা
  • পুলিশের যানবাহনে নাশকতার শঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
  • দেশে ৫০৩টি মিনি স্টেডিয়াম হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
  • এক সপ্তাহে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি
  • অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান
  • এমপি​ হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: আপিল বিভাগ
  • কর্মস্থলে অনুপস্থিত, সাতক্ষীরায় ৪ চিকিৎসক বরখাস্ত