বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা। কোনো জিনিসের মূল্য একবার বাড়লে সেটি কমানো কঠিন। তবে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে উপদেষ্টার সম্মেলন কক্ষে এ ব্রিফিং হয়।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, এরই মধ্যে আমাদের রেমিট্যান্স বেড়েছে এবং বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য এসেছে। কিন্তু মূল্যস্ফীতির জায়গায় এখনো তেমন পরিবর্তন আসেনি।

একনেক সভায় মৌলভীবাজারে স্থাপিতব্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক প্রকল্প বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা অহেতুক প্রকল্প বাতিলের কাজ করছি। আমরা বাজেট ঘাটতি সহনীয় রেখে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সংশোধনের কাজ করছি। এতে উন্নয়ন বাজেটের আকার ছোট হলেও প্রবৃদ্ধি কমবে না। আমাদের লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জনগণের উপকার করা।

এলএনজি আমদানি কমিয়ে দেশীয় গ্যাস সন্ধানে নজর দেওয়া হবে জানিয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ভোলা, সিলেটে অনেক গাস মজুত আছে। সার্ভে করলে গ্যাস মিলবে। নিজের গ্যাস আছে এগুলো অনুসন্ধান করা উচিত। আমদানি না করে গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াবো। গ্যাস খাতকে অবহেলিত করে রাখা হয়েছে সে জন্য বেশি ঝুঁকে পড়েছি আমদানি করার ওপর এটা কমানো হবে।

ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, এরই মধ্যে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে ডিও লেটার দিয়ে বলেছি যে, বিভিন্ন এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রস্তাব পাঠাতে। কেননা, এখন স্থানীয় পর্যায়ে সংসদ সদস্য নেই। আছেন শুধু আমলারা, আর উপদেষ্টারা। তাই উপদেষ্টারা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। রাস্তাঘাট কোথায় কী সংস্কার দরকার, সেসব সমাধান করা হবে।

অন্য একটি প্রকল্পের বিষয়ে বলতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে প্রচুর গ্যাস মজুত আছে। আগের সরকার কেনো এগুলোতে গুরুত্ব না দিয়ে এলএনজি ও কয়লা আমদানির প্রতি ঝোঁক দিয়েছিলেন, সেটি বড় প্রশ্ন। আমরা আন্তর্জাতিক নিয়ম নীতি মেনেই গ্যাস অনুসন্ধান এবং কূপ খননের কাজ করবো। যতটা পারি এ কাজ অব্যাহত রাখা হবে। গ্যাস ও বিদ্যুতে আমরা কোনো নিয়ম ভাঙতে চাই না। তবে গ্যাস উত্তোলনে প্রচুর বিনিয়োগ দরকার।

তিনি বলেন, এখন থেকে যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প নিতে হলে প্রকল্প তৈরির সময়ই পরিবেশ অধিদপ্তরের লোককে রাখতে হবে। যাতে তারা দেখতে পারে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিবেশের কতটা কম ক্ষতি করা যায়। আবার যতটুকু ক্ষতি হবে, লাভ যেন তার চেয়ে বেশি হয়। সেটি না হলে দেখা যায় যে, প্রকল্প তৈরির পর পরিবেশ অধিদপ্তরের মতামত নেওয়া হয়। তারা শুধু হ্যাঁ অথবা না বলে দেয়। এটা তো কিছু হলো না।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানেবিস্তারিত পড়ুন

১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি

বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসেরবিস্তারিত পড়ুন

পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল

নেপালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিংবিস্তারিত পড়ুন

  • রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
  • দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • ওসি রাকিবুলের ভাইরাল অডিওর কণ্ঠ নিশ্চিত, তথ্য পাচার নিয়ে তদন্ত: ডিবিপ্রধান
  • দুর্গাপূজার ছুটি পাবে না জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
  • শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান
  • চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি
  • ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা
  • জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী